মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শ্রীপুরে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা পোষণ করে ফেসবুকে পোস্ট করায় মারধর,থানায় অভিযোগ। অনুমোদনহীন মেলা বন্ধ করে দিলো জিএমপি ডিসি। ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে ‘জাতীয় কর্মশালা’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী পুলিশ বাহিনী চেইন অব কমান্ড মেনে কাজ না করলে ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমরা নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই : প্রধানমন্ত্রী জয়পুরহাটে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, জিডি জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে লেখাপড়া না করেও সঠিক সনদে ৩০ বছর চাকরি। একমাত্র ডাঃ ৩ মাসের ছুটিতে লালমনিরহাট পরিবার পরিকল্পনা তিন উপজেলার চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হাজারো মানুষ সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা উন্নয়নে একসাথে কাজ করবে বাউবি ও ইউনিসেফ – বাউবি উপাচার্য।

ই-কমার্স খাতের আকার এখন ৯ হাজার কোটি টাকা

রিপোর্টারের নাম : / ৩০৪ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : রবিবার, ৫ জুন, ২০২২

বাংলাদেশে ই-কমার্স শিল্প সম্ভাবনাময় খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম। শুরুতে ই-কমার্সের বিস্তার শহরকেন্দ্রিক থাকলেও, কয়েক বছরের মাথায় সারা দেশেই ই-কমার্সের গ্রাহক শ্রেণি গড়ে উঠেছে।  সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দক্ষতা এবং সহজলভ্যতার কারণে দেশে ই-কমার্স খাতের আকার বাড়ছে। বর্তমানে এই খাতের আকার ৯ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত বাংলাদেশ ই-কমার্স সম্মেলন-২০২২-এ আলোচকেরা ই-কমার্সে হালচাল নিয়ে কথা বলেন। ই-কমার্স শিল্পের প্রকৃত সম্ভাবনা, ট্রেন্ড এবং অনুশীলনগুলোকে উন্মোচিত করার লক্ষ্যে আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে দেশের ই-কমার্সের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি এবং করোনাকালে এই শিল্পের পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরা হয়।

সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ই-কমার্স শিল্পের উন্নতির বিষয়ে বাংলাদেশের প্রত্যাশিত সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাগুলো গড়ে উঠেছে দক্ষতা এবং শিল্পটিতে প্রবেশের সহজলভ্যতার ভিত্তিতে। একটি পরিণত ইকোসিস্টেম সামগ্রিকভাবে এই শিল্পটিকে বেড়ে উঠতে সহায়তা করবে।’

ই-কমার্স খাতের অন্যতম উদ্যোক্তা আজকের ডিলের প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম মাশরুর জানান, গত তিন বছরে দেশে ৩০ শতাংশেরও বেশি হারে ই-কমার্স খাতের আকার বাড়ছে। ২০২৫ সাল নাগাদ এর আকার ২৪ হাজার কোটি ছাড়িয়ে যাবে।

আলোচকেরা বলেন, দেশে ই-কমার্স খাতের উন্নতির অনেক জায়গা রয়েছে। বর্তমানে ই-কমার্স বাজারের ৫০ শতাংশই ঢাকা-ভিত্তিক। আর প্রধান ১০টি শহরে ৭৫ শতাংশ বেচাবিক্রি হয়। বর্তমানে অনলাইন গ্রাহক ২০ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার ২ শতাংশেরও কম। অর্থাৎ সারা দেশে ই-কমার্স পৌঁছালেও গ্রাহকসংখ্যা সব জায়গায় সমানভাবে বাড়েনি। প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে ই-কমার্স সেবা সহজলভ্য করতে আরও কাজ করতে হবে।

ই-কমার্স সম্মেলনে তিনটি কি-নোট সেশন, তিনটি প্যানেল আলোচনা, চারটি ইনসাইট সেশন, দুটি কেস স্টাডিজ, একটি ফায়ারসাইড চ্যাট এবং একটি ডিপ ডাইভ সেশন অনুষ্ঠিত হয়।  দারাজের গ্রুপ ডিরেক্টর টনি হাল্টন, সেবা ডট এক্স ওয়াই জেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ইলমুল হক সজিব, এটুআই-অ্যাস্পায়ার টু ইনোভেটসের হেড অব ই-কমার্স রেজওয়ানুল হক জামিসহ ই-কমার্স সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আলোচনায় অংশ নেন।  সম্মেলনের উপস্থাপনায় ছিল দারাজ এবং পরিচালনায় ডট লাইনস। ইকুরিয়ার এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের সহযোগিতায় আয়োজনটির সহায়তায় ছিল সেবা প্ল্যাটফর্ম।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর