রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়াতে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনের অগ্রনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির

মো: ইয়াছিন আলী শেখ, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি
  • সময় কাল : শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১
  • ৩৩৬ বার পড়া হয়েছে

পাবনা জেলার কলহপ্রবন দুটি উপজেলা হিসেবে পরিচিত ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া থানা। সেই গুরুত্বপূর্ণ থানাদ্বয়ে প্রায় ১ বছর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত আছেন মো: ফিরোজ কবির । তিনি যোগদানের পর থেকেই পাল্টে যায় ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়ার থানার চিত্র। আলোচনা এবং সমালোচনার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া থানার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি। বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য অভিযান পরিচালনা

ও করোনাকালীন সময়ে মানবিক পুলিশের অনন্য উদাহরণ হিসেবে করোনা সংকট মোকাবিলায় পাবনা জেলার ঈশ্বরদী – আটঘরিয়া বৈচিত্র্যময় ভূমিকাকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায়। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, শ্রেণি বিবেচনায় না নিয়ে নিরপেক্ষভাবে পুলিশবাহিনীর সদস্যরা জনগণবান্ধব জনমুখী দায়িত্বর অগ্র ভূমিকা পালন । করে আলোচনায় আসেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। মাদক ও সন্ত্রাসী, জঙ্গীবাদ, ভুমিদস্যু, বাল্য বিবাহ মুক্ত শান্তির জনপদ হিসেবে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া থানাকে গড়তে চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির । ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া দুটি উপজেলায় বাল্য বিবাহ, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, মাদক-সন্তাস নিয়ন্ত্রনে দুই থানার ওসিদের নিয়ে তার ভূমিকা সর্বস্তরের প্রসংশনীয়। তাছাড়াও তিনি সফলতার সাথে বিভিন্ন অস্ত্র ও মাদক অভিযান পরিচালনা করার পাশাপাশি সাহসিকতার সাথে অপরাধীদের গ্রেফতার, ঈশ্বরদীতে মাদক অভিযান, ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া থানাদ্বয়ে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, করোনাকালীন সময়ে ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলায় কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন তিনি এবং বাড়িয়ে দিয়েছেন সাহায্যর হাতও। করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে জনসচেতনতা মূলক লিফলেট, মাস্ক বিতরণ থেকে শুরু করে অসহায়দের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণেও বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন তিনি। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আটঘরিয়া উপজেলার সবচেয়ে বেশি মাদকের সমস্যা থাকা এলাকা একদন্ত ইউনিয়ন এখন বইছে শান্তির বাতাস।

শুধু তাই নয়, তিনি যোগদানের পর থেকে দুটি থানা এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কর্মকান্ডও দিন দিন কমতে শুরু করেছে। তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পর ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া থানা এখন প্রায় দালাল মুক্ত। তিনি সর্বদাই বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন তার কোন ছাড় নেই। অপরাধীরা যেন অপরাধ করে পার না পায়, সে বিষয়েও তিনি কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। মাদক, সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের কাছে ফিরোজ কবির এখন এক আতঙ্কের নাম। মো: ফিরোজ কবির বলেন, “পুলিশ সর্বদাই জনগনের বন্ধু এবং জনগনের জান মাল রক্ষার প্রহরী। পুলিশ-জনতা যদি একসাথে মিলে কাজ করে এবং জনগন যদি পুলিশকে সার্বিক সহযোগিতা করে তাহলে দেশ থেকে অপরাধ কমে যাবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমি সর্বদাই মনে করি প্রতিটি থানা হোক সাধারন মানুষের সেবার আশ্রয়স্থল।

সে জন্য আমি আমার অধিনস্থ অফিসারদের সর্বদা নির্দেশ দিয়ে থাকি তারা যেন আইন শৃঙ্খলা রক্ষার মাধ্যমে সাধারন মানুষের সেবা করে।আমি ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়ার থানার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পর থেকে আমার সাধ্যমত যতটুকু পেরেছি আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে চ্যালেঞ্জের সাথে কাজ করে যাচ্ছি। আমি তাই ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া থানাকে শান্তির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি-ইনশাআল্লাহ।”

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102