মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১০:২১ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রামে স্বাস্থ্যসেবায় পল্লী স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের অবদান

Reportar Name
  • সময় কাল : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার খলিলগঞ্জ এলাকার আব্দুল আহাদ ব্যাপারীর পুত্র শহিদুল ইসলাম শিমুল সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন ‘পল্লী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র’।

জেলায় স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘদিন হতে ব্যাপক অবদান রেখে যাচ্ছে এই স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রটি। কেন্দ্রটির সেবিকাগণ গ্রাম এলাকা ঘুরে হতদরিদ্র মানুষ যারা অর্থের অভাবে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, তাদেরকে খুঁজে বের করে দুইশ’ টাকার বিনিময়ে ছয় মাস মেয়াদি একটি কার্ডের মাধ্যমে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

বর্তমানে পল্লী স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ২ হাজারের উর্ধে উপকারভোগী স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করছে। সরকারি ছুটি ও শুক্রবার ব্যতিত প্রতিদিনই সেবাকেন্দ্রটি চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

কেন্দ্রটির পরিচালক শহিদুল ইসলাম শিমুল তার প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাসেবার মান বাড়ানোর প্রচেষ্ঠা অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন। তার ইচ্ছা এ পল্লী স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটিতে যেন স্বল্প খরচে সব শ্রেণির মানুষ সকল চিকিৎসা সেবা নিতে পারে।

বর্তমানে এ সেবাকেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার মতো প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি নেই। প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জামাদি থাকলে দরিদ্রদের সকল চিকিৎসা সেবা দেয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে বলে জানান শহিদুল ইসলাম শিমুল।

সেবাগ্রহীতা সদর উপজেলার দুলালী বেগম, সাদু মিয়া, নাগেশ্বরী উপজেলার রহিমা বেগম, আউয়াল, ভুরুঙ্গামারী উপজেলার রেনুকা বেগম, মর্জিনা বেগম, রোজিনা বেগম ও আনোয়ারা বেগম বলেন, আমরা অর্থের অভাবে নিজেদের চিকিৎসা ঠিকমতো করাতে পারি না। পল্লী স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে এখন আমরা আমাদের সু-চিকিৎসা পাচ্ছি। আমরা চাই এ মহতি উদ্যোগে সরকারি বা বে-সরকারি সহযোগীতায় আমাদের সু-চিকিৎসা এবং কেন্দ্রটির উত্তরোত্তর উন্নতি।

পল্লী স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের পরিচালক শহিদুল ইসলাম শিমুল বলেন, আমি কুড়িগ্রামের দরিদ্র, হতদরিদ্র সহ সব শ্রেণিপেশার মানুষের চিকিৎসার জন্য ‘পল্লী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র’র মাধ্যমে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এ সেবা কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত অনেক রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়ে ভালো আছেন। বর্তমানে করোনা মহামারীতেও আমার এ প্রতিষ্ঠান নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

‘পল্লী স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্র’র চিকিৎসার মান বাড়াতে সরকারি, বে-সরকারিভাবে সহযোগীতা কামনা করে শিমুল বলেন, এখানে স্বল্প খরচে যদি সকল চিকিৎসা সেবা দেয়া সম্ভব হয়, তবে সদর হাসপাতালে রোগীদের চাপ অনেক কমে আসবে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102