শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ গ্রামের মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করলেন মকবুল হোসেন এম পি প্রধানমন্ত্রী’র নির্দেশে কৃষাণী’র ধান কেটে দিচ্ছে ছাত্রলীগ নেতা! গভীর রাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেমাই চিনি বিতরণ করলেন অমৃত মোদক ঠাকুরগাঁওয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত আজ ঈদ এতিম শিশুদের সাথে ঈদ উদযাপনে ঠাকুরগাঁওয়ের ‘৯৮ ব্যাচ’ ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশ সুপারের ঈদ শুভেচ্ছা | কলমের বার্তা  হাজী আব্দুস সাত্তারের নিজস্ব অর্থায়নে- ১২’শ দুঃস্থ, অসহায় ও কর্মহীনদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ওসি সেলিম মালিক জয়পুরহাট সম্মিলিত শ্রমিক ফেডারেশনের ঈদ উপহার

কোনাবাড়ীতে ইজ্জত নেয়ার অভিযোগে ইজ্জত আলীর ছেলে গ্রেপ্তার

গাজীপুর প্রতিনিধি
  • সময় কাল : মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে এক তরুণীর ইজ্জত নেয়ার সহযোগিতা করার  অভিযোগে ইজ্জত আলীর ছেলে মোবারক হোসেনকে (৩৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সন্ধ্যায় তাকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় । থানার অভিযোগ সূত্রে  জানা যায় ওই তরুণী (২০) স্ব-পরিবারে  কোনাবাড়ী জিএমপি থানার দেওয়ালিয়াবাড়ী এলাকার ইজ্জত আলীর ভাড়াবাসায় বসবাস করতো। একই বাসায়  পরিবারের সাথে  ভাড়া থাকতো মোঃ আব্দুল মমিন নামে (২০)নামে এক যুবক। সে স্থানীয় একটি মেলামাইন ফেক্টরীতে চাকুরী করতো। গত ৬ মাসপূর্বে মমিনের  সাথে পরিচয় হয় তরুণীর। এরপর থেকেই দুইজনের মধ্যে গড়ে উঠে প্রেমের সম্পর্ক। পরে আব্দুল মমিন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীকে ২০২০ সনের ২৯ ডিসেম্বর খালিবাসা পেয়ে তরুণীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে একাধিক বার ধর্ষণের ফলে বর্তমানে ওই তরুণী  তিনমাসের অন্তঃসত্ত্বা। তরুণী কোন উপায় না পেয়ে গর্ভের সন্তানের কথা মমিনের কাছে বলে। মমিন তাকে বিয়ে করবে বলে বিভিন্ন ভাবে তালবাহানা শুরু করে। গর্ভে সন্তান আসার পরেও রেহায় পায়নি ওই তরুণী। গত ১০ ফেব্রুয়ারী দুপুরে বাসায় কেউ না থাকায়  আবারও জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। মোঃ আব্দুল মমিন সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার পাইকপাড়া গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে। এদিকে দিন যতই অতিবাহিত হচ্ছে তরুণীর শারীরিক পরিবর্তন ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরে  তরুণীর পরিবার চলতি মাসের ২৮ তারিখে  বাড়ীর মালিক ইজ্জত আলীর কাছে বিষয়টি জানায়।পরে বাড়ীর মালিক ওই যুবকের সাথে বিয়ের আশ্বাস দেয় তরুণীর পরিবারকে। কিন্ত পরবর্তীতে বাড়ীর মালিক ইজ্জত আলীর ছেলে মোবারক হোসেন মিমাংসার কথা বলে জোর করে এক লক্ষ টাকা নেয়ার কথা বলে বিষয়টি ধামা চাপা দেয়ার চেষ্টা করে  এবং থানায় খবর দিতে বাধা দেয়।  পরে ওই যুবকের পরিবারকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে মোবারক । কোনাবাড়ী জিএমপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আবু সিদ্দিক জানান, ধর্ষণের বিষয়টি টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা এবং মিমাংসা করার অভিযোগে মোবারক হোসেন নামে একজনকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর অসামী আবদুল মমিনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102