মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ১১:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে রক্ত কণিকা ব্লাড ডোনেশন এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ মানবিক সহায়তা পেল ১ হাজার দরিদ্র ও দুঃস্থ পরিবার আমবাড়ীতে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে উদ্বোধন এমপি উল্লাপাড়া-সলঙ্গা ও রামকৃষ্ণপুর বাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হিরো চেয়ারম্যান ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানালেন সভাপতি-সম্পাদক ছাত্রলীগে এর প্রথম সভাপতি দবিরুল ইসলামের প্রতিকৃতি স্থাপনের জন্য স্মারকলিপি প্রদান শাহজাদপুরে সাবেক এমপি চয়ন ইসলাম ও এ্যাড. আব্দুল হামিদ লাবলু’র ঈদ সামগ্রী বিতরণ শাহজাদপুরে উই উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে দুঃস্থ তাঁতীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও ইফতার বিতরণ প্রত‍্যাশিত  সিরাজগঞ্জের” উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ জাগ্রত ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে শতাধিক পথশিশুদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

গাইবান্ধায় জমির বুক চিরে মাটি উত্তোলন, ঝুঁকিতে বাঁধ

রোমান খন্দকার, গাইবান্ধা
  • সময় কাল : শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে মহামারি করোনার মাঝেও থেমে নেই মাটি লুটের অভিযোগ । স্থানীয় প্রশাসন ও সব মহলকে ম্যানেজ করে অনেকটা দাপটের সঙ্গেই লুটের এই মহোৎসবে মেতেছেন প্রভাবশালী মাটিদস্যুরা। তাই অনেকটা নির্বিঘ্নেই দিনে-রাতে সমানতালে খননযন্ত্রের মাধ্যমে চলছে জমির বুক চিরে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন।

সাদুল্লাপুর থেকে কুপতলা, যাতায়াত করা কামারপাড়া ইউনিয়নের হিয়ালী নামক স্থানে ওয়াবদা বাঁধ কেটে কাকড়া,দিয়ে এলাকার ঘাঘট নদের বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাশের জমির মাটি কেটে অবাধে চলছে মাটি বিক্রির জমজমাট ব্যবসা। এভাবে অবাধে মাটি কেটে নেওয়ায় নদী-তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র এভাবে মাটি কেটে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় যে চক্রটি বাঁধের পাশ থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে, সেই চক্রটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন শহিদুল ইসলাম বাবলা, একজন ভাটা ব্যাবসায়ী।চক্রটি প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি না নিয়ে জমির মালিকের কাছ থেকে প্রতি বিঘার মাটি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায় কিনে নিজের ইটভাটা সহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে।

সরেজমিনে ২২ এপ্রিল ওই বাঁধ এলাকায় দেখা যায়,ঘাঘট নদের তীরে কামারপাড়া ইউনিয়নের হিয়ালী নামক স্থানে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ট্রাক্টরে তুলছেন।

স্থানীয় লোকের বরাত দিয়ে জানাযায়, প্রতি ট্রাক মাটি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করা হয়। এ ছাড়া রাস্তা ও নির্মাণাধীন বাড়ির প্রয়োজনেও অনেকে এই মাটি কিনে নেন।

স্থানীয় বাসিন্দা বাচ্চু মজুমদার ও মতিউর রহমান বলেন, এভাবে নদের বাঁধ থেকে দেদার মাটি কেটে নিলে নদের গতিপথ বদলে সামনের বর্ষায় নদের বাঁধ হিসেবে ব্যবহৃত রাস্তাটি ভেঙে যেতে পারে। আর বাঁধটি ভেঙে গেলে এলাকার কৃষিজমি ও রাস্তাঘাট নদে বিলীন হবে।

দেখা যায়, যেখান থেকে বর্তমানে মাটি কাটা হচ্ছে, তার প্রায় ১৫০ গজ দূরেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বলেন,নদের বাঁধ থেকে মাটি কাটা বন্ধ হোক, এটা আমরাও চাই। যেভাবে মাটি কাটা হয়েছে, সামনের বর্ষায় নদী ভরে গেলে স্কুলের মাঠ ও ভবন ঝুঁকির মুখে পড়বে। এ ছাড়া বাঁধের রাস্তাটিও ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ব্যাপারে ভাটার মালিক শহিদুল ইসলাম (বাবলার), সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি স্বীকার করেন কামারপাড়া ইউনিয়নের অলখ ঘোষ ও মানিক চান নামের দুই ব্যক্তির কাছ থেকে ৭ বিঘা জমির মাটি ২ লাখ ৬০ হাজার টাকায় ভাটার মালিক ও মাটি ব্যাবসায়ী শহিদুল ইসলাম ( বাবলা), জমির মাটি কিনে নিয়েছেন। এই মাটি তাঁরা ইটভাটার মালিকদের কাছে বিক্রি করেন। চার-পাঁচ বছর ধরেই তিনি মাটি বিক্রির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানান।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জমির মালিক তাঁদের কাছে মাটি বিক্রি করেন। আর তাঁরা সেই জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করেন। এর জন্য প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে কেন বলে জানতে চান তিনি নিজেই।

 

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102