রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বেড়ায় বৃক্ষরোপণ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় দেশীয় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ যুবক আটক লালমনিরহাটে নয়াদিগন্তের প্রতিনিধিকে হত্যার হুমকি-নয়নের বিরুদ্ধে থানায় জিডি সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় এক নারীসহ তিন ভ্যানযাত্রি নিহত বেড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিন মাদক কারবারি আটক সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় অগ্রণী ব্যাংক শাখা স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উল্লাপাড়ায় জিয়াউর রহমানের শেষ জনসভার স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবি বেড়ায় মাদক ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত উল্লাপাড়ায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত

গাছ লাগান পরিবেশ বাচান”স্লোগানে বেতাগী উপজেলা ও কলেজ ছাএলীগের অর্ধশতাধিক বৃক্ষ রোপন

মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না, বেতাগী বরগুনাঃ / ৫৫০ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বুধবার, ৮ জুন, ২০২২

আজ বেলা ১১ ঘটিকায় “গাছ লাগান পরিবেশ বাচান”স্লোগানে বেতাগী উপজেলা ও কলেজ ছাএলীরে অর্ধশতাধিক বৃক্ষ রোপন কর্মসুচী পালন করে।এসময় উপস্থিত ছিলেন সোহেল আমিন হাওলাদার,সাংগঠনিক সম্পাদক বেতাগী উপজেলা ছাএলীগ, আসাদুজ্জামান খান আসাদ, পৌরছাএলীগ নেতা,সাকিব মৃধা, রাকিব, মেহেদি, রাফসান,আহমেদ ইমন, আকাশ, আশরাফুল,সাকিল প্রমুখ।

এসময় সোহেল আমিন হাওলাদার,সাংগঠনিক সম্পাদক বেতাগী উপজেলা ছাএলীগ বক্তব্য বলেন, জনসংখ্যার অধিক চাপে ফসলি জমি উজাড় করে তৈরি করা হচ্ছে ঘরবাড়ি। হরদম কাটা হচ্ছে গাছপালা। মানছে না কেউ নিয়ম-নীতি। তাই পরিবেশ আজ হুমকির মুখে। ব্যাপক হারে গাছপালা ও ফসলি জমি বিলীন হতে থাকলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সবুজ শ্যামল এ দেশটা আগের মতো নেই। যেসব গুণের কারণে আমাদের এ দেশকে সবুজ-শ্যামল বলা হতো তা হল চারদিকে ঘন গাছপালা আর সবুজের সমারোহ। এখন সেই সবুজ-শ্যামল রূপ খুব কমই চোখে পড়ে। গাছপালা ও ফসলি জমি ধ্বংসের কারণে পাখপাখালিও আগের মতো দেখা যায় না। গাছপালা কাটার ফলে পাখিদের আশ্রয়স্থল কমে যাচ্ছে। হরদম গাছপালা কাটা হলে পাখিদের বংশবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

খাদ্য সমস্যা একসময় প্রকট আকার ধারণ করবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ লাগানোর বিকল্প নেই। আগেকার দিনে চারদিকে যে গাছপালা দেখা যেত, তার তিনভাগের একভাগও এখন দেখা যায় না। এমন চলতে থাকলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে। এমনিতেই দেশ পানিতে ডুবে যাওয়ার সতর্কবাণী দেয়া হচ্ছে।

বেপরোয়াভাবে কেউ গাছপালা কাটলে তেমন কোনো প্রতিবাদও হয় না এখন। ফলে নির্বিচার বৃক্ষ নিধনের মিছিলে নেমে পড়ছে অসাধু চক্র। তাই পরিবেশগত সমস্যা বেড়েই চলেছে। ‘গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান’- এই হোক আমাদের প্রাণের স্লোগান। ফসলি জমি রক্ষা করতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। একটি ছোট দেশে এভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ফসলি জমি ধ্বংস করে সবাই ঘরবাড়ি নির্মাণ করবে এটাই স্বাভাবিক।

ফসলি জমি ও গাছপালা বিনষ্ট করে দালানকোঠা নির্মাণ করার ফলে একসময় দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে। তাছাড়া এভাবে গাছপালা কমতে থাকলে মানুষ অক্সিজেনের অভাবে ভুগবে। বিশুদ্ধ বাতাসের অভাবে আমাদের শরীরে বিভিন্ন রোগ বাসা বাঁধবে। তাই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এর ফলে গাছপালা কাটা বন্ধ হবে, দেশ আবার সত্যিকার রূপে সবুজ-শ্যামল হয়ে উঠবে।

আজকের দিনে শিশু-কিশোরদের কাছে আগেকার দিনের ফল-ফলাদির কথা বললে তারা বিশ্বাসই করতে চায় না। সেই দিন আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য দরকার অধিক হারে বৃক্ষরোপণ। গাছে গাছে, ফুলে-ফলে ভরে উঠুক আমাদের বাড়ির আঙ্গিনা। স্কুল প্রতিষ্ঠানে, বাড়ির আঙ্গিনায়, রাস্তার পাশে গাছ লাগানোর কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে হবে। বৃক্ষ নিধনের মিছিল এভাবে চলমান থাকলে মানবজীবন হুমকির মুখে পড়বে, পরিবেশের বিপর্যয় ঘটবে, দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, পৃথিবী ধ্বংসের মুখোমুখি হবে। তাই গাছ লাগিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর