বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন

ঘুড়কা ইউনিয়নের নৌকার হাল ধরতে চান যুবলীগ নেতা ফরিদ

কলমের বার্তা ডেস্ক:
  • সময় কাল : শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়নে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারে মাঠে নেমে পড়ছে সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচনী মাঠ এখন সরগরম। কেউ কেউ ৬ মাস ১ বছর আগ থেকে পাড়া-মহল্লায় ঘুরে-ঘুরে জনসমর্থন যাচাই করেছেন। এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা একটু বেশিই পরিলক্ষিত হচ্ছে। আসন্ন ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উৎসব মুখরতা। চায়ের টেবিলের আড্ডায় গল্পকথাসহ পথে প্রান্তরে সর্বত্রই ঘুরেফিরে প্রচার হচ্ছে নির্বাচনী আলোচনা।

এই আলোচনায় অনেকের মধ্যে অন্যতম প্রার্থী সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমানে সলঙ্গা থানা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক রিয়াদুল ইসলাম ফরিদ। রিয়াদুল ইসলাম ফরিদের নাম সর্বত্র প্রচার করছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
ঘুড়কা ইউনিয়নের একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতা কর্মীর সাথে ভাল সম্পর্ক গড়ে তোলার কারণে এবারের নির্বাচনে রিয়াদুল ইসলাম ফরিদকে বেছে নিবেন ইউনিয়নবাসী।

নির্বাচনের বিষয়ে রিয়াদুল ইসলাম ফরিদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ,আমার নেতা,আমার রাজনৈতিক অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রায়গঞ্জ-তাড়াশ ও সলঙ্গা আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা: আব্দুল আজিজ এমপি মহোদয় যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন,যেহেতু আমি বয়সে তরুন এবং তরুন হিসেবে বেশি পরিশ্রম করতে পারবো,আমি সাধারণ মানুষের পাশে বেশি সময় দিতে পারবো, আর আমার নেত্রী তরুন এবং সাবেক ছাত্র নেতাদের মূল্যায়ন করছেন। সেহেতু দল আমাকে নৌকার মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি দলীয় নেতা কর্মী ও সাধারণ জনগনকে সাথে নিয়ে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো|

তবে আমি এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে সবসময় ছিলাম এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ ।
জানা গেছে তরুন এই সাবেক ছাত্র নেতা ও যুবলীগ নেতার সামাজিক কর্মকান্ড এবং তৃনমূলের নেতৃবৃন্দের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার কারণে মনোনয়ন দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে আছেন বলে অনেকেই ধারণা করছেন।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সলঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতারা বলেন,ফরিদ ছেলেটা অত্যান্ত ন¤্র ও ভদ্র। আমাদের সবার সাথেই তার ভাল সম্পর্ক,তাকে যদি দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় তাহলে দলীয় নেতাকর্মীসহ ইউনিয়নের সকল লোকজনের মনের আশা পূরণ হবে। ফরিদের জন্য আমাদের যেখানে যেতে হয় প্রয়োজনে আমরা সেখানে যেতে প্রস্তুত।

আওয়ামীলীগের একাধিক প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে সরব থাকলেও অনেকটাই নীরব বিএনপি। তাদের কোন প্রার্থী এখনও নির্বাচনী প্রচারে নামেনি। রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, নীতি -নৈতিকতা, দৃঢ়চেতা, এমনকী ব্যক্তি জীবনের আদর্শের গরিমায় প্রায় সকল শ্রেনি -পেশার মানুষের মনে অনঢ় ঠাই করে নিয়েছেন রিয়াদুল ইসলাম ফরিদ।

সবমিলে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করতে অদম্য ইচ্ছা নিয়ে বসে আছেন ঐক্যবদ্ধ জনতা। এখন শুধু সময়ের পালা। সাধারন জনতা বলেন, ফরিদ করেনাকালীন সময় ইউনিয়নের সাধারণ ও গরিব কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িছেন এবং গরীব মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রাতের আধারে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। আমরা তার এই মহানুভব কর্মকন্ডের জন্য তিনি যদি আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তাহলে তাকেই বেছে নিব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। ঘুড়কা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও মডেল রূপ দেয়ার জন্য ফরিদকেই প্রয়োজন। পাশাপাশি ইউনিয়নের সকল সেবা নিশ্চিত করতে বিরামহীনভাবে কাজ করে চলেছেন তিনি।

ফরিদ বলেন,ছাত্রলীগ রাজনীতি শুরু করি ১৯৯৬ সাল থেকে। তখন থেকেই বিভিন্ন আন্দোলন,সংগ্রাম,পুলিশের লাঠি চার্জে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ,বিরোধী দলের অন্যায় অত্যারচারসহ ৪৮ দিন কারাবরন করি। পরে প্রয়াত সাবেক এমপি আব্দুল লতিফ মির্জার সহযোগিতায় মামলা থেকে খালাস পাই।

জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের নেয়া উন্নয়নের সকল ছোঁয়া এই ইউনিয়নবাসীকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলস চেষ্টা করে যাবো আমার অবস্থান থেকে। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা ও ইউনিয়নকে দুর্নীতি এবং মাদকমুক্ত রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো, মা ও শিশুর উন্নত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করবো, এবং ইউনিয়ন বাসীর সকল সেবা নিশ্চিত করতে আমি আজীবন কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।

আমি দলমত নির্বিশেষে সকল বিভেদ ভুলে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারায় সবাইকে সম্পৃক্ত করে ঘুড়কা ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমি যদি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পাই তাহলে প্রথমেই জননেত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গিকার প্রতিটি গ্রামকে শহরের সুবিধা প্রদান করতে চেষ্টা করবো। সকল ধরনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করবো।

প্রতিটি ওয়ার্ডে থাকবে অভিযোগ বাক্স। যেখানে এলাকাবাসী তাদের দু:খ ও দূর্দশাসহ বিভিন্ন অনিয়মের কথা তুলে ধরবেন। ইভটিজিং ও মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা হবে আমার প্রথম পদক্ষেপ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২০৪১ সালের ভিশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দলের একজন সামান্য সেবক হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ঘুড়কা ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার সুযোগ করে দিবেন বলে আমি শতভাগ আশাবাদী।

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102