বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে আদালতের রায়ে উল্লাপাড়া বাঙ্গালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু হানিফ আমার ছোট ভাই ইমন উল্লাপাড়ায় লাগামহীন থ্রি – হুইলার স্ট্যান্ডের সিরিয়াল পেতে সড়কে বেপরোয়া প্রতিযোগিতা ৪০ বছর ধরে বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা।  গ্রামীণফোন একাডেমিতে ৪ লাখ নিবন্ধন, চাহিদার শীর্ষে এআই কোর্স। কাজিপুরে অসাধু সার বিক্রেতার অর্থদন্ড।  ১১ দলের লংমার্চ ঘিরে নাশকতার আশঙ্কা, সজাগ থাকার আহ্বান সারওয়াত সিরাজ শুক্লার। উল্লাপাড়ায় কোনাগাতী কে,সি, দাখিল মাদ্রাসায় সুধী ও অভিভাবক সমাবেশ উল্লাপাড়ায় বাংলাদেশ ট্রাক – কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির জেলা কার্যালয় উদ্বোধন বিএনপির নাম ভাঙিয়ে দুষ্টমি করলে বা অপ্রপ্রয়াস চালালে তা তুলে ধরুন-ওবায়দুর রহমান চন্দন

জয়পুরহাটে ক্লাস রুম সংকটে ব্যহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম

সুলতান মাহমুদ, জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ / ৩৩০ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ৬ জুন, ২০২২

জয়পুরহাটের সদর উপজেলার চক দাদরা দাখিল মাদ্রাসার ক্লাস সংকটের ফলে মাঠেই পাঠদান করানো হচ্ছে, এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ব্যহত হচ্ছে।

১৯৮৫ সালে এলাকার কয়েকজন মানুষ উদ্যোগী হয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করে। পরে ১৯৯৭ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়।
এখানে বতমানে সাড়ে তিনশো শিক্ষা্থী পড়াশোনা করছে। সেই সাথে সুনামের সাথে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল ও করে আসছে।
কিন্তু আগের ক্লাস রুমগুলো মাটির হওয়ায় সেগুলোর টিনের ছাউনি নষ্ট হয়ে বৃষ্টি হলেই রুমে পানি পড়ে আবার কিছু কিছু রুমে ফাটল দেখা দেওয়ায় এখন মাঠেই ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ।

৮ ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জেমি খাতুন বলেন, আমাদের ক্লাসরুম গুলোর অবস্থা খুবই খারাপ, আমরা তো রুমে ক্লাসই করতে পারিনা একটু বৃষ্টি হলেই বই খাতা ভিজে যায় তাই আমরা এখন বাহিরেই ক্লাস করি। আমরা চাই কতৃপক্ষ দ্রুত আমাদের পড়াশোনার সঠিক পরিবেশ তৈরি করে দেক।

৭ ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফ আহমেদ ও ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহমুদা বলেন, মাঠে ক্লাস করা আর ক্লাস রুমে ক্লাস করা তো এক নয়, আকাশের ঝড়বৃষ্টি আসলে আমরা মাঠেও ক্লাস করতে পারিনা, এতে করে আমাদের পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হচ্ছে। আমাদের দাবি সরকার দ্রুত আমাদের প্রতিষ্ঠানের ক্লাসরুমের ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক।
প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আলী কাউছার বলেন, আমার ক্লাসরুমে ক্লাস করাতে পারিনা মাঠেই ক্লাস নিতে হয়, মাঠে ক্লাস নেওয়ার কারনে পাঠদান করাতে আমাদের অনেক সমস্যা হয়, কোন কোন শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে আসতেও চায় না।

প্রতিষ্ঠানটির সুপার গোলজার হোসেন বলেন, আমাদের ক্লাস রুম খুবই জররী বতমান সরকার যেভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন নতুন ভবন তৈরি করে দিচ্ছে সেই হিসেবে আমাদের ও দাবি আমাদের এই প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন তৈরি করে দেওয়া হলে আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কমকর্তা দিপক কুমার বনিক বলেন, আমি প্রতিষ্ঠানটি দেখেছি সেখানে পাঠদানের খুবই সমস্যা হচ্ছে, আমি দ্রুত উধতন কমকতাকে বিষয়টি জানানো হবে যাতে দ্রুত প্রতিষ্ঠানটিতে ক্লাসরুমের ব্যবস্থা করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর