শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ গ্রামের মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করলেন মকবুল হোসেন এম পি প্রধানমন্ত্রী’র নির্দেশে কৃষাণী’র ধান কেটে দিচ্ছে ছাত্রলীগ নেতা! গভীর রাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেমাই চিনি বিতরণ করলেন অমৃত মোদক ঠাকুরগাঁওয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত আজ ঈদ এতিম শিশুদের সাথে ঈদ উদযাপনে ঠাকুরগাঁওয়ের ‘৯৮ ব্যাচ’ ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশ সুপারের ঈদ শুভেচ্ছা | কলমের বার্তা  হাজী আব্দুস সাত্তারের নিজস্ব অর্থায়নে- ১২’শ দুঃস্থ, অসহায় ও কর্মহীনদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ওসি সেলিম মালিক জয়পুরহাট সম্মিলিত শ্রমিক ফেডারেশনের ঈদ উপহার

তরমুজ এখন গরিবের ফল নয়

মোঃ কামাল হোসেন, যশোর প্রতিনিধি
  • সময় কাল : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৩৪ বার পড়া হয়েছে

অভয়নগরে একটা সময়ে মধ্যবিত্ত কিংবা ধনী-গরিব সকলের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে ছিলো দেশীয় সুস্বাদু ফল তরমুজ। গ্রীষ্মের তাপদাহ থেকে নিজেদের স্বস্তি দিতে গ্রামীণ হাট-বাজার ও বৈশাখি মেলা থেকে বাড়ি ফেরার পথে স্বজনদের জন্য নিয়ে যাওয়া হতো তরমুজ। কিন্তু বিগত দুই বছরের ব্যবধানে তরমুজের বাজারে আর সেই আগের চিত্র নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পূর্বে একেকটা তরমুজ পিচ হিসেবে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে কেজি দরে। অভয়নগর সহ বিভিন্ন হাট-বাজার ও ফলের দোকানগুলোতে ৫০- ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। এতে করে ছোট সাইজের একেকটা তরমুজের মূল্যে গিয়ে দাড়াচ্ছে দেড় থেকে দুইশ টাকা। প্রথম দিকে দাম কিছুটা কম থাকলেও রমজান শুরু হওয়ার থেকে তরমুজের লাগামহীন মূল্যে থাকায় গরিব ও মধ্যবিত্তদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে গরমের স্বস্তিদায়ক রসালো ফল তরমুজ। ফলে তরমুজ এখন আর গরিবের ফল নয়। এনিয়ে একাধিক ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপকালে তারা জানিয়েছেন, মোকামে তরমুজের দাম বেশি হওয়ার কারনে প্রভাব পরছে খুচরা বাজারে। মোকাম থেকে কেজি দরে তরমুজ ক্রয় করা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে কেউ সদুত্তর দিতে পারেননি। অপরদিকে তরমুজের দাম আকাশচুম্বি হওয়ায় সোচ্চার হয়ে উঠছেন ক্রেতারা। ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তরমুজের দাম নিয়ে ব্যবসায়ীদের নানান সমালোচনা করছেন সাধারনরা । ব্যবসায়ীদের শিক্ষা দিতে তরমুজ না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন কেউ কেউ।

এবিষয়ে বাজার মনিটরিং নির্বাহী ম্যাজিস্টেট, নারায়ন চন্দ্র পাল বলেন, তরমুজের বিষয়ে আমার নিকট কোনও তথ্য নেই, স্থানীয় কৃষি বিপণন কর্মকর্তা যদি বাজারে মুল্য নির্ধান করে দেয়,তাহলে আমি ব্যবস্থা নিব।

এবিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার,গোলাম সামদানির নিকট মুঠোফোনে,জানতে চাইলে,তিনি বলেন কাচামাল বাজারে দাম উঠানামা,করার কারনে আমরা কিছু করতে পরছিনা তবে অন্যন্য উপজেলার খবর নিয়ে দেখি কি করা যায়।

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102