শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিংড়ায় মোটরসাইকেল থেকে পড়ে বিএনপি নেতার স্ত্রী’র মৃত্যু জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দৌলতপুরে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত ভাঙ্গুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত বেড়ায় একতা বন্ধু উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান সিংড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত সিরাজগঞ্জে নানা আয়োজনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালন করেছে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা কোনাবাড়ীতে আসছেন মাওলানা  হাফিজুর রহমান  সিদ্দিকী  শাহজাদপুরে জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত সেচ্ছাসেবক দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পাবনার ঈশ্বরদীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও সমাবেশ নিজেদের সংখ্যালঘু না ভেবে দেশের নাগরিক ভাবুন : প্রধানমন্ত্রী

তাড়াশে জমে উঠেছে মওসুমী ক্ষীরার হাট

কলমের বার্তা ডেস্ক :
  • সময় কাল : রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৩৫২ বার পড়া হয়েছে।

রফিকুল ইসলাম, তাড়াশ :

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গরম পড়ার সাথে সাথে জমে উঠেছে মওসুমী ক্ষীরার হাট। প্রতি বছরের মতো এ বছর উপজেলার সীমান্তবর্তী বারুহাস ইউনিয়নের দিঘরিয়া গ্রামে অস্থায়ীভাবে বসেছে এ হাট। প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শত শত টন ক্ষীরা বিক্রি হচ্ছে এ হাটে ।

হাটটি তাড়াশ সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে সীমান্তবর্তী দিঘরিয়া গ্রামে বসে। আশপাশ এলাকা থেকে চাষিরা গরু, মহিষ, ঘোড়ার গাড়ি, নসিমন, করিমন, অটোভ্যান ও কাঁদে করে এ হাটে ক্ষীরা নিয়ে আসেন। অন্য দিকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারেরা এ হাটে ক্ষীরা কিনতে আসেন।
চাষীদের ও পাইকারদের আগমনে হাট এলাকা মানুষে পূর্ণ হয়ে যায়। পাইকারেরা এ হাট থেকে ক্ষীরা কিনে দেশের বিভিন্ন শহর বা অঞ্চলের বিশেষ করে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর ও চট্টগ্রামে বিক্রির করার জন্য নিয়ে যায়। এ হাটে প্রতি ছোট বস্তা ক্ষীরা ২৫০-৩০০ টাকা ও বড় বস্তা ক্ষীরা
৪০০-৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এ অঞ্চলের ক্ষীরা সুস্বাদু হওয়ায় চাহিদা অনেক বেশি।
ক্ষীরা চাষি আব্দুল মজিদ বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে ক্ষীরা চাষ করতে প্রায় ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। খরচের টাকা বাদ দিয়ে আমার প্রতি বিঘায় ৩০ হাজার টাকা লাভ হবে।
দিঘরিয়া গ্রামের ক্ষীরা চাষি আব্দুল মান্নান বলেন, ক্ষীরা চাষ করা অনেক সহজ ও লাভ জনক। কারণ পোকামাকড়ের ঝামেলা কম, অন্যান্য আবাদের চেয়ে ঝুঁকি কম তাই এলাকার মানুষ ক্ষীরা চাষে
আগ্রহী। এ ছাড়াও এক মওসুমে দুই থেকে তিনবার ফলন হয়। এতে ক্ষীরা আবাদে লাভ অনেক বেশি।
বারুহাস ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোক্তার হোসেন মুক্তা বলেন,ক্ষীরার অস্থায়ী হাট হওয়ায় এলাকার কৃষকদের সুবিধা হয়েছে। অনেক দূর থেকে পাইকারেরা আসেন। তাদের কোনো সমস্যা যেন
না হয় সে দিকে আমরা খেয়াল রাখছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা বলেন, চলতি মওসুমে উপজেলায় ৪৪০ হেক্টর জমিতে ক্ষীরা চাষ হয়েছে। চাষিরা ক্ষীরা চাষে লাভবান হচ্ছেন। ক্ষীরা আবাদকালীন সময়ে
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর থেকে চাষিদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়।

Spread the love

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের আরও খবর
এই নিউজ পোর্টাল এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ ।  About Us | Contact Us | Terms & Conditions | Privacy Policy
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102