মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার শাহজাদপুরে আলোকবর্তিকা’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন নায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টার মামলা : নাসির-অমিসহ গ্রেফতার ৫ ভাঙ্গুড়ায় গলায় খাবার আটকে নারীর মৃত্যু সলঙ্গায় ব্রীজের মুখ বন্ধ করে পুকুর খনন করে মাছ চাষ শতাধিক ফসলি জমি ও বসতবাড়িতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি কোনাবাড়ীতে স্কুল ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  নতুন সভাপতি পেল দুই সংসদীয় কমিটি সিরাজগঞ্জে যুবলীগের উদ্যোগে- মরহুম মোহাম্মদ নাসিমের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে- খাবার বিতরণ আশুলিয়ায় চেকজালিয়াতি মামলায় গ্রেপ্তার-১ প্রথমবারের মতো পোশাক কারখানায় খোলা বাজারে খাদ্য সামগ্রী বিক্রি শুরু

তাড়াশে সেচ্ছায় বাঁশের সাঁকো নির্মাণ

Reportar Name
  • সময় কাল : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিরাজগঞ্জ তাড়াশ উপজেলার হামকুড়া খান পাড়া গ্রামের খালের ওপর গ্রামবাসীর সেচ্ছায় বাঁশের ২৫০ ফুট দীর্ঘ নির্মাণ করা হচ্ছে ।উপজেলার দক্ষিণ প্রান্তে নাটোর-বনপাড়া মহাসড়কের সাথেই নির্মাণ করা হয় এই বাঁশের সাঁকো।
সেখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী।

মহাসড়ক টি নির্মাণ হওয়ার পরেও সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত করে এখনো কোনো সেতু নির্মাণ হয়নি।

গ্রাম থেকে বাজার ও সড়কে যেতে খাল পারাপার হতে হয় হামকুড়া গ্রামের লোকজনকে। কিন্তু এখানে সেতু না থাকায় গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের সীমা নেই।

সেই সঙ্গে তারা শিক্ষা, ব্যবসাসহ নানা দিক দিয়ে পিছিয়ে আছে। গ্রামবাসী বাধ্য হয়ে গত ৩০ বছর ধরে প্রতিবছর পাঁচ-ছয় মাসের জন্য তৈরি করে আসছে প্রায় ২৫০ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় গ্রামবাসী তৈরি করেছে বাঁশের সাঁকো। সাঁকো তৈরির উদ্যোক্তাদের একজন শরিফুল ইসলাম বলেন, তিনিসহ গ্রামের কিছু সংখ্যকের উদ্যোগে প্রায় এক লাখ টাকা ব্যয়ে এখানে এই বাঁশের সাঁকো তৈরি করে আসছেন।

তাঁরা প্রতিবছর বর্ষাকালীন সময় বাঁশ, বেত, রশি ও গুনা দিয়ে সাঁকো তৈরি করে থাকেন। এই সাঁকো দিয়ে পারাপার হয় পাঁচ থেকে ছয় মাস। বর্ষার পানি শুকিয়ে গেলেও কিন্তু একটু বিষ্টি হলেই আবার সাঁকো ব্যবহার করতে হয়। তবে এই সাঁকো দিয়ে বর্ষাকালে রিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল এমনকি বাইসাইকেল পারাপার করা যায় না। আবার শুষ্ক মৌসমেও সেতুর অভাবে গ্রামে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। ফলে কৃষিনির্ভর এ এলাকার মানুষ কৃষিপণ্য নিয়ে বিপাকে পড়ে। প্রসূতি ও নবজাতকদের নিয়ে পারাপার হতে হিমশিম খেতে হয় গ্রামবাসীকে।

হামকুড়া গ্রামের মাসুদ,রাকীব ও আবু জাহিদ বলেন,আমাদের প্রতি বছর ব্রিজ নির্মাণ করে বর্ষা মাসে চলাচল করতে হয়। আমারা রুগি নিয়ে যেতে পারি না,ছেলে মিয়ের স্কুলে যেতে কষ্ট হয়, আমরা গাড়ি নিয়ে গ্রামে প্রবেশ করতে পারি না। আমাদের সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ আব্দুল আজিজ কাছে দাবি এখানে মহাসড়কের সাথে যুক্ত করে একটি সেতু নির্মাণ করে দিলে আমাদের দুঃখ শেষ হবে।

মাগুড়াবিনেদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম বুলবুল বলেন, এর আগে সরকারি ভাবে সেতু নির্মাণ করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হইছিলো কিন্তু সেতুর দীর্ঘ বড় হওয়ায় সম্ভব হয় নাই। তবে এখানে একটি সেতু নির্মাণের চেষ্টা চলছে। এখানে দ্রুত সেতু নির্মাণ করা হবে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102