সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন

তাড়াশে হোম কোয়ারেন্টানে রাখার ভয় দেখিয়ে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ-এসআই ক্লোজড

Reportar Name
  • সময় কাল : শুক্রবার, ১ মে, ২০২০
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

রফিকুল ইসলাম, তাড়াশ প্রতিনিধি :

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া মডেল থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মানিক মিয়ার বিরুদ্ধে এক ব্যাবসায়ীকে হোম কোয়ারেন্টানে রাখার ভয় দেখিয়ে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই এসআইকে ক্লোজড করা হয়েছে।

জানা গেছে, অভিযুক্ত গত ২৩ এপ্রিল এসআই ডাক্তারী ছুটিতে থাকাকালীন সময় নিজ থানা ছেড়ে পাশ্ববর্তী তাড়াশ থানায় গিয়ে তাড়াশ প্রেসক্লাবের জনৈক্য এক সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলার তালম শিবপাড়া গিয়ে চাঁদা আদায় করেন। পরে ভুক্তভোগীর স্ত্রী নিজেই উল্লাপাড়া মডেল থানার ওসির নিকট এমন অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ওসির মাধ্যমে অবগত হন। এরপর দায়িত্ব অবহেলার দায়ে সাব ইন্সপেক্টর মানিককে ক্লোজ করে সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়।

অপর দিকে তাড়াশ প্রেসক্লাব সুত্রে জানা যায়, ওই ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ও প্রাথমিক সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় ১ মে শুক্রবার সকালে তাড়াশ প্রেসক্লাবের এক জরুরী সভায় প্রেসক্লাবের ওই সদস্যকে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার করা হয় এবং ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এবিষয়ে তাড়াশ পেসক্লাবের সভাপতি ও তদন্ত কমিটির প্রধান প্রভাষক সনাতন দাশ বলেন, প্রাথমিক ভাবে ঘটনার সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় ওই সদস্যকে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
উল্লেখ যে অভিযোগকারী মুর্শিদা খাতুন তাড়াশ উপজেলার তালম শিবপাড়ার আবুজল প্রামানিকের স্ত্রী। চলমান করোনায় আবুজল ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি এসে আটকা পড়েন। জীবন জীবিকার তাগিদে গত প্রায় এক মাস থেকে আবুজল স্থানীয়ভাবে মাস্কের ব্যবসা শুরু করেছেন। ঢাকা থেকে আগত আবুজলকে হোম কোয়ারেন্টানে রাখার ভয় দেখিয়ে গত ২৩ এপ্রিল তার নিকট চাঁদা দাবি করেন। উপায়ন্তর না পেয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী ২ হাজার ৬’শ টাকার বিনিময়ে তাদের হাত থেকে রক্ষা পান।
উল্লাপাড়া মডেল থানার ওসি দীপক কুমার বলেন, পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে
এক আদেশে গত বুধবার রাতে মানিককে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা
হয়েছে। ডাক্তারী ছুটিতে থেকে তাড়াশ গিয়ে যে কান্ডটি সে ঘটিয়েছে, সেটি ন্যাক্কারজনক। এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে সাব ইন্সপেক্টর মানিক মিয়ার মুঠোফোনে শুক্রবার ভোরে রিং করা হলে সাংবাদিক পরিচয় জেনে তাৎক্ষনিক ফোন কেটে দেন।
ক্লোজের সত্যতা স্বীকার করে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ বলেন, বিষয়টি বিব্রতকর। তারপরেও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102