বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ১২:১৭ অপরাহ্ন

দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

Reportar Name
  • সময় কাল : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২০
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

উন্নতি নেই দেশের উত্তরের বন্যা পরিস্থিতির। খারাপের দিকে মধ্যাঞ্চলের পরিস্থিতিও। দুর্গতদের দুর্ভোগ এখনো চরমে। ত্রাণের জন্য হাহাকার করছেন তারা। এর মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় ভয়াবহ রুপ নিয়েছে ভাঙন। নিঃস্ব হচ্ছেন মানুষ। রুদ্র রুপ নিয়েছে দেশের বেশিরভাগ নদনদী। ভয়াবহ হচ্ছে বন্যা পরিস্থিতি। দীর্ঘ দিন ডুবে আছে বাড়ি-ঘর ফসলী জমি।

জামালপুরে যমুনার পানি কিছুটা কমলেও হু হু করে বাড়ছে ব্রহ্মপুত্রের পানি। নতুন করে তলিয়েছে কমপক্ষে ৫০ গ্রাম। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে কয়েকটি ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ। ত্রাণ না পেয়ে মানবেতর জীবন কাটছে দুর্গতদের। শেরপুরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের পানি বাড়তে থাকায় সদর উপজেলার বেশিরভাগ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী এসব এলাকার কয়েক হাজার পরিবার। বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে জেলার সাথে উত্তরাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ।

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতি খারাপের দিকে। তিস্তা যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি এখনো বিপদসীমার অনেক ওপরে। চার উপজেলার ২৮ টি ইউয়নের দেড় লক্ষাধিক পরিবার পানিবন্দি। এর মধ্যেই ডাকাত আতঙ্ক ভর করেছে দুর্গতদের মধ্যে। কুড়িগ্রামে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে চিলমারী উপজেলা শহর। প্রথম দফায় ১২ দিন এবং দ্বিতীয় দফায় এক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে। দুর্ভোগে প্রায় তিন লাখ মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার বাড়িঘর ও ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসল।

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি কিছুটা কমলেও এখনও বিপদসীমার অনেক ওপরে। শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে চরম ভোগান্তিতে সোয়া দুই লাখ মানুষ। বগুড়ায় বন্যার্ত মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে আরো। এর মধ্যে ভাঙনে নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে সোনাতলা উপজেলার তেকানি চুকাইনগর ইউনিয়ন ও সারিয়াকান্দি উপজেলার চর চালুয়াবাড়ি ইউনিয়নের ১০ গ্রামের তিনশতাধিক বাড়ি। একদিকে ভাঙ্গনের মুখে সারিয়াকান্দি ও সোনাতলায় একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে হুমকির মুখে ধনুটের ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ।

টাঙ্গাইলে পানিবন্দী কয়েক উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ। হুমকির মুখে সদর উপজেলার গালা এলাকার শহর রক্ষা বাঁধ। মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-শ্রীনগর ও টঙ্গিবাড়ির বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। প্লাবিত হয়েছে নতুন নতুন এলাকা। পানিবন্দি অন্তত ১৫ হাজার মানুষ। পদ্মা ও যমুনায় পানি বাড়ায় মানিকগঞ্জের হরিরামপুর, শিবালয়, দৌলতপুর ও ঘিওর উপজেলায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। হরিরামপুর-মানিকগঞ্জ সড়কের কয়েকটি জায়গা ভেঙে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102