রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রতারণার অভিযোগে কেয়া নীট কম্পোজিট লিমিটেডের স্টোর অফিসার আটক।  এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি-জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে সাড়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৫৮ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কোনাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।  সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক উল্লাপাড়ার রামকৃষ্ণপুর ইউপিতে গ্রাম আদালত বিষয়ে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত তফসিলের আগেই বেড়ায় প্রচারণায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

পদ্মা সেতুতে তিন বিশ্বরেকর্ড

রিপোর্টারের নাম : / ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বৃহস্পতিবার, ২ জুন, ২০২২

পদ্মা সেতু দেশের দীর্ঘতম সেতু। পানিপ্রবাহের দিক থেকে অ্যামাজনের পর পদ্মা নদীই বিশ্বে বৃহত্তম। প্রমত্তা পদ্মায় সেতু তৈরিতে তিন-তিনটি বিশ্বরেকর্ড হয়েছে। কারিগরি ও প্রাকৃতিক বাধা জয় করে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মা সেতু শুধু বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার প্রতীক নয়, সেতুটি অভূতপূর্ব।

পদ্মা সেতুতে পিলারের (খুঁটি) সংখ্যা ৪২। দুটি পিলার নদীর দুই তীরে। বাকি ৪০টি নদীর পানিতে। পিলার নির্মাণে ৯৮ থেকে ১২২ মিটার গভীর পাইলিং করা হয়েছে, যা বিশ্বরেকর্ড। কোনো সেতু নির্মাণে এত গভীর পাইলিং করতে হয়নি। পদ্মা সেতুর পাইলগুলো তিন মিটার ব্যাসার্ধের। অন্য কোনো সেতুর পাইলের ব্যাসার্ধও এত নয়। পদ্মা সেতুর প্রতিটি পাইল ৫০ মিলিমিটার পুরু স্টিলের পাইপে মোড়া। হাইড্রোলিক হ্যামারের মাধ্যমে পিটিয়ে পাইল পাইপগুলো নদীতে পোঁতা হয়েছে। বিশ্বে কোনো সেতু নির্মাণে এত গভীরে স্টিল পাইপ পুঁততে হয়নি।

সেতুর দুই তীরে পিলারে পাইলের সংখ্যা ১২টি করে। নদীতে ৪০টি পিলার নির্মাণে প্রতিটিতে ছয়টি করে পাইল করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ১০০ মিটার গভীরেও পাথরের স্তর না পাওয়ায় ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ২৬, ২৭, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২ ও ৩৫ নম্বর পিলারে একটি করে বাড়তি পাইল করতে হয়েছে। ফলে পদ্মা সেতুর জন্য সব মিলিয়ে ২৮০টি পাইল করতে হয়েছে।

পদ্মা সেতু আরেক বিশ্বরেকর্ড গড়েছে বিয়ারিংয়ের ক্ষমতায়। পিলার ও সেতুর নিচের অংশের (লোয়ার ডেক) পাটাতনের মাঝে রয়েছে ১০ হাজার টনের ‘ফ্রিকশন পেন্ডুলাম বিয়ারিং’। এত শক্তিশালী বিয়ারিং পৃথিবীর আর কোনো সেতুতে নেই। বিয়ারিংয়ের সক্ষমতার কারণে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পেও টিকে থাকবে পদ্মা সেতু।

পদ্মা সেতু নির্মাণে নদীর দুই তীরে ১৪ কিলোমিটার তীর বাঁধানো হয়েছে। প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে নদীশাসনে। এত বেশি ব্যয় আর কোনো সেতু তৈরির নদীশাসনে করতে হয়নি। নদীশাসনে ১ কোটি ৩৩ লাখ কংক্রিট ব্লক ব্যবহার করা হয়েছে। সাড়ে চার কোটি জিও ব্যাগভর্তি বালু ফেলা হয়েছে।

আগামী ২৫ জুন বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতুতে যান চলাচলের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে ২৪ বছর আগে ১৯৯৮ সালে সেতুর পরিকল্পনা করে প্রাক-সমীক্ষা করা হয়। দুই যুগে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন বাস্তব।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর