রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

প্রেমিকের বিয়ের খবর শুনে প্রেমিকার মৃত্যু

Reportar Name
  • সময় কাল : শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে
প্রেমিকের বিয়ের খবর শুনে প্রেমিকার মৃত্যু
প্রেমিকের বিয়ের খবর শুনে প্রেমিকার মৃত্যু

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এসে প্রেমিকের বিয়ে হওয়ার কথা শুনে প্রাণ গেছে এক অনার্স পড়ুয়া কলেজছাত্রীর। তবে কলেজছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ তাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে প্রেমিকের পরিবার।

বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) রাতে তার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) সকালে মরদেহ নিয়ে আসার ব্যবস্থা চলছে বলে জানান ওই কলেজছাত্রীর বাবা সাইফুল ইসলাম। তার আত্মীয়-স্বজন সকলেই রংপুর মেডিকেলে কলেজছাত্রীর মরদেহ নিতে গেছেন বলে কলেজছাত্রীর ভাই জানিয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নিজ বাড়িতে থেকে প্রেমিকের বাড়িতে আসে ওই কলেজছাত্রী। তবে কখন মারা গেছে তার সঠিক সময় বলতে পারেনি মেয়েটির পরিবার।

মৃত ওই কলেজছাত্রী মরজিনা বেগম (২১) ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রী ও হরিপুর উপজেলার ৪ নং ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়নে এচৌরঙ্গী রনহাট্টা গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের মেয়ে।

প্রেমিক রাসেল আলী বাড়ি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের গ্রামের পিতাইচুরি গ্রামে। সে ওই এলাকার সায়েদ আলীর ছেলে।

বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, কলেজছাত্রী মরজিনা বিয়ের দাবিতে প্রেমিক রাসেলের বাড়িতে আসার পর রাসেলের অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে গেছে বলে জানার পর গ্যাস টেবলেট খায়। এরপর প্রেমিকের পরিবারের লোকজন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে সেখানকার ডাক্তার তাকে রংপুরে রেফার্ড করে। পরে সেখানে সে মারা গেছে বলে প্রেমিক রাসেলের পরিবার ও মেয়েটির পরিবার আমাকে জানিয়েছেন। আগামীকাল শনিবার এ বিষয়ে মেয়েটির এলাকার স্থানীয় চেয়ারম্যান বালিয়াডাঙ্গী থানায় আসার কথা রয়েছে।

মেয়ের বাবা সাইফুল ইসলাম ও তার ভাই জানান, গেল পাঁচ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রাসেল ও মরজিনা। আদালতে বিয়ে করেছে বলে আমাদের জানিয়ে একাধিকবার আমার বাড়িতে রাত্রিযাপন করেছে প্রেমিক রাসেল। আমরা দুজনের সম্পর্ক মেনেই নিয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ মরজিনা বৃহস্পতিবার সকালে কাঁদতে কাঁদতে রাসেলের বাড়িতে যায়। এরপরে আমরা মৃত্যুর খবর পাই।

মেয়ের বাবা সাইফুল ইসলামের অভিযোগ, আমার সহজ সরল মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সর্বনাশ করার পর রাসেল গোপনে বিয়ে করেছে। আমার মেয়ে সহ্য করতে না পেরে তার কাছে গেলে আমার মেয়েকে গ্যাস ট্যাবলেট খাইয়ে আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত করেছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। মরদেহ নিয়ে আসার পর আমরা আইনের আশ্রয় নিব।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হরিপুর ও বালিয়াডাঙ্গী থানায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে কলেজছাত্রীর পরিবার কোন অভিযোগ দায়ের করেনি।

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102