বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বরগুনার বেতাগীতে সম্প্রীতি রক্ষায় ইসলামী আন্দোলনের পরামর্শ সভা লালমনিরহাটে মন্দির পাহাড়ায় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা সুন্দরগঞ্জের সোনারায় ইউনিয়নে একই পরিবারের ৩ ভাই নৌকা প্রার্থী ! তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত মির্জাপুরে পানির বোতল ও কেক বিতরণ করলেন যুবদল নেতা আজিজ সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গাইবান্ধায় সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত সাঁকোয়া ব্রীজ এলাকায় ইপিজেড স্থাপনের দাবিতে গণসমাবেশ সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দেশ ব্যাপী সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শান্তি শোভাযাত্রা কাজিপুরে শান্তি ও সম্প্রতি র‍্যালী চরএলাহী ইউনিয়ন শাখা জাতীয়তাবাদী প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের কমিটির অনুমোদন

ফেলানী হত্যার ১০ বছর,এখনোও ন্যায় বিচারের জন্য দিন গুনছেন ফেলানীর পরিবার

মোঃ বুলবুল ইসলাম,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
  • সময় কাল : বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে

আজ ৭ জানুয়ারি। সীমান্তে কিশোরী ফেলানী হত্যার দশ বছর। ২০১১ সালের এই দিনে ভারতীয় রক্ষী বাহিনী বিএসএফ-র গুলিতে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হয় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে ফেলানী। দীর্ঘ সাড়ে চার ঘন্টা কাটাতারে ঝুলে থাকে ফেলানীর মৃত দেহ। গণমাধ্যমসহ বিশ্বের মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে ভারত। পরে বিএসএফ এর বিশেষ কোর্টে দুই দফায় বিচারীক রায়ে খালাস দেওয়া হয় অভিযুক্ত (বিএসএফ) সদস্য অমিয় ঘোষকে।

এ রায় প্রত্যাক্ষান করে ভারতীয় মানবাধীকার সংগঠন মাসুম এর সহযোগিতায় ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টে রীট আবেদন করে ফেলানীর পরিবার। ঘটনার দিনটি ছিলো শুক্রবার। ভোর ৬টা ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্ত টপকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে ভারতীয় বিএসএফ’র গুলিতে বিদ্ধ হয়ে আধাঘন্টা ধরে ছটফট করে নির্মমভাবে মৃত্যু হয় কিশোরী ফেলানীর। এর পর সকাল পৌনে ৭টা থেকে নিথর দেহ কাঁটাতাঁরের উপর ঝুলে থাকে দীর্ঘ সাড়ে ৪ ঘন্টা। এ ঘটনায় বিশ্বব্যাপী তোলপাড় শুরু হলে ২০১৩ সালের ১৩ আগষ্ট ভারতের কোচবিহারে জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে ফেলানী হত্যা মামলার বিচার শুরু হয়। বিএসএফ এর এ কোর্টে স্বাক্ষীদেন ফেলানীর বাবা নূর ইসলাম ও মামা হানিফ।

ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর আসামী অমিয় ঘোষকে খালাস দেয় বিএসএফ এর বিশেষ কোর্ট। পরে রায় প্রত্যাক্ষান করে পুন:বিচারের দাবী জানায় ফেলানীর বাবা। ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পূর্ন:বিচার শুরু হলে ১৭ নভেম্বর আবারও আদালতে স্বাক্ষ্য দেন ফেলানীর বাবা। ২০১৫ সালের ০২ জুলাই এ আদালত পুনরায় আত্মস্বীকৃত আসামী অমিয় ঘোষকে খালাস দেয়। রায়ের পরে একই বছর ১৪ জুলাই ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ ‘মাসুম’ ফেলানীর বাবার পক্ষে দেশটির সুপ্রীম কোর্টে রিট পিটিশন করে। ওই বছর ৬ অক্টোবর রিট শুনানী শুরু হয়। ২০১৬ এবং ১৭ সালে কয়েক দফা শুনানী পিছিয়ে যায়। পরে ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারী শুনানী দিন ধার্য হলেও শুনানী হয়নি ।

এরপর ২০১৯ এবং ২০২০ সালে কয়েকবার শুনানীর তারিখ ধার্য্য হলেও শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি আজও। এদিকে মেয়ের হত্যাকারীর বিচার না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন ফেলানীর বাবা-মা। ফেলানীর বাবা নূর ইসলাম জানান, ফেলানী হত্যার বিচার চেয়ে অনেক ঘুরেছি, মানবাধীকার সংস্থাসহ বহু জনের কাছে গেছি, বিচার পেলাম না। ২০২০ সালের ১৮ মার্চ করোনার পূর্বে শুনানীর তারিখ থাকলে তা হয়নি।

এখন আর কোন খোজখবর জানিনা। ফেলানীর মা জাহানারা বেগম জানান, ফেলানী হত্যার দশ বছর হয়ে গেছে আজও বিচার পাইনি। আমি দুই দেশের সরকারের কাছে সঠিক বিচার দাবী করছি।সীমান্তের অধিবাসীরা জানান, ফেলানী হত্যার বিচার হলে সীমান্ত হত্যা বন্ধ হলে সীমান্ত হত্যা বন্ধ হয়ে যেত। কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিটর অাব্রাহাম লিংকন জানান, বর্তমান কোভিড-১৯ এর জন্য ভার্চুয়াল কোর্ট চলছে। পরিস্থিতি ভাল হলে রিটটি শুনানি হবে। অাশা করছি ফেলানীর পরিবার ন্যায় বিচার পাবে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
এই নিউজ পোর্টাল এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ ।  About Us | Contact Us | Terms & Conditions | Privacy Policy
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102