শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ০১:৩২ অপরাহ্ন

মহেশখালী হেফাজতের ইস্যু নিয়ে দালালের ইশারায় নিরীহদের আসামী ও গ্রেফতার

মিসবাহ ইরান মহেশখালী (কক্সবাজার),
  • সময় কাল : মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

মহেশখালী কালারমার ছড়া ইউনিয়নে দালালের সিন্ডিকেটে হেফাজতের ইস্যু নিয়ে মামলার আসামি করা হচ্ছে নিরীহ সাধারণ জনগনকে।এতে প্রকৃত আসামি পার পেয়ে যাচ্ছে!

হেফাজতের তান্ডবে মহেশখালীর বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা, আওয়ামীলীগের অফিস, সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি কিছুই বাদ যায়নি। স্বাভাবিকভাবেই সব মহল থেকে উঠেছিলো এই তান্ডবকারীদের বিরুদ্ধে মামলার জোরালো দাবি। অবশেষে মহেশখালী থানা পুলিশ বাদী হয়ে সহস্রাধিক মানুষের নামে মামলা করেছে। কিন্তু সেই মামলায় আসামীর তালিকা দেখে সত্যিই অবাক হয়েছে মহেশখালী সাধারণ মানুষ।

উক্ত ন্যাক্করজনক হামলার ঘটনায় অন্যতম আসামী করা হয়েছে মহেশখালী ইউনুছ খালী গ্রামের বাসিন্দা মোস্তাফা কামাল আজাদ(১৯ নং আসামি)কে পিতাঃ হারুন তাহের।ওনি ঘটনাস্থলে ছিলো না,তাকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নাম দিয়েছে এ মামলায়। এছাড়া সে একজন ব্যবসায়ী ও রাজনীতির সাথে তিনি জড়িত না।তিনি গণমাধ্যম কর্মী আরফান ইসলামের বড় ভাই।
আসামি করা হয়েছে কালারমার ছড়া ইউনিয়নের নয়া পাড়ার গ্রামের রিয়াজ মাহমুদ (৭ নং আসামি)কে পিতাঃ শামসুল আলম (সাবেক মেম্বার) ও রিদোয়ান মোস্তফাকে (১০ নং আসামী)কে পিতাঃ আবু বক্কর। মহেশখালীতে ঘটনা ঘটেছিল ৩ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০ টা।তখন তার সে রাতে চট্টগ্রামে অবস্থান করছিল।তারা দুজন চট্টগ্রামে অবস্থান করছিল তা সিসি ক্যামেরা ভিডিওতে তারিখ ও সময় উল্লেখ আছে। ৪টা ভিডিও আছে যেখান থেকে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় উনাদের দুজনকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

মহেশখালী উপজেলার মান্যবর নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসি মহোদয়ের কাছে সাধারণ জনগনের আবেদন, অবিলম্বে এ তিনজন নিরপরাধ মানুষকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিন। সত্যিকারের অপরাধীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দিন।তবে মহেশখালী থানার (ওসি) বলেন, নিরীহ কাউকে মামলার আসামি করা হবেনা।আর যদি এ রকম আসামি করা তাহলে যোগাযোগ করতে বলা হয়।

এভাবেই যদি নিরপরাধীদের মামলার আসামী করলে বা আসামী না করেও গ্রেফতার করলে বা গ্রেফতারের নামে হয়রানি করলে এলাকায় সুসর্ম্পক ভাঙ্গন শুরু হবে বলে জানান স্হনীয়রা।পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এলাকার কিছু দুষ্কৃতকারী ক্ষমতাসীন দলের পরিচিত দানকারী ভুল ভাল তথ্য দিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যে পায়তারায় নেমেছে।

সাংবাদিক আরফান হোসেন বলেন, আ’লীগের রাজনীতি আমরাও করি তবে অপরাজনীতিতে আমরা বিশ্বাসী নয়। তাই উর্দ্ধতন প্রশাসন ও নেতাদের উচিত নিরীহ ও সাধারণ মানুষদের হয়রানি বন্ধ করে আসল অপরাধীদের প্রমাণ সাপেক্ষে সনাক্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া। এছাড়া থানার যারা দালাল হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে পায়তারা করছে তাদেরকে যথাযথ শাস্থির আওতায় আনা।আর সে মামলার আসামি করা হয়েছ আমার বড় ভাই মোস্তাফা কামালকে,যা অত্যন্ত দুঃখজনক!

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102