মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোমিনুর ইসলাম  সাদ্দাম হোসেন তন্বয় মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কাউন্সিলর আলমগীর হোসেন মাস্টার পূবাইল বাসীকে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রকিবুল হাসান নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে অসহায় কর্মহীন মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ সিরাজগঞ্জে জলিল ট্রাস্টের উদ্যোগে ৫০০ শত পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে পৌর মেয়রের সংবাদ সম্মেলন শাহজাদপুরে আলোকবর্তিকা ৩’শ দরিদ্র পরিবারে ঈদের আনন্দ ছড়ালো সুন্দরগঞ্জে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সাংসদ শামীম পাটোয়ারীর মতবিনিময় অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে নগদ অর্থ বিতরন করলেন এমপি স্বপন

মির্জাপুরে ডিভোর্সী স্ত্রীর সন্তান সহ স্বামীর বাড়িতে অনশন

Reportar Name
  • সময় কাল : রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ২৯০ বার পড়া হয়েছে

মাসুদ পারভেজ, স্টাফ রিপোর্টার:

ডিভোর্সী স্ত্রী-সন্তানসহ স্বামীর বাড়িতে অনশন এর ঘটনাটি ঘটেছে টাংগাইল মির্জাপুর অভিরামপুর গ্রামে স্বামী: হারেজ মিয়া (৩৫), পিতা: মৃত হযরত আলী এর বাড়িতে। জানা যায়, হারেজ মিয়া পেশায় একজন দর্জি, তিনি ঢাকায় থাকেন ।হারেজ মিয়া দুইটি বিবাহ করেন। প্রথম স্ত্রীর দুইটি সন্তান এবং দ্বিতীয় স্ত্রীরএকটি সন্তান ১৮ মাস বয়স ।জানা যায়, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, হারেজ মিয়া প্রথম স্ত্রীকেও ডিভোর্স দিয়েছে কিন্তু যেকোন উপায়ে প্রথম স্ত্রী হারেজের বাড়িতে এখনো অবস্থান করছে এবং মামলা-মোকদ্দমাও চলছে ।

হারেজ দ্বিতীয় বিবাহ করেন হারিছা বেগম (৩৩ ), পিতা: মাওলানা আব্দুল হক, সাং: তরফপুর, থানা: মির্জাপুর, জেলা: টাংগাইল কে পাঁচ বছর পূর্বে ।দ্বিতীয় স্ত্রীর একটি ছেলে আছে ১৮ মাস বয়স ।আনুমানিক গত দুই মাস পূর্বে হারেজ মিয়া তার দ্বিতীয় স্ত্রী হারিছা বেগমকে ডিভোর্স দেন ।পরে হারিছা বেগম কোন উপায় না দেখে সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে হারেজের বাড়িতে 01 ফেব্রুয়ারি 2020 ইং তারিখে সকাল দশটার দিকে অবস্থান নেন। পরে সাংবাদিকরা খবর পেলে হারেজ এর বাড়িতে গিয়ে উক্ত তথ্যগুলো সংগ্রহ করেন ।

হারেজ এর দ্বিতীয় স্ত্রী হারিছার সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, আমি আমার সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে, সন্তানের অধিকার আদায়ের জন্য এ বাড়িতে এসেছি। হারিছা আরো বলেন, হারেজ যদি আমাকে গ্রহণ করে আমি এখনো তার কাছে স্ত্রীর মর্যাদায় থাকতে চাই ,আর যদি আমাকে গ্রহণ না করে তাহলে তার সন্তান সে রেখে দিক এবং আমার কাবিনের আড়াই লক্ষ টাকাসহ যাবতীয় হিসাব দিয়ে দিক, আমি চলে যাবো। হারিছা আরও বলেন, আমি চাই হারেজ আমাকে গ্রহণ করুক এবং সন্তানের অধিকার ফিরিয়ে দিক। উক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে হারিছা ১৩ নং বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মান্নান খান আকাশকে বললে, তিনি আইনের আশ্রয় নিতে বলেন। হারিছা আরো বলেন, উক্ত বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করে আমি ১৩ নং বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদে একটি লিখিত অভিযোগ করেছি। সর্বশেষ হারিসা বলেন, আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট উক্ত বিষয়গুলোর সুষ্ঠু একটি সমাধান চাই।

এ বিষয়ে হারেজ এর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয় সম্পর্কে ১৩ নং বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদ এর ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মান্নান খান আকাশ বলেন, যেহেতু ডিভোর্স হয়ে গেছে, এখন আইনের আশ্রয় নেয়া ভালো হবে।

এ বিষয় সম্পর্কে ১৩ নং বাঁশতৈল ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান মিল্টন বলেন, যেহেতু স্বামী কর্তৃক ডিভোর্স হয়েছে, তাই হারেছা তার পাওনাগুলো পাবে এবং উক্ত বিষয়গুলোর সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে আমি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।

উক্ত বিষয় সম্পর্কে বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জনাব সাইফুল ইসলাম বলেন, কেউ আমাদের কাছে কোন অভিযোগ করে নাই, অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেব।

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102