শিরোনামঃ
মোদির সঙ্গে বৈঠকে ভবিষ্যৎ সম্পর্কের রূপরেখা ঘোষণা বাণিজ্য বাধা দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সব বাড়ির মালিককে করের আওতায় আনতে নতুন পরিকল্পনা রেমিট্যান্সে ভর করে বাড়ল রিজার্ভ হাঁড়িভাঙা আম ও সবজি সংরক্ষণে দেশের প্রথম বিশেষায়িত হিমাগার হবে মিঠাপুকুরে ঢাকার সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা চুক্তিতে আগ্রহী রোম। সৌদিপ্রবাসীদের বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সব অর্জন বদলে যাচ্ছে বিসিএস পরীক্ষা সলঙ্গায় মরহুম সেরাজুল ইসলাম ও আবু বক্কার চেয়ারম্যানের স্মৃতি স্বরণে ফুটবল টুর্নামেন্ট সলঙ্গার ধুবিল মেহমানশাহী উচ্চ বিদয়ালয়ে পরিক্ষার আগেই অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ বিয়ে বাড়িতে উচ্চ আওয়াজে বক্স বাজাকে কেন্দ্র করে আহত-১০ বেনাপোলে ঈদের ছুটিতে ভারত ভ্রমণ, ফেরায় স্থল বন্দরে যাত্রীদের চাপ গরিবের বিচার নেই-গরিবের বিচার ভগবানই করবে! উল্লাপাড়ায় কৃষি মেলার উদ্বোধন সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যাদুর্গতদের পাশে আনসাররা কৃষিতে বকেয়া ভর্তুকি : ১০ হাজার কোটির বন্ড ইস্যু করছে সরকার ঈদকে ঘিরে রেমিট্যান্স বেড়েছে দেশে শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের তিন প্রধান কারণ শার্শায় ট্রাকের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত

মূল্যস্ফীতি হ্রাসে ব্যাংক থেকে ঋণ কমাতে চায় সরকার

Kolomer Batra / ২২ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : রবিবার, ১৯ মে, ২০২৪

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যাংকিংখাত থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা কমাচ্ছে সরকার। বাজেট ঘাটতি মেটানোর জন্য প্রতি বছর সরকারকে দেশের ব্যাংকিংখাত থেকে বিশাল অঙ্কের ঋণ নিতে হয়। ফলে একদিকে যেমন মূল্যস্ফীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, অন্যদিকে বেসরকারিখাতও ব্যাংক থেকে পর্যাপ্ত ঋণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। এই বাস্তবতায় আগামী ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সরকার ব্যাংক ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে যাচ্ছে এক লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা। যা কি না, চলতি অর্থবছরের (২০২৩-২০২৪) চেয়ে তিন হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা কম। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ খাত থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্য রয়েছে এক লাখ ৩২ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মধ্যমেয়াদে আগামী ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংকিংখাত থেকে মোট ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ধরা হয়েছিল এক লাখ ৩৮ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। যে সময় এই লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল তখন দেশের মূল্যস্ফীতির হার ছিল শতাংশের একটু ওপরে। কিন্তু গত আট মাস ধরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে সাড়ে ৯ শতাংশের ঘরে ঘোরাফেরা করছে। কোনোভাবেই এর লাগাম টেনে ধরা সম্ভব হচ্ছে না। এখন সরকারের ব্যাংক ঋণ কমিয়ে মূল্যস্ফীতির লাগাম কিছুটা টানার চেষ্টা করা হবে।

অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে চিন্তা করা হয়েছিল আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার হবে আট লাখ পাঁচ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা কিছুটা খারাপ থাকায় বাধ্য হয়েই বাজেটের আকার ছোট করা হচ্ছে। যেহেতু বাজেটের আকার ছোট হচ্ছে তাই ঘাটতি পূরণে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার পরিমাণও কমে যাচ্ছে।

এদিকে, অর্থ বিভাগের এক ডকুমেন্টে বলা হয়েছে,‘ সরকার প্রথাগত নমনীয় উৎসের বৈদেশিক ঋণ গ্রহণেই আগ্রহবোধ করে। এতে ঋণ গ্রহণের খরচ কমানোর পাশাপাশি সরকারের পছন্দের ঘাটতি অর্থায়নে এই উৎস হতে ঋণ গ্রহণ অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তবে সরকারের চাহিদার তুলনায় নমনীয় বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ অপ্রতুল হওয়ায় অভ্যন্তরীণ উৎস হতে (যেমন ট্রেজারি বিল, ট্রেজারি বন্ড এবং সঞ্চয়পত্র) ঋণ নিতে হবে। অভ্যন্তরীণ ঋণ বাজারকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার মধ্যমেয়াদে বাজারযোগ্য সিকিউরিটিজ হতে বেশি ঋণ নেয়ার পরিকল্পনা করছে। সরকারের ইসলামিক সিকিউরিটিজ সুকুক ইস্যু চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও এ মুহূর্তে বিশ্ববাজার হতে ইউরোবন্ডের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের কোনো ইচ্ছা নেই।’

এদিকে, বাজেট বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেও সরকারকে ব্যাংক থেকে ঋণ কম করতে হয়। যেমন, চলতি অর্থবছরে ব্যাংক থেকে সরকারের নীট ঋণ নেয়ার লক্ষ্য রয়েছে এক লাখ ৩২ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা। এই হিসেবে ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) সময়ে ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ছিল ৬৬ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা।

অর্থ বিভাগের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে আলোচ্য সময়ে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নীট ৮ হাজার ৭৯ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র খাত থেকে পাঁচ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা ঋণ নেয়া হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৩০ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ৩ হাজার ৬৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়া হয়েছিল।

29


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর