শিরোনামঃ
আমবাড়ীতে আনারস প্রতীক গণসংযোগে চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফিজুল ইসলাম উল্লাপাড়ার নাইমুড়িতে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে এক নারী আনসার সদস্যের মৃত্যু ! তথ্যপ্রযুক্তি খাতে করারোপ হচ্ছে না ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে বাধা নেই টেলিটক, বিটিসিএলকে লাভজনক করতে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ ভারত থেকে ২শ কোচ কেনার চুক্তি বেসরকারি কোম্পানি চালাতে পারবে ট্রেন দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২৭৮৪ ডলার ৫ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু চালু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার বুদ্ধ পূর্ণিমা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা পাঠ করলেন বিপ্লব বড়ুয়া ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক নিত্যপণ্যের বাজার কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কাজিপুরে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা, পুড়ে ছাই ঔষধ সিরাজগঞ্জে ভারতীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘গীতিময় স্বর্ণালী সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে মাদক দ্রব্য অপব্যবহার ও অবৈধপাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক উদযাপন উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ভারতে পাচার হওয়া ০৮ কিশোরীকে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে হস্তান্তর লালমনিরহাটে জমির জাল দলিল তৈরির কারিগরকে আটক করেছে সিআইডি উত্তরা থেকে টঙ্গী মেট্রোরেলে হবে নতুন ৫ স্টেশন এমপিও শিক্ষকদের জন্য আসছে আচরণবিধি

রপ্তানিতে ১০ মাসেই ছাড়াল আগের বছরের আয়

কলমের বার্তা / ১৩৬ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০২২

সোমবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবি যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৪ হাজার ৩৩৪ কোটি ৪৩ লাখ ডলার আয় করেছে। রপ্তানির এই পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ দশমিক ১৪ শতাংশ বেশি।

গত ২০২০-২০২১ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ৩ হাজার ২০৭ কোটি ২৭ লাখ ডলার। আর পুরো অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে বাংলাদেশ ৩ হাজার ৮৭৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার পেয়েছিল।

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসের জন্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ৫৯৬ কোটি ডলার। আর পুরো অর্থবছরে রপ্তানি থেকে ৪ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার আয়ের লক্ষ্য রয়েছে। আর্থাৎ ১০ মাসেই পুরো অর্থবছরের লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে রপ্তানি আয়।

গেল এপ্রিলে ৪৭৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ, যা আগের বছরের এপ্রিলের তুলনায় ৫১ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৪১ শতাংশ বেশি।

২০২১ সালের এপ্রিলে ৩১৩ কোটি ৪৩ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল আর চলতি অর্থবছরের এপ্রিলের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৩৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ইএবির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, পোশাক রপ্তানিতে ইতোমধ্যে বছরের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। সুতাসহ বিশ্বব্যাপী কাঁচামালের দাম বাড়ায় এমন প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

এর বাইরে দেশের সামগ্রিক রপ্তানির পরিমাণও কিছুটা বেড়েছে বলে জানান রপ্তানিকারকদের এই নেতা।

ইউক্রেইন যুদ্ধের কারণে পশ্চিমা বিশ্বে স্থবিরতা এবং সারা পৃথিবীতে মহামারীর প্রভাবের বিপরীতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের এমন সুদিন ফিরেছে দীর্ঘ নয় মাস ধরে দুই অংকের উচ্চ প্রবৃদ্ধির কারণে।

ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিশ্বজুড়ে মহামারীর প্রভাবে দীর্ঘদিন ধরে রপ্তানি আয়ে মন্থর গতি থাকার পর গত বছর অগাস্ট মাস থেকে উচ্চ প্রবৃদ্ধি শুরু হয়।

রপ্তানিতে অগাস্টে ১৪ দশমিক ০২ শতাংশ, সেপ্টেম্বরে ৩৮ শতাংশ, অক্টোবরে ৬০ দশমিক ৩৭ শতাংশ, নভেম্বরে ৩১ দশমিক ২৫ শতাংশ, ডিসেম্বরে ৪৮ দশমিক ২৭ শতাংশ, জানুয়ারিতে ৪১ দশমিক ১৩ শতাংশ, ফেব্রুয়ারিতে ৩৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ, মার্চে ৫৪ দমমিক ৮২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে পোশাক খাতে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা; যেখানে প্রবৃদ্ধি ৩৬ শতাংশ। এই খাতে ৩ হাজার ৫১৪ কোটি ৪০ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য ঠিক করা হয়, যা ইতোমধ্যেই অতিক্রম করেছে।

ইএবির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, “বাকি দুই মাসে আরও ৭ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে এবার ৪২ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে পোশাক রপ্তানি।”

তিনি বলেন, “এবছর সুতার দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে ধারাবাহিকভাবে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। সুতার দাম বাড়ার কারণে ২০১০ সালেও ৪৪ শতাংশ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।

“সেবার সুতার দাম উঠেছিল প্রতি পাউন্ড ৭ ডলারে। এবার দাম দ্বিগুণ বেড়ে ৫ দশমিক ২০ ডলারে উঠেছে।”

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে ইএবির সহ-সভাপতি বলেন, “একটি টিশার্টে সুতার অবদান প্রায় ৪০ শতাংশ।সুতার দাম দ্বিগুণ হওয়া মানে হচ্ছে পোশাক রপ্তানিতে ৪৫ শতাংশ গ্রোথ এডজাস্ট করতে হবে।

“এছাড়া যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গ্যাস, বিদ্যুৎসহ অন্যান্য কাঁচামালের খরচ বেড়ে গেছে। এসব কারণে গ্রোথ বেশি দেখা যাচ্ছে। রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির পেছনে পোশাক রপ্তানির পরিমাণ বেড়ে যাওয়াও অবদান রাখছে।”

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী ঘরের শোভা বর্ধক কাপড় হোম টেক্সটাইল খাতে অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৯ শতাংশ। রপ্তানি হয়েছে ১৩৩ কোটি ডলার। সামগ্রিক লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রমের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে হোম টেক্সটাইল খাতও।

অর্থবছরের ১০ মাসে কৃষিপণ্য রপ্তানি থেকে এসেছে ১০৪ কোটি ডলার; যাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৬ শতাংশ। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি থেকে এসেছে ১০১ কোটি ডলার, যাতে প্রবৃদ্ধি রয়েছে ৩২ শতাংশ।

তবে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি বরাবরের মতোই পিছিয়ে যাচ্ছে। এই খাত থেকে রপ্তানি হয়েছে ৯৬ কোটি ডলার যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৭ শতাংশ কম।

88


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর