রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৯:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কামারখন্দে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী তানভীর ইসলাম গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ১ টি পৌরসভা ৭টি ইউনিয়নে উৎসব মূখর পরিবেশে চলছে ভোটগ্রহণ বেতাগীতে ইডা’র সাধারণ সভা অনু‌ষ্ঠিত রাজাপুরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ওসির মতবিনিময় বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তির জন্য কোম্পানীগঞ্জে দোয়া অনুষ্ঠান কামারখন্দে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন মেম্বার প্রার্থী জয়নুল আবেদীন ঝন্টু টঙ্গীতে মাজার বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে পাবনায় মাছ শিকার করে ৪ লাখ টাকা পুরষ্কার জিতলেন দুই ব‍্যবসায়ী কোম্পানীগঞ্জের চরহাজারীতে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত আদর্শ ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠায় বেতাগীতে ব্রিটের মতবিনিময় সভা

লকডাউন নিয়ে বাস্তব কাহিনী,দুইটি অভিজ্ঞতা

Reportar Name
  • সময় কাল : বুধবার, ২০ মে, ২০২০
  • ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

-বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.স.ম আব্দুর রহিম পাকন-

স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের রূপকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাঙালি জাতির স্বতন্ত্র জাতি-রাষ্ট্র ও আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার সুমহান ঐতিহ্যের প্রতীক। আওয়ামী লীগ এ দেশের বৃহত্তম প্রাচীন রাজনৈতিক দল।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আধুনিক অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাঙালি জাতির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে। এরই প্রেক্ষাপটে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে বন্দি করে রাখা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতেই তাকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত বাংলাদেশের সরকারের অধীনে পরিচালিত দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। এই বিজয় অর্জনে মধ্য দিয়ে বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের।

প্রথম অভিজ্ঞতাঃ
১৯৭১ সালে ১৬ ই ডিসেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে বাংলার জনগণ পাকিস্তানি স্বৈরাচারী শাসক ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ করে পৃথিবীর মানচিত্র বাংলাদেশ নামে একটি দেশের জন্ম দেয়।১৯৭২ সালের ১০ ই জানুয়ারি বাঙালির প্রাণপ্রিয় নেতা জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখলেন এবং দেশবাসীকে বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানালেন। বাঙালি তাতে সাড়া দিলেন কিন্তু দেশের মধ্যে লুকিয়ে থাকা স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি ও কিছু রাজনৈতিক উচ্চবিলাসীরা নানা ভাবে তাঁর গঠনমূলক কর্মসূচিকে বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত করতে শুরু করেন এবং বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের নামে একটি রাজনৈতিক দলের জন্ম দেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সমস্ত ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে বাংলার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি মোতাবেক দেশ পুনর্গঠনে আন্তরিকভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।১৯৭৪ সালে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসাবে বাঙালী জাতির জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ বন্যা । আর এই প্রাকৃতিক দুর্যোগকে পুঁজি করে আন্তর্জাতিক ও দেশের মধ্যে লুকিয়ে থাকা স্বাধীনতার বিরোধী, অতি উৎসাহী বিপ্লবীরা একত্রিত হয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের মধ্যে দুর্ভিক্ষের সৃষ্টি করেন এবং সরকার পতনের বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন।

সেই ষড়যন্ত্রের নীল নকসা অনুযায়ী স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট রাতের অন্ধকারে জাতির পিতা সহ তাঁর পরিবারের সকল সদস্য কে নির্মমভাবে হত্যা করেন । পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালা এর রহমতে জাতির পিতার দুই সুযোগ্য কন্যা দেশে না থাকার কারণে প্রাণে বেঁচে যান। সেদিন তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি। তারা সামরিক শাসনের নামে শুরু করে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনকে নিধন করতে মরিয়া হয়ে উঠে। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিল গুম, হত্যা, গৃহবন্দী এবং অনেককেই জীবন বাঁচাতে ছাড়তে হয়েছিল তাঁদের প্রিয় মাতৃভূমি। এই নির্যাতন ও অত্যাচার থেকে আমিও রক্ষা পায়নি ।

আমি বিভিন্ন সূত্রে জানতে পারলাম সাবেক মন্ত্রী বর্তমান আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়ামের সদস্য নাসিম ভাই সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ভারতের কলকাতায় গিয়ে এই হত্যার প্রতিবাদ করার লক্ষ্যে সংঘবদ্ধ হচ্ছেন। আমি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে কলকাতায় চলে যাই এবং নাসিম ভাই সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হই। সেখানে এক বেলা খেয়ে না খেয়ে ৬ মাস থাকার পর নেতৃবৃন্দের পরামর্শক্রমে আবার দেশের মধ্যে ফিরে আসি এবং সামরিক বাহিনী কর্র্তক গ্রেফতার এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে যাই। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর ১৯৭৬ সালের ১১ ই আগস্ট সকাল দশটায় দিকে তৎকালীন সামরিক সরকারের গোয়েন্দা বাহিনী কর্তৃক ঢাকার নবাবপুর রোডের একটি অফিস থেকে আমি গ্রেপ্তার হই। গ্রেফতার হওয়ার পর আমাকে গোয়েন্দা বাহিনীর লোকেরা তৎকালীন গুলিস্থান বাসস্ট্যান্ডে তাদের রাখা গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে কাছে আসার পর আমাকে মাস্ক না পড়িয়ে কালো কাপড়ের পট্টি মেরে দিয়ে চোখ বেঁধে ঢাকা সেনানিবাসে তাদের নির্যাতন বা ইন্টারোগেশন সেলে নিয়ে যায় । সেই নির্জন সেলে আমাকে আড়াইটি মাস একাকীত্ব জীবনযাপন ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়। নির্যাতনের অংশ হিসাবে ছিল কালো পট্টিতে চোখে বেঁধে ঝুলন্ত অবস্থায় আঘাত এমনকি পুরুষ লিঙ্গের সঙ্গে ইট বেধে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। সেখানে আমি আড়াই মাস দুনিয়ার আলো থেকে বঞ্চিত ছিলাম।তাপরপর চোখে কালো পট্টি বেঁধে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার নিয়ে আসা হয়। এখানেই পরিসমাপ্তি ঘটে আমার প্রথম লকডাউনের অভিজ্ঞতা। কেন্দ্রীয় কারাগারে যাবার পর সেখানে আমি সাবেক মন্ত্রী মরহুম শেখ আব্দুল আজিজ, মরহুম মোমিন তালুকদার, আওয়ামী লীগ নেতা আমু ভাই, মরহুম গাজী গোলাম মোস্তফা, পল্টু ভাই, মায়াভাই, পাহাড়ি ভাই, এসপি মাহবুব ভাই সহ শতাধিক আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ এবং শ্রমিক লীগের নেতৃবৃন্দের সংস্পর্শে এসে আমি ফিরে পেলাম নতুন জীবন। এইভাবে কেন্দ্রীয় কারাগারে আমার প্রথম লকডাউন আড়াই বছর কেটে গেল।

দ্বিতীয় অভিজ্ঞতাঃ

১৯৭৯ সালে কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে আমি আবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বর্ষ আইন বিভাগে ভর্তি হই।কিন্তু পারিবারের অভাব অনটনের কারণে আমার বাবা আমাকে জানিয়ে দেন তাঁর পক্ষে পরাশোনার খরচ চালানো সম্ভব নয়।সেই কারণে ১৯৮১ সালে বাবা-মার অনুরোধে তৎকালীন জার্মানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বিদেশের মাটিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী আমার চাচা মৃত এম হোসেন আলীর সহায়তায় ভিয়েনাতে গমন করি।ভিয়েনায় অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে পরমকরুনাময় আল্লাহ পাকের রহমতে হাজার ১৯৮৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর ১২ দিনের চুক্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থায় চুক্তিভিত্তিতে চাকরি পাই।আমার কর্মদক্ষতা ও সততার কারণে সংস্থা আমার চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করে স্থায়ীভাবে নিয়োগদান করেন।

৩০বছর সুনামের সাথে চাকরি করার পর ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে চাকুরী থেকে অবসর নিয়ে দেশমাতৃকার টানে আবার দেশে ফিরে আসি।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ কে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে নিঃস্বার্থভাবে নিরলসভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত কিন্তু ২০১৮ সালে আমি দেশে থাকা অবস্থায় আমার সহধর্মিনী দুইবার স্ট্রোক করেন।২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ২০১৯ প্রথমদিকে আমি ভিয়েনা এসে তার চিকিৎসা ও ডাক্তারের পরামর্শ কাজ শেষ করে তাকে সঙ্গে করে আবার দেশে ফিরে আসি।কিন্তু সহধর্মিনীর রুটিন চেকআপের অংশ হিসাবে ২০২০ সালে প্রথমদিকে তার চিকিৎসা ও ডাক্তারের পরামর্শের জন্য ভিয়েনাতে আসতে বাধ্য হই।

ডাক্তারের পরামর্শ ও চিকিৎসার কার্যক্রম শেষ করে যখন আবার মাতৃভূমিতে ফেরত আশার উদ্যোগ নিয়েছি ঠিক সেই মুহুর্তে সারা বিশ্ব করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।এ মরণ ব্যাধী থেকে বাংলাদেশও রেহাই পায়নি। মহামারী করোনাভাইরাস যখন অস্ট্রিয়াতে বিস্তার লাভ করতে শুরু করে এদেশে সরকার ১৬ ই মার্চ থেকে সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা দেন। এদেশের জনগণ সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগতম জানায় এবং সরকার কর্তৃক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য যে সমস্ত নির্দেশনা দেন তা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলার কারণে ধীরে ধীরে শিথিল করার মাধ্যমে বর্তমানে লকডাউন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জনগণকে এই মহামারী থেকে রক্ষা করবার জন্য স্বাস্থ্যবিধি অনুসারে বিভিন্ন ঘোষণা দিলেও আমরা তা পুরাপুরি কেন মানছি না সেটা আমার কাছে প্রশ্ন থেকে যায়। এজন্য বিদেশে থাকা অবস্থায়ও আমর মনটা দুঃখিত ও ব্যথিত।করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে দেশের মধ্যে একটি শ্রেণী বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সকল উন্নয়ন কে বাধাগ্রস্ত করবার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। যেমনভাবে স্বাধীনতার পরবর্তী জাতির পিতার সকল উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করেছিল। আজ তেমনি একটি গোষ্ঠী সরকারের মধ্যে থেকে ও বাইরে থেকে আবারও সোচ্চার হয়েছে।

তারা এই মুহূর্তে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত আসামিদের মুক্তির দাবি সহ বিভিন্ন শিল্প-কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠনে শ্রমিকদেরকে উস্কানি দিয়ে সরকারের স্বাস্থ্য নীতি কে উপেক্ষা করে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে যাচ্ছেন।সেই সঙ্গে দলের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অনেক চেয়ারম্যান মেম্বারদের কে কাজে লাগিয়ে সরকারের দেওয়া সাধারণ মানুষের সাহায্য জনগণের দ্বারপ্রান্তে না পৌঁছায় সেই কাজে লিপ্ত হওয়ার সহায়তায় করছে।যেমনটি ১৯৭৪ সাল জাতীয় দুর্যোগ বন্যা কে কাজে লাগিয়ে বঙ্গবন্ধুকে জনগণের হৃদয় থেকে কেরে নিয়েছিল।জননেত্রী আপনি কঠোর হউন ডাক্তার, সেনাবাহিনী, পুলিশ, প্রশাসন সহ বাংলার জনগণ আপনার পাশে আছে এবং থাকবে।আমরা জাতির পিতা কে হারিয়েছি আপনাকে হারাতে চাইনা।কেননা আপনি জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের একমাত্র কান্ডারী।
এখানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ এর সদ্য একটি উক্তি উল্লেখ করছিঃ
“শেখ হাসিনা শত্রুর আগুনের ছাই থেকে উঠে আসা এক মানুষ”।
আসুন আমরা সবাই জননেত্রী শেখ হাসিনা পাশে থেকে তাঁর উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই।
……………জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু……..

লেখকঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.স.ম আব্দুর রহিম পাকন।
উপদেষ্টা-বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ,পাবনা জেলা শাখা।
কার্যনির্বাহী সদস্য,সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম-
মুক্তিযুদ্ধ ‘৭১,কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ।

Spread the love

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
এই নিউজ পোর্টাল এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ ।  About Us | Contact Us | Terms & Conditions | Privacy Policy
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102