বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় সড়ক দূর্ঘটনায় সাংবাদিকের মৃত্যু রাজাপুরে ‘অপরাজিতা’ বিষয় ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চালিতাডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহিন আলম আমবাড়িতে কৃষি কাজে সহযোগিতা প্রজেক্টরের মাধ্যমে সম্প্রচার মাদ্রাসায় আর্থিক অনুদান প্রদান করেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ইন্জিঃ আলী আকবর বাঘাবাড়িতে তেলের গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি সিপিডিএএর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদযাপন নয়াপাড়া রয়েল ক্লাবের সভাপতি সাব্বির, সা.সম্পাদক সিহাব রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জন গ্রেফতার

শাহজাদপুরে ইরি-বোরো রোপণ শুরু, শৈত্যপ্রবাহের কারনে চিন্তিত কৃষক

মাহফুজুর রহমান মিলন, স্টাফ রিপোর্টার:
  • সময় কাল : সোমবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

কয়েকদফা বন্যার পর তীব্র শীত উপেক্ষা করে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কৃষকরা ইরি-বোরো ধানের চারা রোপণ শুরু করেছে। উপজেলার প্রায় প্রতিটি কৃষি জমি এমনকি শুকিয়ে যাওয়া বিভিন্ন খাল-বিল, নদীর অববাহিকায় ইতোমধ্যেই বছরের প্রধান ইরি-বোরো আগাম জাতের ধান রোপণ করা শুরু হয়েছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন কৃষকরা ইরি-বোরো ধান চাষের জমি উপযোগী করছে। ইঞ্জিন চালিত ট্রাক্টর দিয়ে মাটি আগলা করার পাশাপাশি সার দেওয়া ও শ্যালো মেশিন বসাতে শুরু করেছে। রবি সরিষা পাকলে তা উত্তোলন করার পরেই মূলত তারা ব্যস্ত হবেন প্রধান কৃষিশষ্য ধান চাষে। নিম্নাঞ্চল হওয়ায় উপজেলার সবর্ত্র বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়ে প্রায় ৩-৪ মাস ফসলি মাঠ পানির নিচে থাকে।

বন্যার পানি জমি থেকে নেমে যাওয়ার পর দ্বিতীয় প্রধান কৃষিশস্য রবি সরিষা চাষ শুরু হয়। এরপরেই বন্যার পানি প্রবেশের আগ পর্যন্ত চলে ধান চাষ। আর ১০-১৫ দিন পরেই মাঠে গড়াবে শ্যালো ও বিদ্যুৎচালিত সেচ মেশিন। তবে খাল-বিলের নিকটবর্তী জমিগুলোতে ইতোমধ্যেই ধান চাষ শুরু হয়েছে। উপজেলার হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের কৃষক আব্দুল মজিদ জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্ক দূর হয়েছে। তবে ইতিমধ্যেই শৈত্য প্রবাহের কারনে শীতের তীব্রতা বেড়েছে, এরকম আবহাওয়া বেশিদিন থাকলে ইরি-বোরো চাষে ব্যাঘাত ঘটবে। আর আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে গত বছরের মতো এবরেও ইরি-বোরো চাষাবাদ ভলো হওয়ার আশা করছে কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আব্দুস ছালাম বলেন, এ উপজেলার প্রধান কৃষি ফসল ধান হওয়ায় সর্বত্রই চাষাবাদের জন্য জমি প্রস্তুত করছে কৃষকরা। উপজেলার সব এলাকার কৃষকই ইরি-বোরো আবাদে নিজস্ব বীজতলা করেছেন। বীজতলায় চারার মানও ভালো আছে। তিনি আরো জানান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের ইরি-বোরো চাষে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন।

প্রায় ২৪ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। শৈত্যপ্রবাহ বেশি দিন স্থায়ী হবেনা বলে তিনি আশা প্রকাশ করে জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে শৈত্যপ্রবাহ ২/১ দিন থেকে আবহাওয়া অনুকুলে আশার সম্ভাবনা রয়েছে।#

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
এই নিউজ পোর্টাল এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ ।  About Us | Contact Us | Terms & Conditions | Privacy Policy
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102