বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন

শাহজাদপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ কর্মকর্তাদের অর্থায়নে পাকা ঘর পাচ্ছে প্রতিবন্ধী দম্পতি

মাহফুজুর রহমান মিলন, স্টাফ রিপোর্টার:
  • সময় কাল : সোমবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

আর-ই-বি চেয়ারম্যান মহোদয়ের দিক নির্দেশানায় সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর অধীনস্থ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অর্থায়নে পাকা ঘর পাচ্ছে, শাহজাদপুর উপজেলার হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের হামলাকোলা গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে প্রতিবন্ধী নুর ইসলাম। শাহজাদপুর জোনাল অফিসের এন ফোর্সমেন্ট কো-ওডিনেটর মো. সাইদুল ইসলাম বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের জন্য নুর ইসলামের বাড়ীতে আসে। তার এই দূরাস্থার বিষয়টি জেনে তিনি শাহজাদপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকশৌলী মো. মিজানুর রহমানকে অবহিত করেন। তৎখনাত ডিজিএম মিজানুর রহমান সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার রমেন্দ্র চন্দ্র রায়কে অবগত করেন। সেদিনই রম্ন্দ্রে চন্দ্র রায় শাহজাদপুর এসে ডিজিএম মিজানুর রহমান ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সাথে প্রতিবন্ধী নুর ইসলামের বাড়ি পরিদর্শনে আসেন। নুর ইসলামের দুরাবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করে কর্মকর্তা কর্মচারীদের অর্থায়নে একটি পাকা ঘর দেওয়ার নির্দেশনা দেন। শুরু হয় প্রতিবন্ধীর বাড়ী পাকা ঘর নির্মাণের কাজ। সোবাবার দুপুরে ঘর নির্মাণ কাজের তদারকি করতে উপস্থিত হন শাহজাদপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকশৌলী মো. মিজানুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, শাহজাদপুর জোনাল অফিসের এন ফোর্সমেন্ট কো-ওডিনেটর মো. সাইদুল ইসলাম, শাহজাদপুর জোনাল অফিসের সহকারী প্লান্ট হিসাব রক্ষক মো. মাসুদ রানা পারভেজ, হাবিবুল্লাহনগর ইউপির সংরক্ষিত ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডে মহিলা মেম্বর মোছা. মঞ্জুয়ারা খাতুন, সাংবাদিক রাজিব আহমেদ রাসেল, সাংবাদিক রাসেল সরকার, সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান মিলন, স্বেচ্ছাসেবক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদ প্রমূখ। এদিন নুর ইসলামের বাড়ীতে গিয়ে সাংবাদিকরা জানতে পারেন যে, ঘরে চাউল না থাকায় দুপুর পর্যন্ত নুর ইসলামের বাড়ীর চুলোয় অনুন জলেনি। তৎখনাত সাংবাদিক রাজিব আহমেদ ৫০ কেজি (১বস্তা) চাউল প্রতিবন্ধী দম্পতির হাতে তুলে দেন।

উল্লেখ্য, নুর ইসলাম ও তার শাহেদা খাতুন শারীরিক প্রতিবন্ধী, এক ছেলে নিয়ে তারা উপজেলার হামলাকোলা গ্রামের বেইলী ব্রীজের পাশে বসবাস করে। দীর্ঘদিন প্রতিবন্ধী নুর ইসলাম অন্যের বাড়ীতে তাঁতের জোগাল দিতো। বয়সের ভারে সেটাও আর সম্ভব না হওয়ায় ভিক্ষাবৃত্তির পথ বেছে নেয়। তার ৮ বছরের ছেলে অন্যের বাড়ীতে শুধু মাত্র খাদ্যের বিনিময়ে কাজ করে জীবন চালায়। ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া ০.০৫ (পাঁচ) শতক জায়গার উপরে এক কোণে একটি ছাপড়া ঘরে তার বসবাস। তার বাড়ীতে এখন দ্রুত গতিতে নির্মাণ হচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ কর্তৃক পাকা ঘর। ২০ ফুট প্রস্থ ও ২২ ফুট দৈর্ঘ্যের দুই কক্ষ বিশিষ্ট এই ঘরটির সাথে সংযোজিত থাকছে দুটি রুম, একটি বাথরুম, একটি কিচেন রুম ও সামনে খোলা বারান্দা।

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102