বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় সড়ক দূর্ঘটনায় সাংবাদিকের মৃত্যু রাজাপুরে ‘অপরাজিতা’ বিষয় ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চালিতাডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহিন আলম আমবাড়িতে কৃষি কাজে সহযোগিতা প্রজেক্টরের মাধ্যমে সম্প্রচার মাদ্রাসায় আর্থিক অনুদান প্রদান করেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ইন্জিঃ আলী আকবর বাঘাবাড়িতে তেলের গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি সিপিডিএএর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদযাপন নয়াপাড়া রয়েল ক্লাবের সভাপতি সাব্বির, সা.সম্পাদক সিহাব রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জন গ্রেফতার

শাহজাদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামীকে হারিয়ে দুই সন্তান নিয়ে বিপাকে তার স্ত্রী

মাহফুজুর রহমান মিলন, স্টাফ রিপোর্টার:
  • সময় কাল : বুধবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

‘একটি দূর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না’ ঠিক এমনটাই বাস্তবায়িত হলো শাহজাদপুরের অসহায় একটি পরিবারের উপর। শাহজাদপুর পৌর এলাকার বিসিক রোড সংলগ্ন শক্তিপুর মহল্লার অটল (৩০) নামে এক রিকশাচালকে অজ্ঞাত বাস/ট্রাক তাকে পৃষ্ট করে রেখে যায়।

তার মৃত্যুতে গোটা এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। ২ টি ছেলে সন্তান ও তার স্ত্রী এখন পরিবারের একমাত্র উপর্জনকারী স্বামীকে হারিয়ে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছে। নিহতের স্ত্রী রেনু দাস জানান, গত ২৩ ডিসেম্বর রাত ৭ টা নাগাত আমার স্বামী অটল দাস রিকশা চালিয়ে পরিবারের জন্য বাজার করে নিয়ে আসার সময় বগুড়া-নগরবাড়ী মহাসড়কে শাহজাদপুর উপজেলার হালুয়াঘাটি নামক স্থানে তাকে অজ্ঞাত বাস/ট্রাক তাকে পৃষ্ঠ করে চলে যায়। কোন ঘাতক এ কাজটি করলো আমরা জানি না।

আমার ২ টি ছেলে লাল (১৩) ও উদ্দোব দাস (১০) অনেকটা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এখন আমি কি করে এই সংসার চালাবো। আমার মাথায় যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত ঘটেছে। আমার স্বামী অন্যের বাড়ীতে থাকে। বাড়ীর মালিক বুদ্ধুবালা দাস জানান, আমি ছোটবেলা থেকে অটলকে নিজের সন্তানের মতো করে মানুষ করেছি। আমার ছেলে সন্তান না থাকায় অটলই ছিলো আমার একমাত্র সন্তান। সে সন্তানটাও ঘাতক পরিবহন তার প্রাণ কেড়ে নিলো।

এখন আমি কি করবো। কে তাদের দায়ভার বহন করবে। এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি আনন্দ কুমার দাস জানান, সে নিহত হওয়ায় আমরা তার শ্রাদ্ধ মানুষের কাছ থেকে সাহায্য তুলছি। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বিনয় কুমার পাল জানান, দূর্ঘটনার সংবাদ শোনার পর আমরা তাকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করেছি।

কিন্তু এই পরিবারটা একেবারে অসহায় হয়ে পড়লো। এই পরিবারের দিকে তাঁকালে অনেকেই তাদের দৃশ্য দেখে তারা যেন শান্তনা দেয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলে। কে করবে তার পরিবারকে সহযোগিতা।

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
এই নিউজ পোর্টাল এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ ।  About Us | Contact Us | Terms & Conditions | Privacy Policy
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102