সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন

শাহজাদপুর হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নে ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচী প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম

বিশেষ সংবাদদাতা :
  • সময় কাল : শনিবার, ২২ মে, ২০২১
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

শাহজাদপুর উপজেলার হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নের কর্মসৃজন কর্মসূচী প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নের ৩১১ জন শ্রমিক কাজ করার কথা অথচ কাজ করছেন ১৩২ জন শ্রমিক।

প্রকল্প এলাকায় প্রকল্পের তথ্য সংশ্লিষ্ট সাইনবোর্ড থাকার কথা থাকলেও ইউনিয়নের কোথাও প্রকল্পের কোন সাইনবোর্ড লক্ষ্য করা যায়নি। প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করতেই সেই সাইনবোর্ড সরবরাহ করা হয়নি বলে অভিযোগ অনেকের।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কর্মহীন শ্রমজীবিদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচী প্রকল্প চালু করেছে সরকার। মাঠে কাজ না থাকায় কর্মহীন প্রান্তিক শ্রমজীবি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের মত হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নেও ৪০ দিনের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। এতে সপ্তাহে পাঁচদিন সরকারী ভাবে গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পে মাটি কাটার কথা। প্রতিদিন কাজের বিনিময়ে প্রত্যেক শ্রমিক ২০০ টাকা করে পারিশ্রমিক পাবে।

শনিবার (২২মে) হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রতনকান্দি দক্ষিনপাড়া ৩নং ওয়াডে শ্রমিক কাজ করছেন ২৮ জন, নারুয়া ৭নং ওয়ার্ডে শ্রমিক কাজ করছেন ৪৭ জন ও ডায়া ৫নং ওয়ার্ডে শ্রমিক কাজ করছেন ৫৭ জন। ৩১১ জন শ্রমিক কাজ করার থাকলেও সরজমিনে পাওয়া যায় ১৩২ জন শ্রমিক বাদবাকি ১৭৯ জন শ্রমিক কোথায় কাজ করছে তার কোন সদত্তর ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রকল্পের পিআইসি কেউ দিতে পারে নি।

বিভিন্ন বিশ্বস্ত সূত্রের ম্যাধমে জানা যায়, বিভিন্ন দফতর ম্যানেজ করে ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করতেই এভাবে খাতা কলমে শতভাগ শ্রমিক উপস্থিতি দেখিয়ে বাস্তবে কম শ্রমিক দিয়ে কাজ করাচ্ছেন।

প্রকল্পে শ্রমিকের উপস্থিতি কমের কথা স্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান(বাচ্চু) বলেন, এখন ধান কাটার সময় তাই শ্রমিক সংকট, আর এত কম টাকায় শ্রমিক পাওয়া যায় না।

এ ব্যাপারে শাহজাদপুর প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে এ বিষয়ে মোবাইলে বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।

এ ব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা বলেন, তদন্ত করে কোন অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সরকারি প্রকল্পে কোন অনিয়ম দূর্নীতি প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

 

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
themesba-lates1749691102