মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চরএলাহী ইউনিয়ন শাখা জাতীয়তাবাদী প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের কমিটির অনুমোদন সিরাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবা‌র্ষিকী উপলক্ষে- শিশু-কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনু‌ষ্ঠিত। সাইয়েদা ইসলাম সুম্মা এক ঘন্টার মেয়র হলেন! সিরাজগঞ্জে রিভালবার ও গুলিসহ ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার কালিয়াকৈর পৌরসভা থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে বিলবোর্ড-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ কোনাবাড়ীতে আগুনে পুড়লো হায়দার আলীর ঝুট গুদাম  ঘুষ-দুর্নীতি ও নানা অপকর্মে আলোচিত সেই পিআইও নুরুন্নবীর বিরুদ্ধে ফের বিভাগীয় মামলা! স্পেনে শেখ রাসেলের জম্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস উদযাপন কোনাবাড়ীতে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন  অভয়নগরে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন

শীত মৌসুমে কুমড়ো বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত যশোরের শার্শার নারীরা

মোঃ কামাল হোসেন ,যশোর প্রতিনিধি
  • সময় কাল : শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

যশোরের শার্শা এলাকায় বিভিন্ন গ্রামে শীত মৌসুমের উপাদেয় খাবার কুমড়া বড়ি তৈরীতে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম মাটিপুকুরিয়া,রামপুর,ধলদাহ, লাউতারা,নাভারণ গোড়পাড়া পাকশী ওবেনাপোলের পার্শবর্তী গ্রামগঞ্জে কুমড়ো বড়ি তৈরির ধুম পড়েছে। মাসকলাই ও চালকুমড়ো দিয়ে কুমড়োর বড়ি তৈরিতে প্রতি বছরের ন্যায় করোনা ভাইরাসের ম্যেও,এবছরেও গ্রাঞ্চলের নারীদের ব্যস্ততা দেখা মেলে শীতের সকালে।শীতের হিম শিতল বাতাসে ও প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে সুস্বাদু কুমড়ার বড়ি তৈরীতে ব্যস্ত গ্রামের নারীরা। মাসকলাই ভিজিয়ে রাখার পর সেটি দিয়ে ডালের আটা ও পাকা চাল কুমড়ো মিশিয়ে এ সুস্বাদু বড়ি তৈরি করা হয়। গ্রামীণ এলাকার ৯০ ভাগ মহিলা পালা করে কুমড়ো বড়ি দেয়ার কাজটি করে থাকেন। এই অঞ্চলের নারীরা এই বড়ি তৈরি করতে কয়েক মাস পূর্বে থেকে চাহিদা মতো চাল কুমড়ো পাকানোর ব্যবস্থা করে থাকেন। এরপর মাসকলাই দিয়ে তৈরি করা হয় এই সুস্বাদু খাবারের অংশবিশেষ কুমড়ো বড়ি।

কুমড়ো বড়ি তৈরিতে মূলত চালকুমড়া এবং মাষকলাইয়ের ডাল প্রয়োজন হয়। মাষকলাইয়ের ডাল ছাড়াও অন্য ডালেও তৈরি হয় এ বড়ি। রোদে মচমচে করে শুকালেই এর ভালো স্বাদ পাওয়া যায়। বড়ি তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে জান্তে চাইলে শার্শা উপজেলা মাটিপুকুরিয়া গ্রামের মোছা : পারুল খাতুন.৩২ জানান, বড়ি তৈরির আগের দিন ডাল ভিজিয়ে রাখতে হয়। এরপর চালকুমড়া ছিলে ভেতরের নরম অংশ ফেলে মিহিকুচি করে রাখতে হবে। তারপর কুমড়ো খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। ধোয়া হলে পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে বেঁধে সারা রাত ঝুলিয়ে রাখতে হবে। পরে ডালের পানি ছেঁকে শিলপাটায় বেটে নিতে হবে। এবার ডালের সঙ্গে কুমড়া মেশাতে হবে। খুব ভালো করে হাত দিয়ে মিশাতে হবে যতক্ষণ না ডাল-কুমড়োর মিশ্রণ হালকা হয়। তারপর কড়া রোদে চাটি বা কাপড় বিছিয়ে বড়ির আকার দিয়ে একটু ফাঁকা ফাঁকা করে বসিয়ে শুকাতে হবে। বড়ি তিন থেকে চার দিন এভাবে রোদে শুকানোর পর খাওয়ার উপযোগি হয়,পরে সেটি অনেকদিন সংরক্ষণ করে রাখা যায়।

এ ছাড়াও শার্শা উপজেলার বুরুজ বাগানের রুমা খাতুন জানান,শীতের সময় মূলত বড়ি তৈরি করা হয়। নিজেরা খাওয়াসহ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেও পাঠানো হয়। একই এলাকার কুমড়ো বড়ি তৈরির কারিগর খুসবু খাতুন জানান, কুমড়োর বড়ি তৈরিতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। রাত জেগে শীলপাটায় কেজি কেজি ডাল বাটা সহজ কাজ নয়। তবুও সুস্বাদু মুখ রোচক খাবার খাওয়ার তাগিদে অনেক কষ্ট করে আমাদের কুমড়ার বড়ি তৈরি করতে হয়। শীত মৌসুমে এ বড়ি তৈরি করে নিজেদের প্রয়োজন মিটায়ে কিছু বাড়তি আয়ও করেন বলে জানান নারীরা।

Spread the love
  •  
  •  
  •  

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
এই নিউজ পোর্টাল এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ ।  About Us | Contact Us | Terms & Conditions | Privacy Policy
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102