• রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সলঙ্গায় যুবককে কুপিয়ে ইজিবাইক ছিনতাই, ৩৬ ঘন্টা পর উদ্ধার আটক ১ নারী এমপিরা সংসদে যোগ দিচ্ছেন চলতি অধিবেশনেই টোলের আওতায় আসছে দেশের সাত মহাসড়ক আলোচনায় মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ পর্যটক টানতে কুয়াকাটায় হচ্ছে বিমানবন্দর ‘বাংলা ভাষা অসাম্প্রদায়িক জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ফসল’ ভূমির অপরিকল্পিত ব্যবহার বন্ধে আইন হচ্ছে কূটনৈ‌তিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকায় ৩ মা‌র্কিন কর্মকর্তা সাঁড়াশি অভিযান ।। কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ব্লক ইট তৈরিতে উদ্যোক্তাদের প্রণোদনা ‘বঙ্গবন্ধু অ্যাপ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সিরাজগঞ্জ সয়দাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত রহমতগঞ্জ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সংবর্ধনা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দেশপ্রেমিক দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বদ্ধপরিকর-উপাচার্য ড.মশিউর রহমান উখিয়ার ক্যাম্প থেকে অস্ত্রসহ আরসার ৪ সন্ত্রাসী আটক রিজার্ভ ফের ছাড়াল ২০ বিলিয়ন ডলার পাইপলাইনে জ্বালানি তেলপরিবহন শুরু বৃহস্পতিবার রমজানে দ্রব্যমূল্য বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা শ্রমবাজার: দক্ষিণ কোরিয়া যেতে আগ্রহ বাড়ছে তরুণদের ‘৩৪৬৮ ইউনিয়ন ও পৌর ভূমি অফিসে নৈশপ্রহরী নিয়োগ দেওয়া হবে’

সলঙ্গায় তিন ফসলি জমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়

কলমের বার্তা / ১১৪৪ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৩

উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দুর্বার গতিতে তিন-চার ফসলি জমির মাটি কেটে চলছে পুকুর খনন। আর এই ফসলি জমির মাটি নেয়া হচ্ছে ইট ভাটায়!
খননকারীরা বলছেন,প্রশাসনের মৌখিক অনুমতি নিয়েই খনন করা হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার ধুবিল ইউনিয়নের সাতকুর্শি গ্রামের তাজু মনসি ছেলে আনিছ আলী ও আজিদ আলী দুই ভাইয়ের ১৩ বিঘা ফসলি জমি ও পাশেই নৈপাড়া গ্রামের আবু বক্কারের ছেলে রহমান আলীর ১৬ বিঘা ফসলি জমিতে পুকুর খনন করা হচ্ছে। যার এক প্রান্তে রয়েছে ধানের চারা। তিন-চার ফসলি জমি নিয়ে বিপাকে পড়েছে ওই এলাকার কৃষকরা।

আর এই পুকুর খনন করছে আওয়ামীলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম হুদা নামে এক মাটি ব্যবসায়ী। এলাকা বাসী বলছে, ধুবিল ইউনিয়নে বেশির ভাগ ফসলি জমি মাটি কেটে পুকুরে পরিনতি করেছে এই আওয়ামীলীগ নেতা হুদা।

এরই মধ্যে নতুন করে আবার খনন হচ্ছে চার ফসলি জমিতে পুকুর।খননকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় অসহায় হয়ে পড়েছেন সাধারণ কৃষকরা।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় মোট ৬১টি ইটভাটার মধ্যে ৩১টির কোনো অনুমোদন নেই। আর এই সকল অবৈধ ইট ভাটায় নেওয়া হচ্ছে তিন-চার ফসলি জমির মাটি।
রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৃপ্তি কণা মন্ডল বলেন,ফসলি জমিতে যদি কোন পুকুর খনন করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সচেতন মহল বলছেন, অবৈধ ইট ভাটা বাঁচাতেই ফসলি জমি নষ্ট করা হচ্ছে। এর সাথে উপর মহলের হাত রয়েছে। তবে হঠাৎ দুই একবার লোক দেখানো অভিযান চলায় উপজেলা প্রশাসন।

318
Spread the love


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর