সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন

সলঙ্গায় তিন ফসলি জমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়

কলমের বার্তা ডেস্ক :
  • সময় কাল : মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৮২৮ বার পড়া হয়েছে।

উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দুর্বার গতিতে তিন-চার ফসলি জমির মাটি কেটে চলছে পুকুর খনন। আর এই ফসলি জমির মাটি নেয়া হচ্ছে ইট ভাটায়!
খননকারীরা বলছেন,প্রশাসনের মৌখিক অনুমতি নিয়েই খনন করা হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার ধুবিল ইউনিয়নের সাতকুর্শি গ্রামের তাজু মনসি ছেলে আনিছ আলী ও আজিদ আলী দুই ভাইয়ের ১৩ বিঘা ফসলি জমি ও পাশেই নৈপাড়া গ্রামের আবু বক্কারের ছেলে রহমান আলীর ১৬ বিঘা ফসলি জমিতে পুকুর খনন করা হচ্ছে। যার এক প্রান্তে রয়েছে ধানের চারা। তিন-চার ফসলি জমি নিয়ে বিপাকে পড়েছে ওই এলাকার কৃষকরা।

আর এই পুকুর খনন করছে আওয়ামীলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম হুদা নামে এক মাটি ব্যবসায়ী। এলাকা বাসী বলছে, ধুবিল ইউনিয়নে বেশির ভাগ ফসলি জমি মাটি কেটে পুকুরে পরিনতি করেছে এই আওয়ামীলীগ নেতা হুদা।

এরই মধ্যে নতুন করে আবার খনন হচ্ছে চার ফসলি জমিতে পুকুর।খননকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় অসহায় হয়ে পড়েছেন সাধারণ কৃষকরা।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় মোট ৬১টি ইটভাটার মধ্যে ৩১টির কোনো অনুমোদন নেই। আর এই সকল অবৈধ ইট ভাটায় নেওয়া হচ্ছে তিন-চার ফসলি জমির মাটি।
রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৃপ্তি কণা মন্ডল বলেন,ফসলি জমিতে যদি কোন পুকুর খনন করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সচেতন মহল বলছেন, অবৈধ ইট ভাটা বাঁচাতেই ফসলি জমি নষ্ট করা হচ্ছে। এর সাথে উপর মহলের হাত রয়েছে। তবে হঠাৎ দুই একবার লোক দেখানো অভিযান চলায় উপজেলা প্রশাসন।

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
এই নিউজ পোর্টাল এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ ।  About Us | Contact Us | Terms & Conditions | Privacy Policy
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102