সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জ সদরে টেংরা,পাবদা, গুলশা সাথে কার্প জাতীয় মাছ চাষ ওব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনু্ষ্ঠিত প্রাণনাশের হুমকি থানায় জিডি ও পুলিশ সুপারের নিকট অভিযোগ গাইবান্ধায় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বার্ষিক সাধারণ নির্বাচন ও কমিটি ঘোষনা হোসনেয়ারা হোসাইন স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যােগে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান,মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত কোটচাঁদপুরে ইউপি নির্বাচনে ১৯ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত পপুলার লাইফের প্রধান কার্যালয়ে ক্লোজিং উপলক্ষে ব্যবসা উন্নয়ন সভা ও বীমা দাবীর চেক হস্তান্তর সিরাজগঞ্জে স্বাধীনতার সূর্বণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে- মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান সীতাকুণ্ডে মসজিদকে দুই ভাগে বিভক্ত করার প্রতিবাদে মুসল্লিদের বিক্ষোভ গাইবান্ধায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সিভিল সার্জনের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা ভালুকায় আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী দিবস পালন

সিরাজগঞ্জে নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যসামগ্রী উৎপাদনে বেকারির মালিকদেরকে জরিমানা

Reportar Name
  • সময় কাল : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে

আজিজুর রহমান মুন্না,সিরাজগঞ্জঃ

সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া উপজেলার পৃথক অভিযানে নোংরা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন, খাবারে কাপড়ের রং ও সাল্টু মিশ্রণ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ময়দা দিয়ে খাবার তৈরীর দায়ে তিন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার (১১ আগষ্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মঈন উদ্দিন। অভিযানে সহায়তা করেছে জেলা সেনেটরী ইন্সপেক্টর দিপু চৌধুরী , র‌্যাব-১২ এর এসআই আব্দুর ওয়াহাব ও র‌্যাবের একটি চৌকষ দল এবং জেলা আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যবৃন্দ।

সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া উপজেলার পাঁচিলা বাজারের সড়কে অবস্থিত বেকারীর মালিক ফজলুল হককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪২ ধারায় ২০ হাজার টাকা ও পূর্বদেলুয়া মায়ের দোয়া বেকারি মালিক মোঃ ফরিদুল ইসলামকে একই আইনে ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়াও উপজেলার হাটখোলা বাজার জিন্না স্টোর এর মালিক মেয়াদোত্তীর্ন ময়দা বিক্রি করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫১ ধারায় জহিরুল ইসলামকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জানান, বেকারিতে ক্ষতিকারক কাপড়ের রং, আয়োডিন বিহীন লবণ, সাল্টু মিশিয়ে তৈরি করা খাদ্য পণ্যে মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

তিনি আরও জানান, যখন আপনি এমন কৃত্রিম রং মেশানো খাবার খাবেন, গলা থেকে বুক পর্যন্ত একধরনের জ্বালা হবে। এ্যাসিডিটির সমস্যা শুরু হবে। যখন এটা হজম প্রক্রিয়া শুরু হবে তখন বমি বমি লাগবে, মেজাজ খিটখিটে হবে। এমনকী মাথা ব্যথাও হতে পারে। এসব হচ্ছে তাৎক্ষণিক সমস্যা।তবে দীর্ঘমেয়াদী যে সমস্যাগুলো দেখা দেয় তারমধ্যে অন্যতম হলো কিডনি`র সমস্যা। চামড়ায় নানা ধরনের রোগ দেখা দেয়। কৃত্রিম রং, ডালডা ও অতিরিক্ত তেল ব্যবহারে ওজন বৃদ্ধি পাওয়া (ওবেসিটি) ঝুঁকি থাকে। উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হরমোন তার ভারসাম্য হারাতে পারে। অর্থাৎ কৃত্রিম রং কোন ভাবেই স্বাস্থ্যের সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তাই খাবারে কৃত্রিম রং ব্যাবহার থেকে বিরত থাকার বিকল্প নেই। তাহলেই স্বাস্থ্য ভাল থাকবে। আমরা পাব সুন্দর জীবন। জনসম্মুখে জব্দ কৃত রং এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ময়দার ৩৭ কেজি বস্তা, সাল্টু পানিতে ফেলে ধ্বংস করা হয়।জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।আজিজুর রহমান মুন্না,সিরাজগঞ্জঃ সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া উপজেলার পৃথক অভিযানে নোংরা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন, খাবারে কাপড়ের রং ও সাল্টু মিশ্রণ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ময়দা দিয়ে খাবার তৈরীর দায়ে তিন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার (১১ আগষ্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মঈন উদ্দিন। অভিযানে সহায়তা করেছে জেলা সেনেটরী ইন্সপেক্টর দিপু চৌধুরী , র‌্যাব-১২ এর এসআই আব্দুর ওয়াহাব ও র‌্যাবের একটি চৌকষ দল এবং জেলা আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যবৃন্দ। সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া উপজেলার পাঁচিলা বাজারের সড়কে অবস্থিত বেকারীর মালিক ফজলুল হককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪২ ধারায় ২০ হাজার টাকা ও পূর্বদেলুয়া মায়ের দোয়া বেকারি মালিক মোঃ ফরিদুল ইসলামকে একই আইনে ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়াও উপজেলার হাটখোলা বাজার জিন্না স্টোর এর মালিক মেয়াদোত্তীর্ন ময়দা বিক্রি করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫১ ধারায় জহিরুল ইসলামকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জানান, বেকারিতে ক্ষতিকারক কাপড়ের রং, আয়োডিন বিহীন লবণ, সাল্টু মিশিয়ে তৈরি করা খাদ্য পণ্যে মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তিনি আরও জানান, যখন আপনি এমন কৃত্রিম রং মেশানো খাবার খাবেন, গলা থেকে বুক পর্যন্ত একধরনের জ্বালা হবে। এ্যাসিডিটির সমস্যা শুরু হবে। যখন এটা হজম প্রক্রিয়া শুরু হবে তখন বমি বমি লাগবে, মেজাজ খিটখিটে হবে। এমনকী মাথা ব্যথাও হতে পারে। এসব হচ্ছে তাৎক্ষণিক সমস্যা।তবে দীর্ঘমেয়াদী যে সমস্যাগুলো দেখা দেয় তারমধ্যে অন্যতম হলো কিডনি`র সমস্যা। চামড়ায় নানা ধরনের রোগ দেখা দেয়। কৃত্রিম রং, ডালডা ও অতিরিক্ত তেল ব্যবহারে ওজন বৃদ্ধি পাওয়া (ওবেসিটি) ঝুঁকি থাকে। উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হরমোন তার ভারসাম্য হারাতে পারে। অর্থাৎ কৃত্রিম রং কোন ভাবেই স্বাস্থ্যের সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তাই খাবারে কৃত্রিম রং ব্যাবহার থেকে বিরত থাকার বিকল্প নেই। তাহলেই স্বাস্থ্য ভাল থাকবে। আমরা পাব সুন্দর জীবন। জনসম্মুখে জব্দ কৃত রং এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ময়দার ৩৭ কেজি বস্তা, সাল্টু পানিতে ফেলে ধ্বংস করা হয়।জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Spread the love

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর
এই নিউজ পোর্টাল এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ ।  About Us | Contact Us | Terms & Conditions | Privacy Policy
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102