বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কোনাবাড়ীতে ঝুট গোডাউনে লাগা আগুন এক ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে। কোনাবাড়ীতে ঝুট গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট। কাজিপুরে খাবার হোটেলে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড গাজীপুরে ইন্টারন্যশনাল ক্লাসিক কম্পোজিট কারখানা অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা। দেশ চালাতে ব্যর্থ সরকার, গণভোটের রায়ও বাতিল করেছে: এমপি রফিকুল ইসলাম খান লালমনিরহাটে বাঘের আক্রমণে নারীসহ আহত-৩ বাঘ তাড়াতে বিজিবির ফাঁকা গুলি পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন জানুয়ারিতে, পাবনায় পানিসম্পদ মন্ত্রী ভয়েস অব কাজিপুরের নয়া সভাপতি শাহিন সম্পাদক মজিদ কাজিপুরের চরাঞ্চলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু সিরাজগঞ্জের রামকৃষ্ণপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী মতিয়ার রহমান সাবানের মতবিনিময় সভা

সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ২৭২ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : শনিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪

ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস আজ ২৭ জানুয়ারি। ১৯২২ সালের এ দিনে তদানিন্তন ব্রিটিশ সরকারের লেলিয়ে দেওয়া পুলিশ বাহিনীর গুলিতে সলঙ্গার হাটে বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলনের কর্মীসহ সাড়ে ৪ হাজার সাধারণ হাটুরে জনতা শহীদ হন।

ব্রিটিশ শাসনামলে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী অসহযোগ আন্দোলন ও খেলাফত আন্দোলনে জনতা উদ্বেলিত হয়ে বিলেতি পণ্য বর্জন করে স্বদেশি পণ্য ব্যবহারের সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। এমনি একটি আন্দোলনের ঢেউ এসে আছড়ে পরে সলঙ্গায়। সেসময় তৎকালীন পাবনা জেলার এবং বর্তমান সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গায় একটি ব্যবসায়ীক জনপদ হিসেবে সপ্তাহে ২দিন হাট বসতো।

১৯২২ সালের ২৭ শে জানুয়ারি শুক্রবার ছিল বড় হাট বার। মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনের কর্মীরা হাটে নামেন বিলেতি পণ্য কেনা-বেচা বন্ধ করতে। আর এ স্বদেশি আন্দোলনের কর্মীদের রুখতে ছুটে আসে পাবনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরএন দাস জেলা পুলিশ সুপার ও সিরাজগঞ্জ মহকুমা প্রসাশক এসকে সিনহাসহ ৪০ জন সশস্ত্র লাল পাগড়ীওয়ালা পুলিশ। সলঙ্গার গো হাটায় ছিল বিপ্লবী স্বদেশি কর্মীদের অফিস। পুলিশ কংগ্রেস অফিস ঘেরাও পূর্বক গ্রেফতার করে মাওলানা আব্দুর রশিদকে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে মুক্ত করতে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

বিদ্রোহে ফেটে পরে সলঙ্গার সংগ্রামী জনতা। জনতার ঢল ও আক্রোশ দেখে ম্যাজিস্ট্রেট জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য গুলি চালাতে নির্দেশ দেয়। শুরু হয়ে যায় বুলেট বৃষ্টি। ৪০টি রাইফেলের মধ্যে মাত্র ১টি রাইফেল থেকে কোনো গুলি বের হয়নি। এ রাইফেলটি ছিল একজন বাহ্মণ পুলিশের। হত্যাকাণ্ডে হতাহতের সরকারি সংখ্যা সাড়ে ৪ হাজার দেখানো হলেও বেসরকারি বিভিন্ন মতে এর সংখ্যা ১০ হাজারেরও অধিক বলে জানা যায়।

মাওলানা আব্দুর রশিদ সলঙ্গা বিদ্রোহ উপনিবেশিক শাসনের ভিত লড়িয়ে দিয়েছিলেন। সলঙ্গার রক্তসিক্ত বিদ্রোহ শুধু বাংলার মাটিকে সিক্ত করেনি, সিক্ত করেছে সমগ্র উপমহাদেশ। যে রক্তে ভেজা পিচ্ছিল পথে অহিংস, অসহযোগ আন্দোলনে যা কিছু অর্জিত হয়েছে তা সলঙ্গা বিদ্রোহেরই ফসল। দিবসটি পালন উপলক্ষে মাওলানা আব্দুর তর্কবাগীশ পাঠাগারের উদ্যাোগে আলোচনা সভা, ক্রিড়া প্রতিযোগিতা, র্যালি ও পুরস্কার বিতরণসহ নানা কর্মসুচির আয়োজন করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর