অতিদরিদ্রসহ চার শ্রেণির ভাতা বাড়ছে

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ইজিপিপির দৈনিক মজুরি বাড়ছে মাসিক ২০০ টাকা, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ১৫০ টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৫০ টাকা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা ৫০ টাকা এবং বয়স্ক ভাতা ১০০ টাকা করে বাড়ছে। বিধবা ও বয়স্ক ভাতার উপকারভোগীর সংখ্যাও বাড়ানো হচ্ছে। ইজিপিপির দৈনিক মজুরি দ্বিগুণ হলেও উপকারভোগীর সংখ্যা কিছুটা কমছে। অপরিবর্তিত থাকছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী উপকারভোগীর সংখ্যা। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ কমিটির সভাপতি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ইজিপিপি প্রকল্প অতিদরিদ্র ও মৌসুমি বেকার শ্রমিক পরিবারের জন্য। যেসব শ্রমিক কাজ করতে আগ্রহী কিন্তু কোনো কাজ পান না তাঁদের জন্য বছরে দুটি পর্যায়ে এই প্রকল্পের কাজ চলে। বর্তমানে প্রতি কর্মদিবসে ২০০ টাকা করে মজুরি পান শ্রমিকরা। ২০২৩-২৪ অর্থবছর থেকে তা বাড়িয়ে ৪০০ টাকা করা হবে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই খাতে উপকারভোগীর সংখ্যা ছিল চার লাখ ৭৮ হাজার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উপকারভোগীর সংখ্যা হবে তিন লাখ ৮৯ হাজার।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাসিক উপবৃত্তি প্রাথমিক স্তরে ৭৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৯০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৫০ টাকা করা হচ্ছে। উচ্চতর স্তরে আগের মতো এক হাজার ৩০০ টাকা উপবৃত্তি থাকছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভাতা বাড়লেও উপকারভোগীর সংখ্যা এক লাখই থাকছে।
পাঁচ লাখ ৩৫ হাজার জন বাড়িয়ে আগামী অর্থবছরে ২৯ লাখ প্রতিবন্ধী ভাতা পাবে। তবে ভাতার পরিমাণ ৮৫০ টাকাই রাখা হচ্ছে। বর্তমানে চার হাজার ৮১৫ হিজড়া ভাতা পেলেও আগামী অর্থবছরে ছয় হাজার ৮৮০ জন ভাতা পাবে। এর মধ্যে বিশেষ ভাতাভোগী দুই হাজার ৬০০ জন থেকে বাড়িয়ে করা হবে পাঁচ হাজার ৬২০ জন। ভাতার পরিমাণ ৬০০ টাকাই থাকছে। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচিতে বর্তমানে ভাতাভোগীর সংখ্যা ৬৯ হাজার ৫৭৩। আগামী অর্থবছরে ভাতাভোগীর সংখ্যা বাড়িয়ে করা হবে ৮২ হাজার ৫০৩। এর মধ্যে বিশেষ ভাতাভোগীর সংখ্যা ৪৫ হাজার ২৫০ থেকে বাড়িয়ে ৫৪ হাজার ৩০০ করা হবে। ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকাই থাকবে।