বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১০:১২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভুরুঙ্গামারীতে চর বিষয়ক মন্ত্রাণালয়ের দাবীতে মানববন্ধন ‎উপজেলা প্রকৌশলীদের উপর হামলা ও হুমকির প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন কাজিপুরের লাইসিয়াম স্কুল এন্ড কলেজ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৫ অনুষ্ঠিত  লালমনিরহাট জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শ্যামল ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আটক! জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি নিয়ে দুপক্ষের  পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী কুড়িগ্রামে ‘’ফ্রেন্ডশিপ ডিসএবিলিটি প্রোগ্রাম’’ এর এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত কোনাবাড়িতে ইয়াবাসহ গ্রেফতার-১ লফস’র আয়োজনে খেলার মাঠ,পার্ক ও উম্মুক্ত স্থানের বাজেট বরাদ্দ বিষয়ক আলোচনা সভা সলঙ্গায় ধারালো ছুরির আঘাতে গুরুতর আহত যুবক কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষা কার্যক্রম উদ্বধোন 

১৪ বছরে নিখরচায় আইনি সহায়তা পেয়েছেন পৌনে ৯ লাখ মানুষ

রিপোর্টারের নাম : / ৯২ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৩

দরিদ্র ও অসহায় বিচারপ্রার্থীদের বিনা খরচে আইনি সহায়তা দিতে ২০০৯ সালে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা ‘লিগ্যাল এইড’ গঠন করে সরকার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত আইনগত সহায়তা পেয়েছেন ৮ লাখ ৭৯ হাজার ৯২৯ জন।

একই সময়ে সংস্থাটি ৮২ হাজার ৫৮৮টি বিরোধ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ১৩৪ কোটি ৯০ লাখ ৬ হাজার টাকা আদায় করে দিয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রমে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত ৬৪টি জেলা কমিটির মাধ্যমে আইনগত সহায়তা পেয়েছে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৪১৭ জন। এর মধ্যে নারী ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৭৫ জন, পুরুষ ১ লাখ ৭০ হাজার ২৫৯ জন এবং শিশু ১ হাজার ৫৮৩টি। একই সময়ে ৬৪ জেলা কমিটির মাধ্যমে কারাগারে থেকে আইনগত সহায়তা পেয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৬৫০ জন।

জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারপারসন জেড আই খান পান্না আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে লিগ্যাল এইড দরকার। এর মাধ্যমে গরিব মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম হয়েছে। তবে প্রচার-প্রচারণার প্রচণ্ড অভাব রয়েছে। টেলিভিশনে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার সারা বছর ধরে লিগ্যাল এইডের প্রচার হওয়া দরকার।’

জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সালমা আলী বলেন, ‘আইনি সহায়তা পাওয়া সাংবিধানিক অধিকার। লিগ্যাল এইড কেবল আদালতে নয়, শারীরিক-মানসিকভাবেও সহায়তা দিতে হবে। কেননা, অসহায় মানুষকে মামলা করেও পালিয়ে বেড়াতে হয়। যারা লিগ্যাল এইড দিচ্ছেন সেসব আইনজীবীর প্রশিক্ষণ দরকার। যাতে তাঁরা এটা দয়া মনে না করেন। এ ছাড়া লিগ্যাল এইডের প্রচার-প্রচারণা এবং বাজেটে বরাদ্দ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।’

দরিদ্র ও অসহায় বিচারপ্রার্থী জনগণকে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার ২০০০ সালে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০’ নামে একটি আইন প্রণয়ন করে। লিগ্যাল এইডের সারা দেশের জেলা পর্যায়ের কমিটি ছাড়াও সুপ্রিম কোর্টে কমিটি রয়েছে। এটির চেয়ারম্যান হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি।

আগামীকাল শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৩ উদ্‌যাপন উপলক্ষে আইন ও বিচার বিভাগ এবং জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর নিবন্ধন অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে র‍্যালি অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া সারা দেশের জেলা পর্যায়ে র‍্যালি, আলোচনা সভা, লিগ্যাল এইড মেলা, ম্যাগাজিন প্রকাশ ও প্রকাশনা সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচির হাতে নেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর