শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পাহাড়ের দুর্গম পথ, গভীর অরণ্য আর খরস্রোতা নদী—এটাই বান্দরবানের থানচি। ​লালমনিরহাটে চলাচলের রাস্তা কেন্দ্র করে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে জখম-একজন হাসপাতালে বেড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সম্মাননা পেলেন শিবরাম স্কুলের অধ্যক্ষ রাশেদ প্রতিবাদ পাবনায় হলুদ ক্ষেতে মিলল ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত লাশ কালিয়াকৈরে ৬০০ গাইড-গাইডারের অংশগ্রহণে ১৩তম জাতীয় গাইড ক্যাম্প উদ্বোধন। বেড়ায়  এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা গাজীপুরে চকলেটের প্রলোভনে ৪ বছরের শিশুকে অপহরণ, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার। কোনাবাড়ীতে সেফটি ট্যাংকিতে পড়ে যাওয়া গরু উদ্ধার করলো ফায়ার সার্ভিস।

দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’, নার্সিং খাতে আমূল পরিবর্তন

রিপোর্টারের নাম : / ২৫১ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণে বর্তমান নার্সিং কাউন্সিল প্রশাসন নার্সিং-মিডওয়াইফারি শিক্ষা এবং প্রতিষ্ঠানের মান বৃদ্ধিতে কাজ করে চলছে। যার কারণে দেশের নার্সিং শিক্ষা খাতে আমূল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

জানা গেছে, বিগত কয়েক বছরে বেসরকারি নার্সিং প্রতিষ্ঠান অনুমোদনে যে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ ছিল- তা অনেকটাই এখন বন্ধ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য-শিক্ষা বিভাগ ও বর্তমান নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং কাউন্সিল রেজিস্ট্রার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছেন। ফলে বিপাকে পড়েছেন দুর্নীতিগ্রস্ত কিছু প্রতিষ্ঠান মালিক এবং কথিত নতুন উদ্যোক্তারা। সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব মালিকপক্ষের ধারণা ছিল; অতীতের ন্যায় নামমাত্র জায়গায় বাসা ভাড়া নিয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাণিজ্যের মাধ্যমে নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মালিক বনে যাওয়া।

বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের ওয়েবসাইট হতে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক, ২০১৯ সালের আগে সরকারি-বেসরকারি নার্সিং প্রতিষ্ঠান সংখ্যা ছিল ২০০ এবং আসন সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার। যা ২০২১ সালের ডিসেম্বরে এসে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০০ এবং আসন সংখ্যা প্রায় ৩৩ হাজার; যার বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান হয়েছিল ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে। অভিযোগ রয়েছে, কাউন্সিলের কিছু সংখ্যক কর্মচারী; যারা পূর্বের রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে বিভিন্নভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন পাইয়ে দিত।

সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে বর্তমান রেজিস্ট্রার দায়িত্ব পাওয়ার পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কারণে এসব ফন্দিফিকির অনেকটাই এখন বন্ধ। এজন্য কিছু সংখ্যক কর্মচারী দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের মালিকদের যোগসাজশে বর্তমান প্রশাসন-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে প্রোপাগাণ্ডা ছড়িয়ে পরিস্থিতি অস্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে।

এ বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, গত দুই বছর আমরা ভুলেই গিয়েছিলাম কার চাকরি করি; কাউন্সিলের নাকি প্রতিষ্ঠান মালিকের। গত দু’বছর পরীক্ষার সিটপ্ল্যান ও কেন্দ্র ঠিক হত মালিকপক্ষের কথায়। এতদিন পরীক্ষা হতো, তবে কে নিতো আমরা জানতাম না। তবে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।

বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রাশিদা আক্তার বলেন, অফিস অফিসের নিয়মে চলবে। নিয়মমাফিক সবকিছু হবে, এর বাইরে নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর