রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে থানা পুলিশের মতবিনিময় প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল: টাইব্রেকারে বাজিমাত, চ্যাম্পিয়ন কালাই উপজেলা বেড়ায় আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতি স্মরণে ভেলা বাইচ অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ১৩তম জাতীয় গাইড ক্যাম্পের সমাপনী, অংশ নিলেন ৬০০ গাইড। পাহাড়ের দুর্গম পথ, গভীর অরণ্য আর খরস্রোতা নদী—এটাই বান্দরবানের থানচি। ​লালমনিরহাটে চলাচলের রাস্তা কেন্দ্র করে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে জখম-একজন হাসপাতালে বেড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সম্মাননা পেলেন শিবরাম স্কুলের অধ্যক্ষ রাশেদ প্রতিবাদ পাবনায় হলুদ ক্ষেতে মিলল ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত লাশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের হেনস্তা রোধে আইন হচ্ছে

রিপোর্টারের নাম : / ২৬৮ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২

শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, শিক্ষক হেনস্তার সবগুলো ঘটনাই অনাকাক্সিক্ষত। তবে আগে যে হতো না, এমন নয়, এখন বেশি শিক্ষক হেনস্তার ঘটনা ঘটছে। আগে হয়তো আমরা জানতে পারতাম না, বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকের কারণে জানতে পারছি। তবে ইদানীং যতগুলো শিক্ষক হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে সবগুলোর অ্যাকশন নেয়া হয়েছে। সাভারে উৎপল কুমার সরকারের হত্যার ঘটনায় দায়ীদের পরিবারসহ আমরা গ্রেপ্তার করেছি। এখন আমরা প্রত্যেকটি ঘটনার বিচার করছি, তদন্ত করছি কারা কারা দায়ী? গতকাল শনিবার তিনি এসব কথা বলেন।

মুহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতবিষয়ক কোনো অভিযোগ এলে, তা সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষা অফিসার, ডিসি, এডিসি বা জেলা-উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে আমি আগামী বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা করব। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতে কোনোভাবে কোনো শিক্ষককে হেনস্তার শিকার হতে না হয় সে ধরনের একটা নির্দেশনা দেব।

তিনি বলেন, এখন উগ্ররক্ষণশীল, পশ্চাৎমুখী ও সাম্প্রদায়িক দল ঠেলতে ঠেলতে আপনাকে অন্ধকার যুগে ঠেলে ফেলে দেবে। তথাকথিত মাওলানারা ওয়াজ মাহফিল করতেছে মনগড়া। তারা মেয়েদের বিরুদ্ধে, শিশুদের বিরুদ্ধে, সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে যা তা বলে সমাজের সাধারণ মানুষকে উসকে দিচ্ছে। এছাড়া অনেক স্কুলের হিজাব ইউনিফরম পরতে বাধ্য করা হচ্ছে। এটা মাথায় রাখতে হবে। এসব বন্ধ করতে আমরা কাজ করছি।

তিনি বলেন, এখন বাস্তবতা, আমাদের দেশে এক ধর্ম গোষ্ঠী, ধর্মের ফেরিওয়ালা আছে, তারা নানা ধরনের ফন্দি-ফিকির করে শুধু সংখ্যালঘু শিক্ষকদের না, যে কোনো ধরনের প্রগতিশীল শিক্ষকদের টার্গেট করে। এ ধরনের ধর্ম ব্যবসায়ীরা বলে বেড়াচ্ছে, সাধারণ শিক্ষায় নৈতিকতা কম। অথচ ওই গোষ্ঠীই নৈতিকতার নামে শিশু শিক্ষার্থীদের বলাৎকার করে থাকে। এ ধরনের নৈতিকতার আমাদের প্রয়োজন নেই।
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অর্থাৎ ফেসবুক, ইউটিউব-এ বড় শিকার হচ্ছে নারী, শিশু ও সমাজের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ, এখন শিক্ষকরাও হচ্ছেন। এটার বিষয়ে আইসিটি বিভাগকে আমরা অনুরোধ করব, যারা এদেশে ইউটিউব বা ফেসবুকের ব্যবসা করছে তাদের সহযোগিতা দরকার। যাতে সমাজের সম্প্রীতি বিনষ্ট না হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর