শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জেলা পর্যায়ে হাতের লেখা প্রতিযোগীতায় শিবরাম স্কুল প্রথম জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বাণী পাঠের মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে আনসার-ভিডিপির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সূচনা। গাজীপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাজতির আত্ম হত্যার চেষ্টা। কাজিপুরে কীটনাশক বিক্রেতার ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা পেলেন নিহত তৌফিকের পরিবার বেড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ-পাবনায় অভিযান চালিয়ে বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার উপকূলীয় কৃষিতে নতুন দিগন্ত: অনুমোদন পেল লবণাক্ততা-সহনশীল উচ্চফলনশীল ‘ব্রি ধান১১৯। ওমরা পালনে ২২ জন আনসার সদস্যের হাতে ভিসা,বিমান টিকিট ও উপহারসামগ্রী তুলে দিলেন মহাপরিচালক।  গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ,আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তায় বিএনপি নেতারা।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বাণী পাঠের মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে আনসার-ভিডিপির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সূচনা।

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৫ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে পালন করছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। দিবসটি উপলক্ষে বাহিনীর সদর দপ্তরসহ দেশের সকল রেঞ্জ ও জেলা কার্যালয়ে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।
 সকালে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। সদর দপ্তর, রেঞ্জ ও জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের উপস্থিতিতে যথাযথ পতাকা বিধি অনুসরণ করে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠের মাধ্যমে দিবসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, জাতীয় জীবনে এর গুরুত্ব এবং সমসাময়িক তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতা ও রাষ্ট্রীয় অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে সিপাহি-জনতার বিপ্লব ও সংহতির মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। পরবর্তী সময়ে তাঁর নেতৃত্বে দেশে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, স্বাভাবিক রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পুনরুদ্ধার, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন এবং নির্বাচনী ধারায় প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। ফলে দিনটি বাংলাদেশের জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
ঐতিহাসিক এ দিবসের তাৎপর্য ও মর্যাদা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে ধারণ করে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরসহ দেশের সব রেঞ্জ ও জেলা কার্যালয়ে যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক চেতনা ধারণ করে দেশব্যাপী এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বস্তরের সদস্যদের মধ্যে দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধ, ঐক্য, সংহতি ও দেশসেবার অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় হয়েছে। একই সঙ্গে দিবসটি পালনে সদর দপ্তর থেকে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত বাহিনীর সুসংগঠিত প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণ ও জাতীয় চেতনার উজ্জ্বল প্রতিফলন ঘটেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর