সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কালিয়াকৈরে ৬০০ গাইড-গাইডারের অংশগ্রহণে ১৩তম জাতীয় গাইড ক্যাম্প উদ্বোধন। বেড়ায়  এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা গাজীপুরে চকলেটের প্রলোভনে ৪ বছরের শিশুকে অপহরণ, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার। কোনাবাড়ীতে সেফটি ট্যাংকিতে পড়ে যাওয়া গরু উদ্ধার করলো ফায়ার সার্ভিস। কোনাবাড়ীতে আজ যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবেনা। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চরহাজারী ইউনিয়ন ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল কে এই শারমিন আক্তার শীলা? অভিযোগ ঘিরে উঠছে নানা প্রশ্ন গাজীপুরে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদককারবারী গ্রেফতার। সাংবাদিকের বাড়িতে তাণ্ডব ও লুটপাট: হাটিকুমরুলে মানববন্ধন, কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সলঙ্গায় বলাই সিমলা দাখিল মাদ্রাসায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ টানা চার বছর চাল উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়

রিপোর্টারের নাম : / ২৯৪ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : রবিবার, ১২ জুন, ২০২২

ইন্দোনেশিয়াকে টপকে বাংলাদেশ এবারও বিশ্বের তৃতীয় চাল উৎপাদনকারী দেশ হিসাবে জায়গা করে নিতে যাচ্ছে। ২০২২ সালে বাংলাদেশে চাল উৎপাদন বেড়ে ৩ কোটি ৮৪ লাখ টন হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)। এ নিয়ে টানা চার বছর বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় স্থান ধরে রেখেছে। চলতি বছর উৎপাদনে শীর্ষে থাকবে চীন।

আর দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে প্রতিবেশী দেশ ভারত। এফএও থেকে প্রকাশিত ‘গ্লোবাল ফুড আউটলুক-জুন ২০২২’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, টানা কয়েকটি দুর্যোগ মোকাবিলা করেও বাংলাদেশ ২০১৯ সালে ৩ কোটি ৬৫ লাখ টন চাল উৎপাদন করে। ওই বছর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ চাল উৎপাদনে ইন্দোনেশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে উঠে আসে। ২০২০ সালে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও উৎপাদনের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে বাংলাদেশ আবারও তৃতীয় স্থানে থাকে। উৎপাদিত হয় ৩ কোটি ৭৪ লাখ টন চাল। ২০২১ সালেও বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থান ধরে রাখে। সে বছর বাংলাদেশে চাল উৎপাদন বেড়ে ৩ কোটি ৭৮ লাখ টন। চলতি বছর উৎপাদন ৬ লাখ টন বেড়ে ৩ কোটি ৮৪ লাখ টনে দাঁড়াবে। এ হিসাবে গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশে চাল উৎপাদন ১ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়বে।

অন্যদিকে বাংলাদেশের মতো দ্রুত উৎপাদন বাড়িয়ে আবারও তৃতীয় স্থান পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। এ বছর তাদের মোট উৎপাদন দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৩ কোটি ৫২ লাখ টনে দাঁড়াবে। চীন ১৪ কোটি ৬১ লাখ ও ভারত ১২ কোটি ৭৪ লাখ টন চাল উৎপাদন করে এক ও দুই নম্বর অবস্থানে থাকবে বলে প্রতিবেদনে আভাস দেওয়া হয়েছে। চলতি বছর চীন, ভারত, বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ায় চালের উৎপাদন বাড়বে।

এফএওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে চাল উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধির পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে এর বাড়তি দাম। সঙ্গে বেড়েছে কৃষির যান্ত্রিকীকরণ ও প্রযুক্তির ব্যবহার। এফএও বলছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট দানাদার খাদ্য আমদানি হয়েছে ৯১ লাখ টন। এটি আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরে কমে দাঁড়াবে ৯০ লাখ টনে। গমের আমদানি আগামী অর্থবছর ৬৫ লাখ টন হবে। গত এক যুগে দেশে গমের ভোগ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে দেশে গমের উৎপাদন ১০ লাখ টন থেকে বেশ কমে ৭ লাখ টনে নেমে আসে। ২০২০ তা বেড়ে আবারও ১১ লাখ টন হয়েছে। গত বছর তা ১৩ লাখ টন হয়। আমদানিনির্ভর পণ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে পুষ্টিকর খাবার যেমন ভোজ্যতেলের আমদানিও বেড়েছে। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ গড়ে ২৫ লাখ টন ভোজ্যতেল আমদানি করত। ২০২০-২১ অর্থবছরে তা কমে ২১ লাখ টনে নেমে আসে। চলতি অর্থবছর তা কিছুটা বেড়ে তা ২২ লাখ টন হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর