মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কোনাবাড়ীতে ঝুট গোডাউনে লাগা আগুন এক ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে। কোনাবাড়ীতে ঝুট গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট। কাজিপুরে খাবার হোটেলে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড গাজীপুরে ইন্টারন্যশনাল ক্লাসিক কম্পোজিট কারখানা অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা। দেশ চালাতে ব্যর্থ সরকার, গণভোটের রায়ও বাতিল করেছে: এমপি রফিকুল ইসলাম খান লালমনিরহাটে বাঘের আক্রমণে নারীসহ আহত-৩ বাঘ তাড়াতে বিজিবির ফাঁকা গুলি পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন জানুয়ারিতে, পাবনায় পানিসম্পদ মন্ত্রী ভয়েস অব কাজিপুরের নয়া সভাপতি শাহিন সম্পাদক মজিদ কাজিপুরের চরাঞ্চলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু সিরাজগঞ্জের রামকৃষ্ণপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী মতিয়ার রহমান সাবানের মতবিনিময় সভা

যশোরে চড়ছে গরম, বাড়ছে লোডশেডিং

রিপোর্টারের নাম : / ১৪৪ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

মনির হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি :মার্চের শুরু থেকে দেশে আর শীতের প্রভাব ছিল না। এদিকে দিন বাড়ার সঙ্গে বেড়েছে তাপমাত্রা, গরম। সেই সঙ্গে বাড়তে শুরু করেছে লোডশেডিং। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল আমদানি নিয়ে শঙ্কার মধ্যে লোডশেডিং বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে জনভোগান্তিও বাড়তে পারে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) ছুটির দিনেও বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াটে ওঠার সময় প্রায় ৭০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখা দেয়। আগের রাতে যশোর জেলাসহ বেশ কয়েকবার লোডশেডিংয়ের দেখা মেলে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় দেখা যায়, সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে পৌঁছে গেছে। সেই সময় উৎপাদনও ১৪ হাজার মেগাওয়াট ছুঁয়েছে। এই সময় গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে ৫ হাজার ১৪৬ মেগাওয়াট, তরল জ্বালানি থেকে ২২৬৪ মেগাওয়াট, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে ৪ হাজার ৬৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। চাহিদার বাকি বিদ্যুৎ আসে আদানি পাওয়ার ও ভারত থেকে আমদানি করা বিভিন্ন উৎস থেকে।

পেট্রোবাংলার অপারেশন বিভাগের পরিচালক রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, গরমের মৌসুম শুরু হওয়ায় এপ্রিল মাসে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য গ্যাসের বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। মার্চে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য দৈনিক ৮২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বরাদ্দ ছিল, এপ্রিলে সেই চাহিদা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩০ মিলিয়ন ঘনফুট।

জানা গেছে, গত মার্চ মাসের অধিকাংশ সময়জুড়ে দেশে কোনো লোডশেডিং ছিল না। ৩০ মার্চ থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৩৫০ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখা দেয়। ২ এপ্রিল সেটা ৫০০ মেগাওয়াটের ধাপ অতিক্রম করে। এই সময় গ্রামের পাশাপাশি শহরাঞ্চলেও লোডশেডিং দেখা দেয়।

এদিকে ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে সরকার ইতিমধ্যে সাশ্রয়ী কর্মসূচি শুরু করেছে। চলতি বছর বিদ্যুতের দৈনিক সর্বোচ্চ ১৮ হাজার মেগাওয়াট চাহিদা হিসাব করে সেখান থেকে ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার কথা ভাবছে সরকার। সে জন্য আগামী তিন মাস দেশব্যাপী সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখা, সরকারি ও বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চালানো, সব অফিস ভবন, বিপণিবিতান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করা।

এ ছাড়া মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের গাড়ির জন্য জ্বালানি তেলের মাসিক বরাদ্দ ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর