বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাজিপুরে পাগলা কুকুরের কামড়ে ১৫ জন আহত  শিশুদের ওপর পরিবেশ দূষণের প্রভাব মোকাবিলায় গাকৃবিতে নীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত। অপ্রতিম হত্যা: গ্রেপ্তার দুই কিশোর টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে। টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বংশাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ  অনুষ্ঠিত। কাশিমপুরে যৌন শোষণের বিরুদ্ধে শিশু সুরক্ষা নিয়ে যৌথ সভা। কোনাবাড়ীর জরুন এলাকায় ইয়াবার ছড়াছড়ি: মাদকের আগ্রাসনে ধ্বংসের মুখে যুবসমাজ। গাজীপুরে লংমার্চ নিয়ে পোস্ট, জিএমপি পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার। ভেটেরিনারি পেশার কাঠামোগত সংস্কার ও তিন দফা দাবিতে গাকৃবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। বেড়ায় গ্যালাক্সি স্কুল অ্যান্ড কলেজে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে পরিত্যক্ত অবস্থায় দেশীয় রিভলবার ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় পরকীয়ার জেরে লাবনী হত্যার চাঞ্চল্যকর রহস্য উন্মোচন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৩৩ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় নাহিদ সুলতানা লাবনী (২৫) হত্যা মামলার চাঞ্চল্যকর রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উন্মোচন করেছে পুলিশ। প্রেমঘটিত বিরোধ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে জানিয়েছে সলঙ্গা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত প্রেমিক মিলন হোসাইনকে আটক করা হয়েছে। নিহত লাবনী ধুবিল কাটার মহলের আব্দুল কাইয়ুম রিগানের স্ত্রী।এঘটনায় লাবনীর বাবা গোলাম মোস্তফা ৩০ নভেম্বর রাতে থানায় হত্যা দায়ের করেন।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, সলঙ্গা থানার জগজীবনপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে লাবনীর সঙ্গে ২০১৭ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় রিগানের। তাদের দুই সন্তান রয়েছে। তবে বিয়ের আগে থেকেই লাবনীর সঙ্গে বড় গোজা গ্রামের মিলন হোসাইনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা বিয়ের পরে পরকীয়ায় রূপান্তর নেয়, গোপনে চলতে থাকে।

গত ২৯ নভেম্বর বিকেলে স্বামী বাড়িতে না থাকায় লাবনী মিলনকে ফোন করে বাসায় ডেকে নেন। সে সময় লাবনী তার ভাগ্নী ও মেয়েকে বাজারে পাঠিয়ে দেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রথমবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। পরে মিলন ফিরে যেতে চাইলে লাবনী বাধা দেন। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত তাদের মধ্যে ঝগড়া বাড়তে থাকে। দ্বিতীয়বার শারীরিক সম্পর্কে মিলন রাজি না হওয়ায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। হাতাহাতির এক পর্যায়ে মিলন লাবনীর গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়।

হত্যার পর মিলন লাবনীর ভাগ্নীকে ঘুম থেকে জাগিয়ে জানায়, লাবনী অজ্ঞান হয়ে গেছে। এরপর সে দ্রুত ঘটনাস্থল ছাড়ে। রাত পৌনে ৪টার দিকে লাবনীর ভাগ্নী বিষয়টি তার বাবাকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তির সাহায্যে পুলিশ মিলনকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে। আটককালে ঘটনাস্থল থেকে ৪ ভরি স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করা হয়।

সলঙ্গা থানার ওসি হুমায়ূন কবির বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই মূলহোতা গ্রেপ্তার হয়েছে। আদালতে মিলন হত্যার দায় স্বীকার করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর