বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি-জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে সাড়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৫৮ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কোনাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।  সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক উল্লাপাড়ার রামকৃষ্ণপুর ইউপিতে গ্রাম আদালত বিষয়ে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত তফসিলের আগেই বেড়ায় প্রচারণায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা বেড়ায় মাদক কারবারি আটক 

কাজিপুরে অবৈধ পশুরখাদ্য ঔষধ জব্দ ধ্বংস ও জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

আজিজুর রহমান মুন্না, সিরাজগঞ্জঃ / ৩১৪ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : শুক্রবার, ২৬ আগস্ট, ২০২২

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার ছালাভরা বাজারে এসএ এগ্রোভেট নামের একটি পশুখাদ্য ও ওষুধ কারখানায় অভিযান চালায় ভ্র্যাম্যমান আদালত। অভিযানে প্রায় পাঁচলক্ষ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ অবৈধ ও অন্য কোম্পানির মোড়ক লাগানো খাবার ও ওষুধ জব্দ করা হয়।

নিয়মিত বাজার ব্যবস্থাপনা তদারকির আওতায় বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কাজিপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম আরিফুল ইসলাম ওই প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালান। আদালত এসময় ওই প্রতিষ্ঠানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও কোন প্রকার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বৈধ ফার্মাসিস্ট এবং কেমিস্ট ছাড়াই প্রাণীর নানা জাতের খাবার ও ওধুষ তৈরির বিষয়টি হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে অবৈধ ওষুধগুলি বাইরে এনে তা ধ্বংস করা হয়। শুধুমাত্র প্রাণীর ওষুধ তৈরির জন্য কাটাগরি-১ এর আওতায় একটি প্রাথমিক সনদ নেয়া ওই প্রতিষ্ঠানে চারবছর যাবৎ প্রায় কুড়ি প্রকার ওষুধ তৈরি ও বাজারজাত করা হচ্ছিল।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত রুহুল আমিন লাকুকে চল্লিশ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।

উক্ত অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন, কাজিপুর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ দিদারুল ইসলাম, ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ মাহমাদুল হাসান, উপজেলা কৃষি অফিসার রেজাউল করিম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা একেএম শাহা আলম মোল্লা, জেলা ড্রাগ সুপারভাইজার মরুময় সরকার প্রমূখ।
উপজেলা ভেটেনিরারি সার্জন ডাঃ মাহমুদুল হাসান বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক শুধুমাত্র ক্যাটাগরি-১ এর আওতায় একটি সনদ নেন ২০১৯ সালে।

সে’টির মেয়াদও শেষ হয়েছে গতবছর। কিন্তু তিনি আর নবায়ন করেননি। আর এখানে ওষুধ তৈরির জন্যে কোন প্রকার লোকবলও নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর