সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জয়পুরহাটে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, জিডি জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে লেখাপড়া না করেও সঠিক সনদে ৩০ বছর চাকরি। একমাত্র ডাঃ ৩ মাসের ছুটিতে লালমনিরহাট পরিবার পরিকল্পনা তিন উপজেলার চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হাজারো মানুষ সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা উন্নয়নে একসাথে কাজ করবে বাউবি ও ইউনিসেফ – বাউবি উপাচার্য। পাবনায় অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক বেড়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরির দায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা গাকৃবিতে সয়াবিন গবেষণার উপর কর্মশালা অনুষ্ঠিত।  বাউবির মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে উপাচার্যের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। বাউবির এলএল.বি (অনার্স) ৮ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান। বাউবির এলএল.বি (অনার্স) ৮ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান।

সলঙ্গা গণহত্যা দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৩২৯ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২২

আজ সলঙ্গা গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার চড়িয়া মধ্যপাড়া গ্রামে নির্মম গণহত্যা চালায় পাক হানাদার বাহিনী।

এদিন পাকিস্তানি সৈন্যরা প্রায় দুই শতাধিক মুক্তিকামী নিরীহ বাঙালিকে ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করেন। জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২০ এপ্রিল পাবনা জেলার কাশিনাথপুর ডাব বাগান নামক স্থানে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধে অর্ধশতাধিক হানাদার নিহত হন।

এ ঘটনার প্রতিশোধ নিতে হানাদার বাহিনী ২৫ এপ্রিল সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট থেকে কাশিনাথপুরের উদ্দেশে যাত্রা করেন। পথে বগুড়া-নগরবাড়ী সড়কের সলঙ্গা থানার চড়িয়া শিকার নামক এলাকায় ব্যারিকেডের মুখে তারা যাত্রা বিরতি করেন। তারা সন্ধান পান চড়িয়া শিকারের পূর্ব দক্ষিণ পাশে অন্য একটি কাশিনাথপুর গ্রামের। এ গ্রামকেই পাবনা জেলার কাশিনাথপুর মনে করে পাকিস্তানি বাহিনী খুঁজতে থাকেন মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাঁটি।

তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদরদের সহযোগিতায় সন্ধান পান চড়িয়া মধ্যপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ ঘাঁটির। তখনগ্রামের নিরীহ মানুষ ঘুমিয়ে ছিলেন। পাকবাহিনী সুর্যোদয়ের পূর্ব হতে গুলি চালাতে শুরু করেন এবং সকাল ৯টা পর্যন্ত গুলি চালান। ভস্মীভূত করে দেন এলাকার ঘর-বাড়ি। ওইদিন বিকেলে তারা চড়িয়া শিকারসহ আশেপাশের ৫/৭টি গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক মুক্তিকামী মানুষকে আটকের পর দু’লাইনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করেন।

এ গণহত্যার শিকার পাটধারী গ্রামের ২৯ জন, কালীবাড়ী গ্রামের ১৩ জন, শিকার মগপাড়া গ্রামের ৮ জন, চড়িয়া শিকার দক্ষিণ পাড়া গ্রামের ১০ জন, গোলকপুর গ্রামের ৫ জন, কাচিয়ার গ্রামের ১ জনের নাম পরিচয় পাওয়া যায়। বাকীদের পরিচয় এখন পর্যন্তও জানা যায়নি। প্রতি বছর দিবসটি পালন উপলক্ষে কোরআন খতম, শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর