বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে আদালতের রায়ে উল্লাপাড়া বাঙ্গালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু হানিফ আমার ছোট ভাই ইমন উল্লাপাড়ায় লাগামহীন থ্রি – হুইলার স্ট্যান্ডের সিরিয়াল পেতে সড়কে বেপরোয়া প্রতিযোগিতা ৪০ বছর ধরে বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা।  গ্রামীণফোন একাডেমিতে ৪ লাখ নিবন্ধন, চাহিদার শীর্ষে এআই কোর্স। কাজিপুরে অসাধু সার বিক্রেতার অর্থদন্ড।  ১১ দলের লংমার্চ ঘিরে নাশকতার আশঙ্কা, সজাগ থাকার আহ্বান সারওয়াত সিরাজ শুক্লার। উল্লাপাড়ায় কোনাগাতী কে,সি, দাখিল মাদ্রাসায় সুধী ও অভিভাবক সমাবেশ উল্লাপাড়ায় বাংলাদেশ ট্রাক – কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির জেলা কার্যালয় উদ্বোধন বিএনপির নাম ভাঙিয়ে দুষ্টমি করলে বা অপ্রপ্রয়াস চালালে তা তুলে ধরুন-ওবায়দুর রহমান চন্দন

সলঙ্গা গণহত্যা দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৩৫৬ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২২

আজ সলঙ্গা গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার চড়িয়া মধ্যপাড়া গ্রামে নির্মম গণহত্যা চালায় পাক হানাদার বাহিনী।

এদিন পাকিস্তানি সৈন্যরা প্রায় দুই শতাধিক মুক্তিকামী নিরীহ বাঙালিকে ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করেন। জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২০ এপ্রিল পাবনা জেলার কাশিনাথপুর ডাব বাগান নামক স্থানে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধে অর্ধশতাধিক হানাদার নিহত হন।

এ ঘটনার প্রতিশোধ নিতে হানাদার বাহিনী ২৫ এপ্রিল সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট থেকে কাশিনাথপুরের উদ্দেশে যাত্রা করেন। পথে বগুড়া-নগরবাড়ী সড়কের সলঙ্গা থানার চড়িয়া শিকার নামক এলাকায় ব্যারিকেডের মুখে তারা যাত্রা বিরতি করেন। তারা সন্ধান পান চড়িয়া শিকারের পূর্ব দক্ষিণ পাশে অন্য একটি কাশিনাথপুর গ্রামের। এ গ্রামকেই পাবনা জেলার কাশিনাথপুর মনে করে পাকিস্তানি বাহিনী খুঁজতে থাকেন মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাঁটি।

তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদরদের সহযোগিতায় সন্ধান পান চড়িয়া মধ্যপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ ঘাঁটির। তখনগ্রামের নিরীহ মানুষ ঘুমিয়ে ছিলেন। পাকবাহিনী সুর্যোদয়ের পূর্ব হতে গুলি চালাতে শুরু করেন এবং সকাল ৯টা পর্যন্ত গুলি চালান। ভস্মীভূত করে দেন এলাকার ঘর-বাড়ি। ওইদিন বিকেলে তারা চড়িয়া শিকারসহ আশেপাশের ৫/৭টি গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক মুক্তিকামী মানুষকে আটকের পর দু’লাইনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করেন।

এ গণহত্যার শিকার পাটধারী গ্রামের ২৯ জন, কালীবাড়ী গ্রামের ১৩ জন, শিকার মগপাড়া গ্রামের ৮ জন, চড়িয়া শিকার দক্ষিণ পাড়া গ্রামের ১০ জন, গোলকপুর গ্রামের ৫ জন, কাচিয়ার গ্রামের ১ জনের নাম পরিচয় পাওয়া যায়। বাকীদের পরিচয় এখন পর্যন্তও জানা যায়নি। প্রতি বছর দিবসটি পালন উপলক্ষে কোরআন খতম, শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর