বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দালাল চক্রের মুখে ছাই পরবর্তী শুনানি ২০ জুলাই। গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার, অন্যরা পলাতক। উল্লাপাড়ায় বস্তায় আদা চাষ প্রদর্শনীর মাঠ দিবস, চারা বিতারণ ও বৃক্ষ রোপন অনুষ্ঠিত প্রতারণার অভিযোগে কেয়া নীট কম্পোজিট লিমিটেডের স্টোর অফিসার আটক।  এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি-জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে সাড়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৫৮ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কোনাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।  সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক

কক্সবাজারে পর্যটক হয়রানি ঠেকাতে ট্যুরিস্ট পুলিশের ৮ নির্দেশনা

রিপোর্টারের নাম : / ২২১ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বুধবার, ১০ আগস্ট, ২০২২

কক্সবাজারে কটেজ জোনে কটেজ মালিকদের পর্যটক হয়রানি ঠেকাতে কঠোর হচ্ছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। এ লক্ষ্যে কক্সবাজার কটেজ মালিকদের জন্য ৮ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এসব নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম।

তিনি জানান, পর্যটক হয়রানি ও জিম্মি করে টাকা আদায়ের অভিযোগে রবিবার ট্যুরিস্ট পুলিশের হাতে কটেজ জোনের দালাল চক্রের ১১ জন আটক হয়। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের দুইদিনের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম আরো জানান, কক্সবাজার কটেজ জোনে টর্চার সেলের সন্ধান পাওয়ার পর থেকে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য  আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।

সোমবার ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়ন কার্যালয়ে কটেজ জোনের মালিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান। এ সভায় ৮টি বিষয়ে তাদের সতর্ক করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের নির্দেশনাগুলো হলো-

১. কটেজ জোনের সকল প্রবেশ পথে সিসি ক্যামেরা স্থাপন।

২. যে সকল কটেজে অপরাধমূলক কাজ ঘটে তাদের মালিকদের বলে এসব বন্ধ করার ব্যবস্থা।

৩. সকল কটেজের স্টাফদের আইডি কার্ড দেওয়া বাধ্যতামূলক।

৪. পর্যটক ও কটেজ স্টাফ ছাড়া বাইরের কেউ সেখানে আড্ডা বা অপ্রয়োজনে ঘোরাঘুরি করতে পারবে না।

৫. কোনো সিএনজি বা অটোরিকশা বা টমটম সেখানে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে না। যাত্রী নিয়ে বা নামিয়ে দিয়ে চলে যাবে।

৬. প্রত্যেক কটেজের সামনে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করতে হবে।

৭. প্রত্যেক প্রবেশপথে গেট লাগানো হবে এবং রাত ১২টার পর শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পূর্ব পাশের মেইন প্রবেশপথ খোলা থাকবে।

৮. পর্যটকদের এনআইডি কার্ড বা জন্ম নিবন্ধন কার্ডসহ রেজিস্ট্রার খাতায় এন্ট্রি করাতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর