বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বেড়ায় হাট বাজারে মাছ সংকট বিপাকে ক্রেতা বিক্রেতা  কালিয়াকৈর পল্লী মঙ্গল কর্মসূচীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, সেবা পেলেন পাঁচ শতাধিক অসহায় মানুষ। চার বছর পর ন্যায়ের জয়: জয়পুরহাটে চেয়ারম্যানের চেয়ারে আতাউর রহমান” উল্লাপাড়ায় আধুনিক মৌমাছি পালন কৌশল ও উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত কোনাবাড়ীতে মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেফতার-১। রেললাইনে বালুভর্তি ট্রাক ফেঁসে যাওয়ায় ঢাকা-যমুনা সেতু রুটে ট্রেন চলাচল এক ঘন্টা বিঘ্নিত।  উল্লাপাড়ায় সাংবাদিকদের উপর হামলা: আসামি গ্রেফতারে বিলম্বে মানববন্ধনে ক্ষোভ কাজিপুর প্রেস ক্লাব কর্তৃক বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  বর্ষা আসার আগেই বেড়ায় নৌকা তৈরি ও মেরামতের ধুম পড়েছে উল্লাপাড়ায় বিএনপি নেতার মৃত্যুতে শোক সভা ও মিলাদ মাহফিল

বেলকুচিতে চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যানকে পেটালেন ছাত্রলীগ নেতা

আজিজুর রহমান মুন্না, সিরাজগঞ্জঃ / ৩৮৫ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বুধবার, ৮ জুন, ২০২২

সিরাজগঞ্জের বেলকুচির ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরকে পেটালেন পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আকতার হামিদ।

সোমবার (৬ জুন) রাতে পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আকতার হামিদসহ ৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূঁইয়া।

এর আগে, রোববার (৫ জুন) বিকেলে বেলকুচি পৌর এলাকার জীধুরিস্থ মাজেম মিয়ার ঢালু নামক স্থানে এ মারপিটের ঘটনা ঘটে। মারপিটে আহত প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরকে সিরাজগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে মারপিটের ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

মামলার বাদী চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম জানান, রোববার বিকেল ৫টার দিকে মোটরসাইকেলযোগে প্যানেল মেয়রকে সাথে নিয়ে যাচ্ছিলাম। আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে সেখানে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা ছাত্রলীগের সভাপতি ও তার সহযোগীরা আমার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। তারা আমাদের উপর লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকে। পেটানোর এক পর্যায়ে আমার কাছে থাকা গুচ্ছ গ্রাম প্রকল্পের ১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।

পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আমাকে উদ্ধার করে পাশের একটি দোকানে নিয়ে গেলেও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরকে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে। তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তার হামিদ বলেন, আমি এই হামলার সাথে জড়িত না। বরং ইউপি চেয়ারম্যানকে আমি হামলার হাত থেকে রক্ষা করে ওখানে থাকা একটি রডের দোকানে বসিয়ে রেখেছিলাম।

বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, চেয়ারম্যানের উপর হামলার বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পঠিয়েছিলাম। রাতে থানায় এই সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর