বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সিংড়ায় জুলাই দিবসে চেয়ারম্যান প্রার্থী সবুজের ৫শতাধিক ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ প্রশাসনের নাকের ডগায় মাদক কারবার, সাফাইশ্রীতে উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী। সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস ও গণমিছিল আসন্ন দুর্গানগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য পদে প্রচারণায় রোজিনা খাতুন বেড়ায় যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই ভাই নিখোঁজ গাজীপুরে আনসারের তৎপরতায় মাদকসেবী আটক। দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে এএসআই ইব্রাহিমকে সুসজ্জিত গাড়িতে রাজকীয় বিদায়। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার কে বাধ্য করা হবে- মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান লালমনিরহাটে বিএনপি নেত্রীর ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন বেড়ায় চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ীর ১ বছরের কারাদণ্ড সহ জরিমানা 

চট্টগ্রামে হচ্ছে অত্যাধুনিক গমের গুদাম

রিপোর্টারের নাম : / ২৪০ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও খাদ্য সঙ্কট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যশস্যের সঠিক সংরক্ষণের জন্য কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত কংক্রিট গমের সাইলো ক্যাম্পাসে নির্মাণ করা হচ্ছে স্টিলের তৈরি গমের সাইলো। গতকাল রোববার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ গমের স্টিল সাইলো নির্মাণ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন।

সাইলো নির্মাণের প্রকল্পটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশের কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড ও যুক্তরাস্ট্রের জিএসআই গ্রুপ এলএলসি। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ‘আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে নির্মিতব্য এই সাইলোটির নির্মাণকাজের সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবে খাদ্য অধিদফতর।

সাইলোটিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আদ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দুই থেকে তিন বছর পর্যন্ত গম সংরক্ষণ করা যাবে। সংরক্ষিত গমের গুণগত মান নিশ্চিতে রাসায়নিক দ্রব্য ও কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হবে না, যা প্রচলিত খাদ্য গুদাম বা সাইলোতে সম্ভব নয়। দেশের স্থানীয় সরবরাহ কেন্দ্রগুলোতে শস্যের আদ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের সুযোগ না থাকায় গুদামগুলোতে সব মৌসুমে ও দীর্ঘ সময়ব্যাপী শস্য মজুদ করা সম্ভব নয়। এমন পরিস্থিতিতে, দীর্ঘদিন গম সংরক্ষণে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে এ সাইলো। অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। আমাদের কৃষি ব্যবস্থার আধুনিকায়নে কাজ করে যাচ্ছি। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই দেশব্যাপী আধুনিক খাদ্যশস্য সংরক্ষণাগার নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে যেকোন সময় ও যেকোন অবস্থায় আমাদের দেশের মানুষের জন্য খাবারের যথেষ্ট মজুদ থাকে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন এ সময়োপযোগী পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এমন সব উদ্যোগের ফলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে; বিশেষ করে, দুর্যোগের মুহূর্তে খাদ্য নিরাপত্তা আরও জোরদার করা সম্ভব হবে, সে আশা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক শাখাওয়াত হোসেন, কনফিডেন্স গ্রুপের বোর্ড সদস্য রুপম কিশোর বড়ুয়া, আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার প্রকল্পের পরিচালক মো. রেজাউল করিম শেখ।

চট্টগ্রামের এ সাইলোটিসহ ‘আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার’ প্রকল্পের আওতায় দেশের আটটি স্থানে অত্যাধুনিক সাইলো নির্মাণ করা হবে। যার মধ্যে দু’টিতে গম এবং ছয়টিতে চাল সংরক্ষণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর