শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সিংড়ায় জুলাই দিবসে চেয়ারম্যান প্রার্থী সবুজের ৫শতাধিক ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ প্রশাসনের নাকের ডগায় মাদক কারবার, সাফাইশ্রীতে উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী। সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস ও গণমিছিল আসন্ন দুর্গানগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য পদে প্রচারণায় রোজিনা খাতুন বেড়ায় যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই ভাই নিখোঁজ গাজীপুরে আনসারের তৎপরতায় মাদকসেবী আটক। দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে এএসআই ইব্রাহিমকে সুসজ্জিত গাড়িতে রাজকীয় বিদায়। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার কে বাধ্য করা হবে- মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান লালমনিরহাটে বিএনপি নেত্রীর ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন বেড়ায় চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ীর ১ বছরের কারাদণ্ড সহ জরিমানা 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর : অবৈধ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযান ফের শুরু

রিপোর্টারের নাম : / ২২৯ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০২২

ঘোষণা দিয়ে আবারো অবৈধ সেবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার থেকেই অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযানে নামার কথা জানিয়েছেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির।

গতকাল রবিবার দুপুরে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মনিটরিং বিষয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির। তিনি বলেন, অননুমোদিত হাসপাতাল, ব্লাডব্যাংক বন্ধে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকশনে যাচ্ছি আমরা। আবার ৭২ ঘণ্টার একটি আল্টিমেটাম দিয়ে অভিযান চালানো হবে। সোমবার থেকে বুধবার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে গত বুধবার রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সারাদেশের সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের মিটিং হয়েছে বলেও জানান ডা. আহমেদুল কবির।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, যেসব প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন আছে অথচ প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সব শর্ত মানছে না, পরিস্থিতির উন্নতি করার জন্য তাদের ৩ মাস সময় দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ৩ মাস পূর্ণ হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা নিয়ম মেনে লাইসেন্স নবায়ন করেনি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই নতুন এ অভিযান চালানো হবে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৫ মে অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সব অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়। এরপর সারাদেশে শুরু হয় অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান। এতে প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি অবৈধ সেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। প্রথম ১০ দিন সাঁড়াশি অভিযান চললেও পরবর্তীতে এ অভিযানের গতি অনেকটা কমে আসে। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বলা হয়, এই অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর