রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভুয়া নামজারী না করে দেওয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ। বেড়ায় মাদক বিরোধী অভিযানে ৭ জনের কারাদণ্ড সিরাজগঞ্জে টিভি ক্যামেরা সাংবাদিক এসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন লালমনিরহাটের তিস্তা নদীতে ডুবে ২ ভাইয়ের মৃত্যু! রাস্তা কেটে ড্রেন নির্মাণ, ভবিষ্যৎ যানজটের আশঙ্কা উল্লাপাড়াবাসী সিরাজগঞ্জে নিজ শিশু মেয়েকে ধর্ষণ চেষ্টার দায়ে বাবার ১০ বছরের কারাদণ্ড   বাউবির ওপেন স্কুল পরিচালিত এসএসসি প্রোগ্রামে সনদবিহীন শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ। বেড়ায় ওষুধের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলন উল্লাপাড়ায় বোরো মৌসুমের ধান,চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন

ভুয়া নামজারী না করে দেওয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ।

রিপোর্টারের নাম : / ৩ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

মোঃ ইব্রাহিম হোসেন : এবার ভুয়া নামজারীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তথ্য সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন ৩৮ তম বিসিএস ক্যাডারের চৌকস কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন খান।

স্থানীয় ভূমি দস্যুদের নানা অপতৎপরতা ও ভুয়া নামজারীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ভূমি দস্যুরা নাম-সর্বস্ব হলুদ সাংবাদিকদের কাজে লাগিয়েও আমিন বাজার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদত হোসেন খানের কাছ থেকে সুবিধা করতে না পেরে ভুয়া ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উঠে পরে লেগেছেন বলে জানিয়েছেন এসিল্যান্ড শাহাদাত হোসেন খান।
তিনি বলেন, মনিরুজ্জামান মনির নামে এক ব্যাক্তি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তিনটি নামজারীর বিষয়ে মোবাইল ফোনে তদবির করে, বিষয়টি আমি দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলে ফোন রেখে দেই।

পরে, আমি ফাইলগুলো নিয়ে বিস্তারিত দেখি, একটিতে ভায়া দলিল নেই, একটিতে দলিলের তফসিলের পাতা নেই এবং একটিতে সরকারি স্বার্থ জড়িত থাকায় তাকে বিষয় গুলো জানাই এবং আবেদনকৃত দলিল, ভায়া দলিল গুলো সরবরাহ করতে বলি । কিন্তু, তিনি আবেদনকৃত মূল দলিল,ভায়া দলিল সরবরাহ না করে নামজারী গুলো মঞ্জুর করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। কিন্তু, আমি মূল দলিল ও ভায়া দলিল ব্যতিত নামজারী মঞ্জুরের বিষয়ে অনড় অবস্থানে থাকায় তিনি আমার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে বিভিন্ন সময় হুমকি ও সংবাদ প্রকাশ করার কথা বলে অব্যাহত ভাবে ক্ষুদে বার্তা প্রেরন করতে থাকে।

তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা মনগড়া কল্পকাহিনি সাজিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ করেছে। আমি প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানাই।

আমি যে তার তথ্য সন্ত্রাসের শিকার তা তার প্রকাশিত লেখনীতেই উঠে এসেছে, আমি দায়িত্ব নেওয়ার শুরুতে আমার দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অবস্থানের কথা সংবাদে উল্লেখ করেছেন, আসলে সত্যকে কখনো অস্বীকার করা যায় না। আমি শুরুতে যেভাবে দূর্নীতি বিরোধী অবস্থানে ছিলাম এখনো সেভাবেই আছি এবং যতদিন চাকরীতে থাকবো আমি আমার নীতির বাইরে কোনো কাজ করবো না।

তিনি আরও বলেন, বিগত কয়েক বছর যাবত নামজারীর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়,এখানে হয়রানি করার কোনো সুযোগ নেই, বিধায় সংবাদে উল্লেখিত বিষয়টি যে অমূলক ও তার মনগড়া কল্পকাহিনী ছাড়া আর কিছুই নয়।
সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে “সাধারণ সেবা প্রত্যাশীদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে ” আমি সবিনয়ে একটা প্রশ্ন করতে চাই কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট দালিলিক প্রমান ছাড়া অভিযোগ করা আইনত সঠিক কি-না?

তাছাড়া কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ প্রতিবেদকের অপপ্রচার ও মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়।
তাদের অপপ্রচারের আরেক অংশে উল্লেখ করেছেন “সাধারণ মানুষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পান না। ” এ বিষয়টি যে সম্পূর্ন মিথ্যা বানোয়াট তা আমার অফিস ভিজিট করলে যে কেউ বুঝতে পারবেন । কেননা এখানে প্রত্যেক কর্মকর্তা কর্মচারী আন্তরিকতার সহিত ভূমি সেবা প্রদান করে থাকে । এছাড়া আমার কক্ষের দরজা সকল সময় উন্মুক্ত থাকে।
যে কোনো ভূমি সেবা প্রত্যাশী তার সমস্যা নিয়ে আমার সাথে সরাসরি কথা বলতে পারে।

তিনি আরও বলেন, প্রকাশিত সংবাদে যে সকল বিষয় গুলো উল্লেখ করা হয়েছে এগুলো প্রতিবেদকের নিজের মনগড়া মিথ্যাচার, আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য তিনি এ সংবাদটি প্রকাশ করেছে এবং তার নিজের স্বার্থ হাসিল করতে না পারার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

সরকারি স্বার্থ রক্ষা করার জন্য আমরা কাজ করে থাকি,কোন অনৈতিক চাপ ও তথ্য সন্ত্রাস দিয়ে আমার মনোবল ভাঙতে পারবে না। যার প্রমান ইতিমধ্যে আপনারা পেয়েছেন।
তিনি দুঃখ করে বলেন, আমরা সাংবাদিকতাকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলেই জানি । কিন্তু, এভাবে হলুদ সাংবাদিকতা কি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভের ভুমিকা রাখতে পারবে?

তিনি তথ্য নির্ভর সংবাদ প্রকাশে রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা নেওয়ার জন্য সকল সংবাদকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আপনাদের একটি ভূল তথ্য ও মিথ্যাচারের কারনে যেনো নির্দোষ কোন ব্যাক্তি দোষী না হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর