শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রতারণার অভিযোগে কেয়া নীট কম্পোজিট লিমিটেডের স্টোর অফিসার আটক।  এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি-জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে সাড়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৫৮ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কোনাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।  সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক উল্লাপাড়ার রামকৃষ্ণপুর ইউপিতে গ্রাম আদালত বিষয়ে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত তফসিলের আগেই বেড়ায় প্রচারণায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

টাকার অভাবে টিউমারের চিকিৎসা হচ্ছেনা ৩ মাসের শিশু রিফাতের

রিপোর্টারের নাম : / ১১৪ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪

মো. পারভেজ সরকার-রায়গঞ্জ প্রতিনিধি: মাত্র তিন মাস বয়স শিশু রিফাতের। জন্মের পর থেকে মাথার পেছনে একটি ছোটো বৃত্তের সৃষ্টি হয়।

সেই বৃত্তটি এখন শিশু রিফাতের মাথায় ব্রেন টিউমারের পরিণত হয়ে বড় আকার ধারণ করেছে। দ্রুত রিফাতের মাথা থেকে টিউমারটি চিকিৎসার মাধ্যমে ফেলে দিতে হবে।কিন্ত তার চিকিৎসার টাকা জোগাড় না করতে পারাই অসহায় হয়ে মানুষের কাছে হাত পাতছেন শিশুটির বাবা-মা।

সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের মোজাফফরপুর গ্রামের বাবা মো: ফিরোজ (সম্পদ) ও মা মোছা: রেবেকা হতদরিদ্র এই দম্পতির একমাত্র সন্তানের এমন রোগ হওয়ায় চোখে অন্ধকার দেখছেন তারা। শিশুটির বাবা ট্রাক চালক এবং মা গৃহিণী। শিশু রিফাতের চিকিৎসার জন্য দ্রুত প্রায় ৮০ হাজার টাকা প্রয়োজন। উপায় না পেয়ে এই দম্পতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুড়ে বেড়াচ্ছেন তারা।

রবিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কথা হয় শিশু রিফাতের পরিবারের সঙ্গে।

রিফাতের মা রেবেকা জানান, তিন মাস  আগে তাদের ঘরে আসে রিফাত। তখন থেকেই মাথার পেছনে একটি ছোটো বৃত্তের সৃষ্টি হয়। আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম ভালো হয়ে যাবে। কয়েকবার ডাক্তারও দেখিয়েছি। পরে টিউমার ধরা পড়ে। কিন্তু সময় যতই যাচ্ছে রিফাতের মাথার সেই টিউমার বেড়েই চলছে। ডাক্তার বলেছে দ্রুত তার এই টিউমার অপারেশনের মাধ্যমে ফেলে দিতে হবে। অন্যথা বিপদ হবে সামনে।

শিশু রিফাতের দাদী ফিরোজা বেগম বলেন, ‘আমাদের একটি মাত্র নাতী। তাও আল্লাহ এমন করে দিয়েছে। স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে মানুষের দারে দারে গিয়ে সাহায্য চাচ্ছি। তাও যেনো নাতীকে অপারেশন করাতে পারি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর