রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন জানুয়ারিতে, পাবনায় পানিসম্পদ মন্ত্রী ভয়েস অব কাজিপুরের নয়া সভাপতি শাহিন সম্পাদক মজিদ কাজিপুরের চরাঞ্চলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু সিরাজগঞ্জের রামকৃষ্ণপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী মতিয়ার রহমান সাবানের মতবিনিময় সভা সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪ সদস্য গ্রেফতার রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন মিয়া সাত্তার ইলিশ রক্ষায় যমুনা নদীতে অভিযান; ৪০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ যমুনায় অভিযানে ৮০ হাজার মিটার অবৈধ জাল পুরিয়ে ধ্বংস বেড়ায় সুষ্ঠু ভাবে বিজয়া দশমী সম্পন্ন কাজিপুরে বিষপানে বাবা-মেয়ের আত্মহত্যা।

হাজী সেলিমকে ৩০ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

রিপোর্টারের নাম : / ৩০৮ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২২

আওয়ামী লীগ নেতা ও সংসদ সদস্য হাজী মোঃ সেলিমের ১০ বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায় বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়েছে। সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে রায়ের নথি পাঠানো হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোঃ খুরশীদ আলম খান।

তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী আজকের দিন থেকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হাজী সেলিমকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। আর হাইকোর্টের রায়ের ফলে তার সংসদ সদস্য পদে থাকার যোগ্যতা নেই। এর আগে হাজী সেলিমকে বিচারিক (নিম্ন) আদালতে দেয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানার রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট।

২০২১ সালের ৯ মার্চ বিচারপতি মোঃ মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশ পায় রায়।

এছাড়া জরিমানার টাকা অনাদায়ে হাজী সেলিমকে আদালত আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং রায় পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেয়া হয়। আত্মসমর্পণ না করলে জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ রয়েছে। এছাড়া জব্দ করা হাজী সেলিমের সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে বলা হয়।

জরুরি অবস্থার সময় ২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। এরপর ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল হাজী সেলিমকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

পরে ২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর হাজী সেলিম এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট ১৩ বছরের সাজা বাতিল করে রায় দেন। এরপর হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করে দুদক। শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের ওই রায় বাতিল করেন আপিল বিভাগ। সেই সঙ্গে হাজী সেলিমের আপিল পুনরায় হাইকোর্টে শুনানির নির্দেশ দেয়া হয়। এরপর শুনানি শেষে চূড়ান্ত রায় দেন হাইকোর্ট। সেখানে বিচারিক আদালতের দেয়া ১৩ বছরের কারাদণ্ড কমিয়ে ১০ বছর বহাল থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর