শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রতারণার অভিযোগে কেয়া নীট কম্পোজিট লিমিটেডের স্টোর অফিসার আটক।  এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি-জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে সাড়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৫৮ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কোনাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।  সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক উল্লাপাড়ার রামকৃষ্ণপুর ইউপিতে গ্রাম আদালত বিষয়ে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত তফসিলের আগেই বেড়ায় প্রচারণায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

উল্লাপাড়ায় অনিয়ম-দূর্নীতির মধ্যে দিয়ে দীর্ঘ এক যুগ ধরে একই কর্মস্থলে তারিকুল

রিপোর্টারের নাম : / ২৬০ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বড়হর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক তারিকুল ইসলাম দীর্ঘ এক যুগ ধরে একই কর্মস্থলে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এতে কারনে শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরী করে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অবৈধ ভাবে হাতিয়ে নিচ্ছেন অর্থ। অর্থ না দিলেই শুরু করেন খারাপ ব্যবহার। হতে হন হয়রানির শিকার। এতেও তিনি ক্ষ্যন্ত না হয়ে সেবাগ্রহীতাদের দেন হুমকি। উপজেলা ভূমি অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের সাথে গড়ে তুলেছেন বিশেষ সখ্যতা।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে ২০১২ সালে ১৮ এপ্রিল তারিকুল ইসলাম উপজেলা বড়হর ইউনিয়ন ভুমি অফিসে অফিস সহায়ক হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি উপজেলার অসাধু কর্মকর্তা- কর্মচারীসহ অনেকের সাথে বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। তারিকুল ইসলাম একই উপজেলার চরকালিগঞ্জ গ্রামের মৃত আবু তালেব প্রামানিকের। ভুমি অফিসটি নিজ এলাকায় হওয়ায় তিনি তার ইচ্ছামত অফিস করেন, প্রভাব খাটিয়ে অথবা কৌশলে সেবাগ্রহীতাদের থেকে অবৈধভাবে হাতিয়ে নেন অর্থ। তার সাথে অর্থনৈতিক ভাবে লেন দেন না হলেই হতে হয় হয়রানির শিকার। এমনকি অবৈধভাবে অর্থ নিয়ে অফিসের গোপন নথি দিয়ে দেন অন্যদের।

নূরল ইসলাম তনুসহ নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক সেবাগ্রহীতা বলেন,ভুমি অফিসের অফিস সহায়ক তারিকুল ইসলাম একটু চালাক এবং ধান্ধাবাজ প্রকৃতির মানুষ। সে কোন কাজে গেলে নায়েব সাহেবের সাথে কথা বলতে দিতে চায় না। তার কাছে সকল কাজের কাগজপত্র দিতে বলেন। ভুমি অফিসে খাজনা দিতে গেলেও হতে হয় হয়রানির শিকার। অনলাইনে ডোকা যাচ্ছে না। কাজ হচ্ছে না বলে দিনের পর দিন হয়রানি করতে থাকেন। যদি খাজনার টাকার সাথে তাকে কিছু টাকা দেওয়া হয় দ্রুত কাজ করে দেন।

অনলাইনে নামজারির আবেদন করে সরকারি ফি জমা দিলেও তাকে দিতে হয় আলাদা টাকা। টাকা না দিলেই করে হয়রানি। এমনকি তার কথার সাথে মিল না হলেই বিভিন্ন জনকে দিয়ে দেন হুমকি।

তারা আরো বলেন, বড়হর ইউনিয়ন ভুমি অফিস বাড়ি থেকে অল্প দূরত্ব হওয়ায় এবং দীর্ঘদিন যাবৎ একই কর্মস্থলে থাকায় তার সাথে এলাকার অসাধু মানুষের সম্পর্ক ভাল। কাজেই তিনি তার আধিপত্ত্ব দেখাতে চান ভুমি অফিসে সেবাগ্রহীতাদের সাথে।

ভুক্তভোগীরা ঘুষখোর অফিস সহাকারী তরিকুলের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন।

বড়হর ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন বলেন, এটা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের বিষয়। আমি এ ব্যাপারে আপনাদের কিছুই বলবো না। তবে আমি আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে অবগত করবো।

উল্লাপাড়া উপজেলা সহ-কারী কমিশনার (ভুমি) শারমিন সুলতানা রিমা বলেন, এবিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানলাম, খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিব। অতিরিক্ত অর্থ আদায় বা হয়রানির বিষয়টা দেখা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর