রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রতারণার অভিযোগে কেয়া নীট কম্পোজিট লিমিটেডের স্টোর অফিসার আটক।  এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি-জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে সাড়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৫৮ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কোনাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।  সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক উল্লাপাড়ার রামকৃষ্ণপুর ইউপিতে গ্রাম আদালত বিষয়ে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত তফসিলের আগেই বেড়ায় প্রচারণায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

জয়পুরহাটে ক্লাস রুম সংকটে ব্যহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম

সুলতান মাহমুদ, জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ / ৩০৭ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ৬ জুন, ২০২২

জয়পুরহাটের সদর উপজেলার চক দাদরা দাখিল মাদ্রাসার ক্লাস সংকটের ফলে মাঠেই পাঠদান করানো হচ্ছে, এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ব্যহত হচ্ছে।

১৯৮৫ সালে এলাকার কয়েকজন মানুষ উদ্যোগী হয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করে। পরে ১৯৯৭ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়।
এখানে বতমানে সাড়ে তিনশো শিক্ষা্থী পড়াশোনা করছে। সেই সাথে সুনামের সাথে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল ও করে আসছে।
কিন্তু আগের ক্লাস রুমগুলো মাটির হওয়ায় সেগুলোর টিনের ছাউনি নষ্ট হয়ে বৃষ্টি হলেই রুমে পানি পড়ে আবার কিছু কিছু রুমে ফাটল দেখা দেওয়ায় এখন মাঠেই ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ।

৮ ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জেমি খাতুন বলেন, আমাদের ক্লাসরুম গুলোর অবস্থা খুবই খারাপ, আমরা তো রুমে ক্লাসই করতে পারিনা একটু বৃষ্টি হলেই বই খাতা ভিজে যায় তাই আমরা এখন বাহিরেই ক্লাস করি। আমরা চাই কতৃপক্ষ দ্রুত আমাদের পড়াশোনার সঠিক পরিবেশ তৈরি করে দেক।

৭ ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফ আহমেদ ও ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহমুদা বলেন, মাঠে ক্লাস করা আর ক্লাস রুমে ক্লাস করা তো এক নয়, আকাশের ঝড়বৃষ্টি আসলে আমরা মাঠেও ক্লাস করতে পারিনা, এতে করে আমাদের পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হচ্ছে। আমাদের দাবি সরকার দ্রুত আমাদের প্রতিষ্ঠানের ক্লাসরুমের ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক।
প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আলী কাউছার বলেন, আমার ক্লাসরুমে ক্লাস করাতে পারিনা মাঠেই ক্লাস নিতে হয়, মাঠে ক্লাস নেওয়ার কারনে পাঠদান করাতে আমাদের অনেক সমস্যা হয়, কোন কোন শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে আসতেও চায় না।

প্রতিষ্ঠানটির সুপার গোলজার হোসেন বলেন, আমাদের ক্লাস রুম খুবই জররী বতমান সরকার যেভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন নতুন ভবন তৈরি করে দিচ্ছে সেই হিসেবে আমাদের ও দাবি আমাদের এই প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন তৈরি করে দেওয়া হলে আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কমকর্তা দিপক কুমার বনিক বলেন, আমি প্রতিষ্ঠানটি দেখেছি সেখানে পাঠদানের খুবই সমস্যা হচ্ছে, আমি দ্রুত উধতন কমকতাকে বিষয়টি জানানো হবে যাতে দ্রুত প্রতিষ্ঠানটিতে ক্লাসরুমের ব্যবস্থা করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর