শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চরহাজারী ইউনিয়ন ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল কে এই শারমিন আক্তার শীলা? অভিযোগ ঘিরে উঠছে নানা প্রশ্ন গাজীপুরে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদককারবারী গ্রেফতার। সাংবাদিকের বাড়িতে তাণ্ডব ও লুটপাট: হাটিকুমরুলে মানববন্ধন, কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সলঙ্গায় বলাই সিমলা দাখিল মাদ্রাসায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত কোনাবাড়ীতে গার্মেন্টসকর্মীর ঝুলন্ত লা/শ উদ্ধার।  কাজিপুরে রিভলবার ও তাজা গুলিসহ যুবক আটক কাজিপুর থানা কম্পাউন্ডে চার বোতল মদসহ আটক যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান শিবরাম স্কুলের নুহা সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় সরকারি পুকুর দখল ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

যশোরের শার্শায় জাল সনদে চাকরি, তদন্তে ধরা ৩ শিক্ষক।

রিপোর্টারের নাম : / ১২৭ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

মনির হোসেন যশোর জেলা প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের তৎকালীন পরিচালনা কমিটির সভাপতিসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার (১২ এপ্রিল) বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী রুহিন বালুজ।

সিআইডির প্রতিবেদনে অভিযুক্তরা হলেন—বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষক (কৃষি) সালেহা খাতুন, সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) মো. ইদ্রিস আলী এবং বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান ফিরোজ আহমেদ টিংকু।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর শার্শা আমলী আদালতে কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. রুহুল কুদ্দুস বাদী হয়ে ৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালে ইউপি চেয়ারম্যান থাকাকালে বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে গিয়ে তিনি সাতজন শিক্ষককে জাল সনদে কর্মরত দেখতে পান।

এ বিষয়ে আইনি নোটিশ পাঠানোর পর অভিযুক্তরা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা টিংকুর শরণাপন্ন হন। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় টিংকু বাদীর বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে হুমকি দেন। এছাড়া ২০১৫ সালের ২০ জুলাই রাতে অর্ধশতাধিক লোক নিয়ে বাদীর বাড়ি ঘেরাও করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদী রুহুল কুদ্দুসের দাবি, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি বিষয়টি এগিয়ে নিতে পারেননি। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর তিনি মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করেন। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

তদন্ত শেষে সিআইডি যশোরের উপ-পরিদর্শক বখতিয়ার হোসেন আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের ২০১০ সালের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ, সালেহা খাতুনের ২০০৯ সালের সনদ এবং ইদ্রিস আলীর ২০১২ সালের সনদ জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে।

এছাড়া, ওই তিন শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলন করে আসছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জালিয়াতি ও হুমকির অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সাবেক সভাপতি টিংকুসহ চারজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে সিআইডি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর