বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি-জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে সাড়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৫৮ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কোনাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।  সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক উল্লাপাড়ার রামকৃষ্ণপুর ইউপিতে গ্রাম আদালত বিষয়ে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত তফসিলের আগেই বেড়ায় প্রচারণায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা বেড়ায় মাদক কারবারি আটক 

শার্শার থানার সাবেক ওসিসহ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

রিপোর্টারের নাম : / ১৪০ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৪

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:-শার্শার টেংরালির মহির সরদারকে যশোর জেল গেট থেকে আটক করে ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় ও মামলা দেয়ার ঘটনায় শার্শা থানার সাবেক ওসিসহ তিনজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। বুধবার মহির সরদারের স্ত্রী নাসরিন সুলতানা বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন।

সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রহমত আলী অভিযোগের তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।

 

আসামিরা হলেন, শার্শা থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, এসআই শেখ সুজাত আলী ও এসআই মামুনুর রশিদ।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৭ সালে নিয়মিত টহলের সময় আসামি এসআই শেখ সুজাত আলী ও এসআই মামুনুর রশিদ মোটরসাইকেল থামিয়ে মিহির আলীর কাগজপত্র চেক করেন। এসময় মিহির আলীর কাছে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা ঘুষ দাবি করেছিলেন। মিহির আলী ঘুষের টাকা না দিয়ে চলে যার। এসময় ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা দেখে নেয়ার হুমকি দেন।

 

এরমধ্যে মিহির আলী একটি মামলায় কারাগারে যান। ২০১৭ সালে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হলে আসামিরা সাদা পোষাকে তাকে একটি প্রাইভেটকারে উঠিয়ে অপরিচিত স্থানে নিয়ে যান। এদিন মিহির আলীকে খুঁজে না পেয়ে স্বজনেরা কোতোয়ালি থানায় একটি জিডি করেন। পরদিন আসমিরা মিহির আলীকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে স্ত্রী নাসরিন সুলতানার কাছে দশ লাখ টাকা দাবি করেন। মিহির আলীর জীবন রক্ষার্থে তার স্ত্রী ধার-দেনা ও জমি বন্দক রেখে পাঁচ লাখ টাকা জোগাড় করলে আসামিরা সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার বাড়ি এসে টাকা নিয়ে যান। অন্য পাঁচ লাখ টাকা না দেয়ায় পরদিন মিহির আলীকে শারীরিক নির্যাতন করে হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং দুটি পেন্ডিং মামলায় আদালতে চালান করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর