বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
​বেড়ায় ১৭ লাখ টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার, পুড়িয়ে ধ্বংস গাজীপুরে ১৮ লাখ টাকার গাঁজাসহ গ্রেফতার-১। সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আম ব্যবসায়ী নিহত গাজীপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি সেলিম আজাদ,সম্পাদক আশরাফুল।  সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতামূলক সভা কাজিপুরে মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানে কুটির শিল্প প্রশিক্ষণ কর্মশালা হানিট্র্যাপের ফাঁদে সর্বস্ব হারাচ্ছেন অনেকে, বাড়ছে সামাজিক অবক্ষয়ের শঙ্কা দুটি পা নেই, তবু থামেনি জীবনযুদ্ধ দুই হাতে নৌকা টেনে চার সদস্যের সংসার চালান আলাউদ্দিন গাজীপুরে পরিত্যক্ত পিকআপ ভ্যান থেকে ৩০ কেজি গাঁ/জা উদ্ধার। উল্লাপাড়া ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের খাবারে অনিয়মের অভিযোগ ; ২৩২ গ্রামের বদলে মিলছে মাত্র ১৭ থেকে ৩২ গ্রাম মাংস

শার্শার থানার সাবেক ওসিসহ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

রিপোর্টারের নাম : / ১৫২ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৪

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:-শার্শার টেংরালির মহির সরদারকে যশোর জেল গেট থেকে আটক করে ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় ও মামলা দেয়ার ঘটনায় শার্শা থানার সাবেক ওসিসহ তিনজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। বুধবার মহির সরদারের স্ত্রী নাসরিন সুলতানা বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন।

সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রহমত আলী অভিযোগের তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।

 

আসামিরা হলেন, শার্শা থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, এসআই শেখ সুজাত আলী ও এসআই মামুনুর রশিদ।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৭ সালে নিয়মিত টহলের সময় আসামি এসআই শেখ সুজাত আলী ও এসআই মামুনুর রশিদ মোটরসাইকেল থামিয়ে মিহির আলীর কাগজপত্র চেক করেন। এসময় মিহির আলীর কাছে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা ঘুষ দাবি করেছিলেন। মিহির আলী ঘুষের টাকা না দিয়ে চলে যার। এসময় ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা দেখে নেয়ার হুমকি দেন।

 

এরমধ্যে মিহির আলী একটি মামলায় কারাগারে যান। ২০১৭ সালে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হলে আসামিরা সাদা পোষাকে তাকে একটি প্রাইভেটকারে উঠিয়ে অপরিচিত স্থানে নিয়ে যান। এদিন মিহির আলীকে খুঁজে না পেয়ে স্বজনেরা কোতোয়ালি থানায় একটি জিডি করেন। পরদিন আসমিরা মিহির আলীকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে স্ত্রী নাসরিন সুলতানার কাছে দশ লাখ টাকা দাবি করেন। মিহির আলীর জীবন রক্ষার্থে তার স্ত্রী ধার-দেনা ও জমি বন্দক রেখে পাঁচ লাখ টাকা জোগাড় করলে আসামিরা সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার বাড়ি এসে টাকা নিয়ে যান। অন্য পাঁচ লাখ টাকা না দেয়ায় পরদিন মিহির আলীকে শারীরিক নির্যাতন করে হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং দুটি পেন্ডিং মামলায় আদালতে চালান করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর